
মারাত্মক ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পপ তারকা ম্যাডোনা। অবশেষে ১৫ দিন পর ম্যাডোনা জানিয়েছেন, তিনি ‘সুস্থ হয়ে উঠছেন’। সেই সঙ্গে স্থগিত রাখা ওয়ার্ল্ড ট্যুর আগামী অক্টোবরে শুরু হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ভক্তদের প্রতি ‘ভালোবাসা-কৃতজ্ঞতা’ জানিয়ে গ্র্যামি বিজয়ী ম্যাডোনা একটি পোস্ট দিয়েছেন ইনস্টাগ্রামে। সেখানে নিজের শারীরিক অবস্থার সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ট্যুরের দিনক্ষণ জানিয়েছেন তিনি।
ম্যাডোনা লিখেছেন, ‘আপনাদের ইতিবাচক শক্তি ও প্রার্থনা আমাকে সুস্থ করে তুলেছে, এর জন্য ধন্যবাদ। আপনাদের ভালোবাসা অনুভব করেছি। আমি সুস্থ হওয়ার পথে আছি এবং আমাকে নিয়ে আপনাদের প্রার্থনার জন্য আমি চিরকৃতজ্ঞ।’
পোস্টে ম্যাডোনা জানিয়েছেন, হাসপাতালে প্রথম যখন তাঁর চেতনা ফেরে, সবার আগে সন্তানদের নিয়ে চিন্তা শুরু হয় তাঁর। আর দ্বিতীয় চিন্তাতেই ছিলেন সেই সব মানুষ, যাঁরা তাঁর ওয়ার্ল্ড ট্যুরের কনসার্ট দেখতে টিকিট কেটেছেন। ম্যাডোনা লিখেছেন, ‘টিকিট কিনেছেন এমন কাউকে আমি হতাশ করতে চাই না। গত কয়েক মাস ধরে যাঁরা আমার শোয়ের জন্য, আমার সঙ্গে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, তাঁদেরও আমি হতাশ করতে চাই না।’
যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভক্তদের মাঝে গান নিয়ে ফিরতে চান ম্যাডোনা। তাই সুস্থ হওয়ার দিকেই তাঁর প্রধান মনোযোগ। তাঁর কথায় ‘এখন আমার মনোযোগ আমার শরীর ও সুস্বাস্থ্যের দিকে । আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি, আমি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপনাদের মধ্যে ফিরে আসব।’
পোস্টে ম্যাডোনা আরও জানান, সব ঠিক থাকলে ‘গ্রেটেস্ট হিটস ট্যুর’ চলতি বছরের অক্টোবরেই শুরু করা যাবে বলে তিনি আশা করছেন।
গত ২৬ জুন ম্যাডোনার অসুস্থতার প্রথম খবর প্রকাশ করেন তাঁর দীর্ঘদিনের ম্যানেজার গাই ওসেরি। তিনি জানিয়েছিলেন, বাড়িতে অচেতন হয়ে পড়েছিলেন ম্যাডোনা। পরে ইনজেকশন দিয়ে তাঁর চেতনা ফেরানো হয়। অবস্থা বেগতিক হওয়ায় পপ তারকাকে নিউইয়র্ক সিটির এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকের পরামর্শে তখন ম্যাডোনাকে সরাসরি আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। এরপর চিকিৎসকেরা জানিয়ে দেন, ব্যাকটেরিয়ার মারাত্মক সংক্রমণ হয়েছে তাঁর শরীরে।
অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে ২৯ জুন একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে ম্যাডোনাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর বাড়িতেই চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলে। কিন্তু বাড়ি ফেরার পর ম্যাডোনার বমির মাত্রা বাড়তে থাকে। ওই পরিস্থিতিতে ভাবা হয়েছিল ফের হাসপাতালে পাঠানো হবে শিল্পীকে। কিন্তু শেষমেশ সামলে ওঠায় বাড়িতে থেকেই ম্যাডোনা চিকিৎসা নেন বলে জানান ওসেরি।
ম্যাডোনার টানা পরিশ্রমের মূল কারণ ছিল তাঁর ওয়ার্ল্ড ট্যুর, যা কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে ১৫ জুলাই শুরু হওয়ার কথা ছিল। ১ ডিসেম্বর আমস্টারডামে ট্যুর শেষ করার আগে নিউইয়র্ক, বার্সেলোনা, প্যারিস ও স্টকহোমে গান গাওয়ার কথা ম্যাডোনার।

মারাত্মক ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পপ তারকা ম্যাডোনা। অবশেষে ১৫ দিন পর ম্যাডোনা জানিয়েছেন, তিনি ‘সুস্থ হয়ে উঠছেন’। সেই সঙ্গে স্থগিত রাখা ওয়ার্ল্ড ট্যুর আগামী অক্টোবরে শুরু হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ভক্তদের প্রতি ‘ভালোবাসা-কৃতজ্ঞতা’ জানিয়ে গ্র্যামি বিজয়ী ম্যাডোনা একটি পোস্ট দিয়েছেন ইনস্টাগ্রামে। সেখানে নিজের শারীরিক অবস্থার সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ট্যুরের দিনক্ষণ জানিয়েছেন তিনি।
ম্যাডোনা লিখেছেন, ‘আপনাদের ইতিবাচক শক্তি ও প্রার্থনা আমাকে সুস্থ করে তুলেছে, এর জন্য ধন্যবাদ। আপনাদের ভালোবাসা অনুভব করেছি। আমি সুস্থ হওয়ার পথে আছি এবং আমাকে নিয়ে আপনাদের প্রার্থনার জন্য আমি চিরকৃতজ্ঞ।’
