
দেখতে দেখতে এক বছর কেটে গেল। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের চলে যাওয়ার ব্যাথা এখনও নাড়া দিয়ে ওঠে বাঙালির মনে। আর তাই তো ১৫ নভেম্বর সৌমিত্রের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মৃতিচারণা করেছেন তারকারা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তারকারা শেয়ার করেছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে নানা কথা, নানা গল্প। গত বছরে ঠিক এ দিনই তো বাংলার সাংস্কৃতিক জগৎ হারিয়েছে কিংবদন্তি সৌমিত্র চট্টোপাধ্য়ায়কে। এই এক বছরে বাবাকে হারিয়ে কেমন কাটছে সৌমিত্রকন্যা ও নাট্য ব্যক্তিত্ব পৌলমী বসুর জীবন?
‘কাজ করে যাও’… সৌমিত্র চট্টোপাধ্য়ায় তাঁর মেয়েকে একথাই বার বার বলতেন। তাই কাজের মধ্যেই বাবার স্মৃতিচারণায় ভেসে গেলেন পৌলমী। তাঁর নাটকের দল ‘মুখোমুখি’র পক্ষ থেকে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা জানালেন নাটক ‘টাইপিস্ট’-এর মধ্য়ে দিয়েই।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সৌমিত্র কন্যা বলেন, ‘গত এক বছরের মধ্যে শুধু বাবাকে হারাইনি, মাও তো চলে গেলেন কয়েকমাস বাদেই! গভীর শূন্যতা এসেছিল আমার জীবনে, বলতে গেলে আমার এবং ভাই (সৌগত) দুজনের জীবনেই। তারপর একে একে দুর্ঘটনার শেষ নেই। মা, বাবাকে নিয়ে একটু যে বসে ভাবব তার সময়ই পাইনি। ছেলে রণদীপ, মেয়ে মেঘলা করোনা আক্রান্ত হল, রণদীপ করোনা আক্রান্ত হলো দুইবার, হাসপাতালেও ভর্তি করতে হল। কতটা খারাপ সময়ের মধ্য়ে দিয়ে গিয়েছি, সেটা আমি ছাড়া কেউ বুঝবে না। কিন্তু বাবার শিক্ষা ছিল লড়াই করেই বাঁচতে হবে।’
তিনি যোগ করেন,‘না, এটা কোনও রাজনীতির বুলি নয়, এটা বাবাও মেনে চলেছেন, আমিও মেনে চলি। আমার এখন শান্তির জায়গা একটাই, শুধু কাজ করে যাওয়া। এতো ঝড় ঝাপটা সামলেও নাটক করে গিয়েছি।’
বাবার লেখার নাটকে অভিনয় করেছেন। তিনি মনে করেন, এটাই তো তাঁকে শ্রদ্ধা জানানো। তিনি বলেন,‘বাবা দীর্ঘ জীবন বেঁচে ছিলেন, কিন্তু প্রায় আমৃত্যু কাজ করে গিয়েছেন। বলতেন, কোনও বাধার কাছে মাথা নীচু করবে না। লড়াই করে এগিয়ে যাবে। জীবনে হারজিৎ থাকবে, তাতে পিছিয়ে আসা নয় কখনও, হারলেও এগিয়ে যাবার চেষ্টায় যেন কোনও খামতি না থেকে। বাবার সেই কথা মনে রেখেই সংসারের সব ঝক্কি সামলে ও তাঁর আদর্শকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য আমার।’
বাবার নাটকে নিয়মিত অভিনয় করার চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। তিনি জানান, বাবার নামে একটা ট্রাস্ট তৈরিরও চেষ্টা চলছে। বাবার সব কাজ – লেখা, আঁকা ছবি, নাটক, ভাল সিনেমাগুলো সংরক্ষণের চেষ্টা চলছে। তিনি মনে করেন, অনেক বাধা আসবে, তবুও থামার পাত্রী তিনি নন। তার বলেন,‘লড়াই আমার থামবে না। বাবাও আমৃত্যু লড়াই করে গিয়েছেন, আমিও লড়ব।’

দেখতে দেখতে এক বছর কেটে গেল। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের চলে যাওয়ার ব্যাথা এখনও নাড়া দিয়ে ওঠে বাঙালির মনে। আর তাই তো ১৫ নভেম্বর সৌমিত্রের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মৃতিচারণা করেছেন তারকারা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তারকারা শেয়ার করেছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে নানা কথা, নানা গল্প। গত বছরে ঠিক এ দিনই তো বাংলার সাংস্কৃতিক জগৎ হারিয়েছে কিংবদন্তি সৌমিত্র চট্টোপাধ্য়ায়কে। এই এক বছরে বাবাকে হারিয়ে কেমন কাটছে সৌমিত্রকন্যা ও নাট্য ব্যক্তিত্ব পৌলমী বসুর জীবন?
