
পাঁচ মাস পর দেশে ফিরেছেন অর্থহীন ব্যান্ডের ভোকাল সুমন। ‘বেজবাবা সুমন’ নামেই বেশি পরিচিত তিনি। ক্যানসার আক্রান্ত সুমন চিকিৎসার জন্য ছিলেন ব্যাংককের সামিতিভেজ হাসপাতাল এবং পরে দুবাইয়ের মেডিক্লিনিক হাসপাতালে। গত শুক্রবার ঢাকায় ফিরেছেন বাংলা ব্যান্ডসংগীতের এই তারকা। জানিয়েছেন, এখন আগের চেয়ে অনেকটাই সুস্থ তিনি।
সুমন বলেন, ‘পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলাম। এত দীর্ঘ সময় আমি কখনো দেশের বাইরে থাকিনি। আমি এখন আগের চেয়ে অনেক সুস্থ। স্পাইনের ব্যথা অনেক কম। আগে দু-তিন মিনিটের বেশি বসে থাকতে পারতাম না। এখন প্রতিদিন দু-তিন কিলোমিটার হাঁটাহাঁটি করতে পারি।’
কয়েক বছর আগে চিকিৎসকেরা তাঁর শরীরে দুটি টিউমারের অস্তিত্ব পান। পরে জানা যায়, ক্যানসারে আক্রান্ত তিনি। চিকিৎসা নিয়ে তখন সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন সুমন। ২০০৭ সালে ঘটে যায় আরেক দুর্ঘটনা। ব্যাংককের একটি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। ওই সময় স্পাইনাল কর্ডের ক্ষতি হয় তাঁর।
চিকিৎসকেরা পরামর্শ দেন জার্মানিতে চিকিৎসা নেওয়ার। কিন্তু লকডাউনের কারণে যেতে পারেননি। সুমন জানান, এখনো তাঁর স্পাইনের সার্জারি লাগবে, কিন্তু সেটা আগামী এক বছরের মধ্যে করলেও চলবে। তাই দুবাইয়ের হাসপাতাল থেকে দেশে ফেরার ছাড়পত্র পেয়েছেন।
সুমন বলেন, ‘এবার শুধু ওষুধ এবং ফিজিওথেরাপি নিতে হয়েছে। আবারও একবার ফুসফুসের সংক্রমণ হয়েছিল। সব মিলে পরিস্থিতি জটিল ছিল। এখন ভালো বোধ করায় চলে এসেছি। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার দুঃসময়ে পাশে থাকার জন্য, আমার ওপর বিশ্বাস রাখার জন্য। পুরো পৃথিবী এখন একটা খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, সবাই নিজের দিকে খেয়াল রাখুন।’

পাঁচ মাস পর দেশে ফিরেছেন অর্থহীন ব্যান্ডের ভোকাল সুমন। ‘বেজবাবা সুমন’ নামেই বেশি পরিচিত তিনি। ক্যানসার আক্রান্ত সুমন চিকিৎসার জন্য ছিলেন ব্যাংককের সামিতিভেজ হাসপাতাল এবং পরে দুবাইয়ের মেডিক্লিনিক হাসপাতালে। গত শুক্রবার ঢাকায় ফিরেছেন বাংলা ব্যান্ডসংগীতের এই তারকা। জানিয়েছেন, এখন আগের চেয়ে অনেকটাই সুস্থ তিনি।
সুমন বলেন, ‘পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলাম। এত দীর্ঘ সময় আমি কখনো দেশের বাইরে থাকিনি। আমি এখন আগের চেয়ে অনেক সুস্থ। স্পাইনের ব্যথা অনেক কম। আগে দু-তিন মিনিটের বেশি বসে থাকতে পারতাম না। এখন প্রতিদিন দু-তিন কিলোমিটার হাঁটাহাঁটি করতে পারি।’
কয়েক বছর আগে চিকিৎসকেরা তাঁর শরীরে দুটি টিউমারের অস্তিত্ব পান। পরে জানা যায়, ক্যানসারে আক্রান্ত তিনি। চিকিৎসা নিয়ে তখন সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন সুমন। ২০০৭ সালে ঘটে যায় আরেক দুর্ঘটনা। ব্যাংককের একটি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। ওই সময় স্পাইনাল কর্ডের ক্ষতি হয় তাঁর।
চিকিৎসকেরা পরামর্শ দেন জার্মানিতে চিকিৎসা নেওয়ার। কিন্তু লকডাউনের কারণে যেতে পারেননি। সুমন জানান, এখনো তাঁর স্পাইনের সার্জারি লাগবে, কিন্তু সেটা আগামী এক বছরের মধ্যে করলেও চলবে। তাই দুবাইয়ের হাসপাতাল থেকে দেশে ফেরার ছাড়পত্র পেয়েছেন।
সুমন বলেন, ‘এবার শুধু ওষুধ এবং ফিজিওথেরাপি নিতে হয়েছে। আবারও একবার ফুসফুসের সংক্রমণ হয়েছিল। সব মিলে পরিস্থিতি জটিল ছিল। এখন ভালো বোধ করায় চলে এসেছি। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার দুঃসময়ে পাশে থাকার জন্য, আমার ওপর বিশ্বাস রাখার জন্য। পুরো পৃথিবী এখন একটা খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, সবাই নিজের দিকে খেয়াল রাখুন।’

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
১ দিন আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
১ দিন আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১ দিন আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
১ দিন আগে