পোস্টে ম্যাডোনা জানিয়েছেন, হাসপাতালে প্রথম যখন তাঁর চেতনা ফেরে, সবার আগে সন্তানদের নিয়ে চিন্তা শুরু হয় তাঁর। আর দ্বিতীয় চিন্তাতেই ছিলেন সেই সব মানুষ, যাঁরা তাঁর ওয়ার্ল্ড ট্যুরের কনসার্ট দেখতে টিকিট কেটেছেন। ম্যাডোনা লিখেছেন, ‘টিকিট কিনেছেন এমন কাউকে আমি হতাশ করতে চাই না। গত কয়েক মাস ধরে যাঁরা আমার শোয়ের জন্য, আমার সঙ্গে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, তাঁদেরও আমি হতাশ করতে চাই না।’
যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভক্তদের মাঝে গান নিয়ে ফিরতে চান ম্যাডোনা। তাই সুস্থ হওয়ার দিকেই তাঁর প্রধান মনোযোগ। তাঁর কথায় ‘এখন আমার মনোযোগ আমার শরীর ও সুস্বাস্থ্যের দিকে । আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি, আমি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপনাদের মধ্যে ফিরে আসব।’
পোস্টে ম্যাডোনা আরও জানান, সব ঠিক থাকলে ‘গ্রেটেস্ট হিটস ট্যুর’ চলতি বছরের অক্টোবরেই শুরু করা যাবে বলে তিনি আশা করছেন।
গত ২৬ জুন ম্যাডোনার অসুস্থতার প্রথম খবর প্রকাশ করেন তাঁর দীর্ঘদিনের ম্যানেজার গাই ওসেরি। তিনি জানিয়েছিলেন, বাড়িতে অচেতন হয়ে পড়েছিলেন ম্যাডোনা। পরে ইনজেকশন দিয়ে তাঁর চেতনা ফেরানো হয়। অবস্থা বেগতিক হওয়ায় পপ তারকাকে নিউইয়র্ক সিটির এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকের পরামর্শে তখন ম্যাডোনাকে সরাসরি আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। এরপর চিকিৎসকেরা জানিয়ে দেন, ব্যাকটেরিয়ার মারাত্মক সংক্রমণ হয়েছে তাঁর শরীরে।
অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে ২৯ জুন একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে ম্যাডোনাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর বাড়িতেই চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলে। কিন্তু বাড়ি ফেরার পর ম্যাডোনার বমির মাত্রা বাড়তে থাকে। ওই পরিস্থিতিতে ভাবা হয়েছিল ফের হাসপাতালে পাঠানো হবে শিল্পীকে। কিন্তু শেষমেশ সামলে ওঠায় বাড়িতে থেকেই ম্যাডোনা চিকিৎসা নেন বলে জানান ওসেরি।
ম্যাডোনার টানা পরিশ্রমের মূল কারণ ছিল তাঁর ওয়ার্ল্ড ট্যুর, যা কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে ১৫ জুলাই শুরু হওয়ার কথা ছিল। ১ ডিসেম্বর আমস্টারডামে ট্যুর শেষ করার আগে নিউইয়র্ক, বার্সেলোনা, প্যারিস ও স্টকহোমে গান গাওয়ার কথা ম্যাডোনার।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘শাস্তি’ নিয়ে ২০০৪ সালে সিনেমা বানিয়েছিলেন চাষী নজরুল ইসলাম। একই গল্প আবার আসছে পর্দায়। তবে হুবহু নয়, গল্পটিকে এই সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন করে লেখা হয়েছে চিত্রনাট্য। ‘শাস্তি’ নামের সিনেমাটি বানাচ্ছেন লিসা গাজী। এর আগে ‘বাড়ির নাম শাহানা’ বানিয়ে প্রশংসিত হয়েছিলেন লিসা।
১৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে থিয়েটার বিস্তারে এবং দক্ষ থিয়েটার কর্মী তৈরিতে দীর্ঘ ২৫ বছর কাজ করে চলেছে প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাকটিং অ্যান্ড ডিজাইন। এই স্কুলের ৬ মাসের পাঠ্যসূচিতে প্রশিক্ষণার্থীরা থিয়েটারের আনুষঙ্গিক বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পায়। এরই মধ্যে এই স্কুলের ৪৮টি ব্যাচ সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করেছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ৭৬০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত নেপালের মুস্তাং জেলার জমসম শহর। বিখ্যাত কালী গান্ধাকী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শহরকে বলা হয় নেপালের সর্বোচ্চ তুষারপাতপ্রবণ নগর। তুষারে মোড়া পাহাড়, নীল আকাশ—সব মিলিয়ে প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।
১৪ ঘণ্টা আগে
কয়েক দিন আগেই তালিকার শীর্ষে জ্বলজ্বল করছিল ‘ইনসাইড আউট ২’-এর নাম। ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওসের এ সিনেমা আয় করেছিল ১ দশমিক ৬৯৮ বিলিয়ন ডলার। এ সিনেমাকে টপকে হলিউডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল অ্যানিমেশন সিনেমার রেকর্ড গড়ল ডিজনির ‘জুটোপিয়া ২’।
১৪ ঘণ্টা আগে