
গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর ১৭ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়েছিলেন একাডেমির গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি। গত সরকারের সময় তিনি চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছিলেন। কিন্তু গতকাল জ্যোতি অফিসে প্রবেশের পরই সহকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে সহকর্মীদের তোপের মুখে বাধ্য হয়ে শিল্পকলা একাডেমি ছেড়ে চলে যান জ্যোতিকা জ্যোতি।
শিল্পকলা একাডেমির সিনিয়র ইনস্ট্রাক্টর আইরিন পারভীন লোপা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘তিনি (জ্যোতিকা জ্যোতি) অফিসে আসায় আমরা হতবাক হয়েছি। তিনি কীভাবে অফিসে আসেন, যিনি স্বৈরাচার সরকারের হয়ে কথা বলেছেন। যাঁরা সরাসরি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করতে উৎসাহিত করেছেন, যাঁরা রক্ত ঝরার জন্য দায়ী, তাঁদের আমরা সহকর্মী হিসেবে চাই না।’ লোপা আরও বলেন, ‘তিনি আলো আসবেই নামে একটি গ্রুপে যুক্ত হয়ে আন্দোলন করা শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে কথা বলেছেন। এমন লোক আমরা দেখতে চাই না।...তিনি এখনো নিজেকে সরকারের নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা ভাবছেন। তাঁর নাকি অধিকার রয়েছে অফিসে আসার। যে সরকার নেই, সেই সরকারের দাপট দেখাচ্ছেন। আমরা তাঁকে সসম্মানে চলে যেতে বলেছি।’
জানা গেছে, দুপুর ১২টার কিছু সময় পরে শিল্পকলা একাডেমিতে যান জ্যোতি। বেলা ১টা ৫০ মিনিটের দিকে তিনি বের হয়ে যান। এরপর ফেসবুক লাইভে এসে নিজের অবস্থান ও বক্তব্য তুলে ধরেন তিনি। জ্যোতি বলেন, ‘আমি রাষ্ট্রীয় একটি অফিসে পরিচালক হিসেবে কাজ করছি। এখনো আমার চাকরিটা আছে। উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে শিল্পকলার কাজ প্রায় বন্ধই ছিল। তাই সচিব আমাদের পরামর্শ দিয়েছিলেন অফিসে না আসতে। নতুন ডিজি জয়েন করায় আমি অফিসে গিয়েছিলাম। আমি (তাঁর সঙ্গে) দেখা করার উদ্দেশে আমার রুম থেকে বেরিয়ে দেখি লবিতে অনেক লোক। আমি ডিজির সঙ্গে দেখা করলে তিনি বললেন, “এই যে দেখেন অবস্থা! কেন এসেছেন এখন? এগুলো আমাকে সামলাতে দিন। আপনারা বরং চলে যান, পরে সিদ্ধান্ত যা হওয়ার হবে।”...আমি বেরিয়ে এলাম। লবিতে অনেক লোক ছিল, আমি কথা বলতে চাইলে কেউ কথা বলতে রাজি হলেন না। আমি রুমে যেতেই অনেকে আমার রুমের সামনে চলে এল। আমি আমার ব্যক্তিগত জিনিসপত্র নিয়ে চলে এলাম।’
নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে জ্যোতি বলেন, ‘বুঝতে শেখার পর থেকে একটা সরকারই দেখেছি, সেটা আওয়ামী লীগ। সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে যে রাষ্ট্রীয় বা অফিসের সব বদলে যায়, সেটা এবারই প্রথম দেখলাম। আমি আমার ডিজি, সচিবের কথায় সম্মান জানিয়ে বেরিয়ে এসেছি, নইলে আমি এটা ফেস করতাম, কারণ, এটা আমার রাইট। আমি কোনো দলের সুবিধা নিয়ে এই পদটাতে আসিনি।...আমার প্রোফাইল দেখে, যোগ্যতা যাচাই করে, প্রায় ছয় মাস যাচাই-বাছাই করে আমাকে চাকরিতে নেওয়া হয়েছে। দলীয় সুবিধা নিলে তো আমাকে এক দিনেই চাকরিতে বসিয়ে দেওয়া হতো।’
নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন জ্যোতি। তিনি বলেন, ‘এখন যখন নতুন সরকার এসেছে, নতুন করে, নতুন নিয়মে সব হচ্ছে, এখন তো সব ভালো হবে। তাহলে আমার সঙ্গে কোন ভালোটা হলো?...এই চেয়ারটাকে আঁকড়ে ধরে থাকার কোনো ইচ্ছা আমার নেই, কারণ, আমি আমার যোগ্যতা নিয়ে খুবই কনফিডেন্ট। প্রশ্ন হলো, একটা মানুষ কি কোনো দল সাপোর্ট করতে পারবে না? এখন যারা বিএনপির লোক দাবি করে শিল্পকলার সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, তারা কিন্তু আগের সরকারের সময় বহাল তবিয়তেই ছিলেন। আমি একজন অভিনেত্রী, কিন্তু অভিনয়শিল্পীরাও দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেছেন, কোনো কাজ এখন হচ্ছে না। আমি শিল্পকলার একজন পরিচালক, এটাও আমার আরেকটি পরিচয়। এটিও এখন থাকছে না। আমি তাহলে এখন কোথায় যাব? কী করব? এই দেশ কি তাহলে আমার না? এই রাষ্ট্র কি তাহলে আমার না?’

গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর ১৭ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়েছিলেন একাডেমির গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি। গত সরকারের সময় তিনি চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছিলেন। কিন্তু গতকাল জ্যোতি অফিসে প্রবেশের পরই সহকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে সহকর্মীদের তোপের মুখে বাধ্য হয়ে শিল্পকলা একাডেমি ছেড়ে চলে যান জ্যোতিকা জ্যোতি।
শিল্পকলা একাডেমির সিনিয়র ইনস্ট্রাক্টর আইরিন পারভীন লোপা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘তিনি (জ্যোতিকা জ্যোতি) অফিসে আসায় আমরা হতবাক হয়েছি। তিনি কীভাবে অফিসে আসেন, যিনি স্বৈরাচার সরকারের হয়ে কথা বলেছেন। যাঁরা সরাসরি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করতে উৎসাহিত করেছেন, যাঁরা রক্ত ঝরার জন্য দায়ী, তাঁদের আমরা সহকর্মী হিসেবে চাই না।’ লোপা আরও বলেন, ‘তিনি আলো আসবেই নামে একটি গ্রুপে যুক্ত হয়ে আন্দোলন করা শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে কথা বলেছেন। এমন লোক আমরা দেখতে চাই না।...তিনি এখনো নিজেকে সরকারের নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা ভাবছেন। তাঁর নাকি অধিকার রয়েছে অফিসে আসার। যে সরকার নেই, সেই সরকারের দাপট দেখাচ্ছেন। আমরা তাঁকে সসম্মানে চলে যেতে বলেছি।’
জানা গেছে, দুপুর ১২টার কিছু সময় পরে শিল্পকলা একাডেমিতে যান জ্যোতি। বেলা ১টা ৫০ মিনিটের দিকে তিনি বের হয়ে যান। এরপর ফেসবুক লাইভে এসে নিজের অবস্থান ও বক্তব্য তুলে ধরেন তিনি। জ্যোতি বলেন, ‘আমি রাষ্ট্রীয় একটি অফিসে পরিচালক হিসেবে কাজ করছি। এখনো আমার চাকরিটা আছে। উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে শিল্পকলার কাজ প্রায় বন্ধই ছিল। তাই সচিব আমাদের পরামর্শ দিয়েছিলেন অফিসে না আসতে। নতুন ডিজি জয়েন করায় আমি অফিসে গিয়েছিলাম। আমি (তাঁর সঙ্গে) দেখা করার উদ্দেশে আমার রুম থেকে বেরিয়ে দেখি লবিতে অনেক লোক। আমি ডিজির সঙ্গে দেখা করলে তিনি বললেন, “এই যে দেখেন অবস্থা! কেন এসেছেন এখন? এগুলো আমাকে সামলাতে দিন। আপনারা বরং চলে যান, পরে সিদ্ধান্ত যা হওয়ার হবে।”...আমি বেরিয়ে এলাম। লবিতে অনেক লোক ছিল, আমি কথা বলতে চাইলে কেউ কথা বলতে রাজি হলেন না। আমি রুমে যেতেই অনেকে আমার রুমের সামনে চলে এল। আমি আমার ব্যক্তিগত জিনিসপত্র নিয়ে চলে এলাম।’
নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে জ্যোতি বলেন, ‘বুঝতে শেখার পর থেকে একটা সরকারই দেখেছি, সেটা আওয়ামী লীগ। সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে যে রাষ্ট্রীয় বা অফিসের সব বদলে যায়, সেটা এবারই প্রথম দেখলাম। আমি আমার ডিজি, সচিবের কথায় সম্মান জানিয়ে বেরিয়ে এসেছি, নইলে আমি এটা ফেস করতাম, কারণ, এটা আমার রাইট। আমি কোনো দলের সুবিধা নিয়ে এই পদটাতে আসিনি।...আমার প্রোফাইল দেখে, যোগ্যতা যাচাই করে, প্রায় ছয় মাস যাচাই-বাছাই করে আমাকে চাকরিতে নেওয়া হয়েছে। দলীয় সুবিধা নিলে তো আমাকে এক দিনেই চাকরিতে বসিয়ে দেওয়া হতো।’
নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন জ্যোতি। তিনি বলেন, ‘এখন যখন নতুন সরকার এসেছে, নতুন করে, নতুন নিয়মে সব হচ্ছে, এখন তো সব ভালো হবে। তাহলে আমার সঙ্গে কোন ভালোটা হলো?...এই চেয়ারটাকে আঁকড়ে ধরে থাকার কোনো ইচ্ছা আমার নেই, কারণ, আমি আমার যোগ্যতা নিয়ে খুবই কনফিডেন্ট। প্রশ্ন হলো, একটা মানুষ কি কোনো দল সাপোর্ট করতে পারবে না? এখন যারা বিএনপির লোক দাবি করে শিল্পকলার সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, তারা কিন্তু আগের সরকারের সময় বহাল তবিয়তেই ছিলেন। আমি একজন অভিনেত্রী, কিন্তু অভিনয়শিল্পীরাও দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেছেন, কোনো কাজ এখন হচ্ছে না। আমি শিল্পকলার একজন পরিচালক, এটাও আমার আরেকটি পরিচয়। এটিও এখন থাকছে না। আমি তাহলে এখন কোথায় যাব? কী করব? এই দেশ কি তাহলে আমার না? এই রাষ্ট্র কি তাহলে আমার না?’

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘শাস্তি’ নিয়ে ২০০৪ সালে সিনেমা বানিয়েছিলেন চাষী নজরুল ইসলাম। একই গল্প আবার আসছে পর্দায়। তবে হুবহু নয়, গল্পটিকে এই সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন করে লেখা হয়েছে চিত্রনাট্য। ‘শাস্তি’ নামের সিনেমাটি বানাচ্ছেন লিসা গাজী। এর আগে ‘বাড়ির নাম শাহানা’ বানিয়ে প্রশংসিত হয়েছিলেন লিসা।
১২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে থিয়েটার বিস্তারে এবং দক্ষ থিয়েটার কর্মী তৈরিতে দীর্ঘ ২৫ বছর কাজ করে চলেছে প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাকটিং অ্যান্ড ডিজাইন। এই স্কুলের ৬ মাসের পাঠ্যসূচিতে প্রশিক্ষণার্থীরা থিয়েটারের আনুষঙ্গিক বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পায়। এরই মধ্যে এই স্কুলের ৪৮টি ব্যাচ সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করেছে।
১২ ঘণ্টা আগে
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ৭৬০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত নেপালের মুস্তাং জেলার জমসম শহর। বিখ্যাত কালী গান্ধাকী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শহরকে বলা হয় নেপালের সর্বোচ্চ তুষারপাতপ্রবণ নগর। তুষারে মোড়া পাহাড়, নীল আকাশ—সব মিলিয়ে প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।
১২ ঘণ্টা আগে
কয়েক দিন আগেই তালিকার শীর্ষে জ্বলজ্বল করছিল ‘ইনসাইড আউট ২’-এর নাম। ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওসের এ সিনেমা আয় করেছিল ১ দশমিক ৬৯৮ বিলিয়ন ডলার। এ সিনেমাকে টপকে হলিউডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল অ্যানিমেশন সিনেমার রেকর্ড গড়ল ডিজনির ‘জুটোপিয়া ২’।
১২ ঘণ্টা আগে