‘কাজ করে যাও’… সৌমিত্র চট্টোপাধ্য়ায় তাঁর মেয়েকে একথাই বার বার বলতেন। তাই কাজের মধ্যেই বাবার স্মৃতিচারণায় ভেসে গেলেন পৌলমী। তাঁর নাটকের দল ‘মুখোমুখি’র পক্ষ থেকে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা জানালেন নাটক ‘টাইপিস্ট’-এর মধ্য়ে দিয়েই।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সৌমিত্র কন্যা বলেন, ‘গত এক বছরের মধ্যে শুধু বাবাকে হারাইনি, মাও তো চলে গেলেন কয়েকমাস বাদেই! গভীর শূন্যতা এসেছিল আমার জীবনে, বলতে গেলে আমার এবং ভাই (সৌগত) দুজনের জীবনেই। তারপর একে একে দুর্ঘটনার শেষ নেই। মা, বাবাকে নিয়ে একটু যে বসে ভাবব তার সময়ই পাইনি। ছেলে রণদীপ, মেয়ে মেঘলা করোনা আক্রান্ত হল, রণদীপ করোনা আক্রান্ত হলো দুইবার, হাসপাতালেও ভর্তি করতে হল। কতটা খারাপ সময়ের মধ্য়ে দিয়ে গিয়েছি, সেটা আমি ছাড়া কেউ বুঝবে না। কিন্তু বাবার শিক্ষা ছিল লড়াই করেই বাঁচতে হবে।’
তিনি যোগ করেন,‘না, এটা কোনও রাজনীতির বুলি নয়, এটা বাবাও মেনে চলেছেন, আমিও মেনে চলি। আমার এখন শান্তির জায়গা একটাই, শুধু কাজ করে যাওয়া। এতো ঝড় ঝাপটা সামলেও নাটক করে গিয়েছি।’
বাবার লেখার নাটকে অভিনয় করেছেন। তিনি মনে করেন, এটাই তো তাঁকে শ্রদ্ধা জানানো। তিনি বলেন,‘বাবা দীর্ঘ জীবন বেঁচে ছিলেন, কিন্তু প্রায় আমৃত্যু কাজ করে গিয়েছেন। বলতেন, কোনও বাধার কাছে মাথা নীচু করবে না। লড়াই করে এগিয়ে যাবে। জীবনে হারজিৎ থাকবে, তাতে পিছিয়ে আসা নয় কখনও, হারলেও এগিয়ে যাবার চেষ্টায় যেন কোনও খামতি না থেকে। বাবার সেই কথা মনে রেখেই সংসারের সব ঝক্কি সামলে ও তাঁর আদর্শকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য আমার।’
বাবার নাটকে নিয়মিত অভিনয় করার চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। তিনি জানান, বাবার নামে একটা ট্রাস্ট তৈরিরও চেষ্টা চলছে। বাবার সব কাজ – লেখা, আঁকা ছবি, নাটক, ভাল সিনেমাগুলো সংরক্ষণের চেষ্টা চলছে। তিনি মনে করেন, অনেক বাধা আসবে, তবুও থামার পাত্রী তিনি নন। তার বলেন,‘লড়াই আমার থামবে না। বাবাও আমৃত্যু লড়াই করে গিয়েছেন, আমিও লড়ব।’

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘শাস্তি’ নিয়ে ২০০৪ সালে সিনেমা বানিয়েছিলেন চাষী নজরুল ইসলাম। একই গল্প আবার আসছে পর্দায়। তবে হুবহু নয়, গল্পটিকে এই সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন করে লেখা হয়েছে চিত্রনাট্য। ‘শাস্তি’ নামের সিনেমাটি বানাচ্ছেন লিসা গাজী। এর আগে ‘বাড়ির নাম শাহানা’ বানিয়ে প্রশংসিত হয়েছিলেন লিসা।
১ দিন আগে
বাংলাদেশে থিয়েটার বিস্তারে এবং দক্ষ থিয়েটার কর্মী তৈরিতে দীর্ঘ ২৫ বছর কাজ করে চলেছে প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাকটিং অ্যান্ড ডিজাইন। এই স্কুলের ৬ মাসের পাঠ্যসূচিতে প্রশিক্ষণার্থীরা থিয়েটারের আনুষঙ্গিক বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পায়। এরই মধ্যে এই স্কুলের ৪৮টি ব্যাচ সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করেছে।
১ দিন আগে
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ৭৬০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত নেপালের মুস্তাং জেলার জমসম শহর। বিখ্যাত কালী গান্ধাকী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শহরকে বলা হয় নেপালের সর্বোচ্চ তুষারপাতপ্রবণ নগর। তুষারে মোড়া পাহাড়, নীল আকাশ—সব মিলিয়ে প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।
১ দিন আগে
কয়েক দিন আগেই তালিকার শীর্ষে জ্বলজ্বল করছিল ‘ইনসাইড আউট ২’-এর নাম। ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওসের এ সিনেমা আয় করেছিল ১ দশমিক ৬৯৮ বিলিয়ন ডলার। এ সিনেমাকে টপকে হলিউডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল অ্যানিমেশন সিনেমার রেকর্ড গড়ল ডিজনির ‘জুটোপিয়া ২’।
১ দিন আগে