নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: গুরুবাস পর্যটনের শুভেচ্ছা দূত হয়েছেন অভিনেত্রী শাহনূর। আজ শুক্রবার দুপুরে ঢাকার পল্টনস্থ বাংলাদেশ টুরিজম ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে এই অভিনেত্রীকে গুরুবাস পর্যটনের মনোনয়নপত্র তুলে দেন বাংলাদেশ টুরিজম ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোখলেছুর রহমান।
টুরিজম ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, বাংলাদেশ প্রথম পর্যটন গ্রাম চারিপাড়ায় ‘গুরুবাস পর্যটন’ শীর্ষক পর্যটনের একটি নতুন দর্শনধারার সূচনা করা হচ্ছে, যার কারিগরি সহায়তা করছে বাংলাদেশ টুরিজম ফাউন্ডেশন। শুভেচ্ছা দূত হিসেবে শাহনূর তাঁর ভ্রমণস্থলে, কর্মস্থলে বা অন্য কোন স্থানে উপস্থিতির সময় গুরুবাস পর্যটনের উদ্দেশ্য ও দর্শনের প্রতি সকলকে আকৃষ্ট করবেন।
গুরুবাসের মূল বক্তব্য হলো জীবন, সংস্কৃতি ও প্রকৃতির কাছ থেকে গৃহীত শিক্ষাই প্রকৃত শিক্ষা। তাই প্রতিটি পর্যটক শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী। পর্যটন নিভৃত পল্লিতে জীবনযুদ্ধে উত্তীর্ণ মানুষকে গুরু হিসেবে নতুন মোড়কে উপস্থাপন করবে। যেমন শস্যগুরু, মৎস্যগুরু, খাদ্যগুরু, ধর্মগুরু, শিল্পগুরু, গল্পগুরু, পর্যটনগুরু ইত্যাদি। গুরুবাস পর্যটন একটি শিক্ষা দর্শন যা স্থানীয় মানুষের পরীক্ষিত জীবনধারা থেকে উৎসারিত। গুরুবাসের মৌলিক চেতনা হলো দায়িত্বশীল পর্যটনের মাধ্যমে মানুষ ও সমাজের মধ্যে বিশুদ্ধতা, স্থায়িত্ব ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা।
অভিনেত্রী সৈয়দা কামরুন নাহার শাহনূর বলেন, 'পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দেখেছি, তারা নিজেদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য টুরিজমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশের গ্রাম বাংলা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। এই সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে দেশে পর্যটন শিল্প তেমন বিকাশ লাভ করেনি। এখন সময় এসেছে পর্যটনের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার।'
বাংলাদেশ টুরিজম ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোখলেছুর রহমান বলেন, 'গুরুবাস হচ্ছে গুরুর সঙ্গে বাস। গুরুর সঙ্গে বাস করবে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। গুরু হিসেবে আমরা গ্রাম থেকে কিছু মানুষকে বাছাই করবো। আগে গুরুগৃহে জীবনমুখী শিক্ষা দেওয়া হতো। এখন গ্রামে যেসব মানুষের জীবনমুখী জ্ঞান আছে। শিক্ষার্থীরা তাদের থেকে জীবনবোধ, জীবন প্রকৃতি, জীবনধারাটা শিখবে। আমরা তখন এই স্কুলিংকে বলবো গুরুবাস। এটা জীবনমুখী পর্যটনের একটা টেকসই স্কুলিং হবে। গুরুবাস পর্যটন দেশের পর্যটনের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সৃজন ও সংরক্ষণে অবদান রাখবে।'
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টুরিজম ফাউন্ডেশনের সহ সভাপতি শাহাবউদ্দিন সোহাগ, কিশোর রায়হান, বাংলাদেশ টুরিজম অ্যান্ড হোটেলস ওয়ার্কার্স–এমপ্লয়িজ ফেডারেশনের আহ্বায়ক রাশেদুর রহমান, রন্ধনশিল্পী নাজিয়া ফারহানা প্রমুখ।

ঢাকা: গুরুবাস পর্যটনের শুভেচ্ছা দূত হয়েছেন অভিনেত্রী শাহনূর। আজ শুক্রবার দুপুরে ঢাকার পল্টনস্থ বাংলাদেশ টুরিজম ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে এই অভিনেত্রীকে গুরুবাস পর্যটনের মনোনয়নপত্র তুলে দেন বাংলাদেশ টুরিজম ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোখলেছুর রহমান।
টুরিজম ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, বাংলাদেশ প্রথম পর্যটন গ্রাম চারিপাড়ায় ‘গুরুবাস পর্যটন’ শীর্ষক পর্যটনের একটি নতুন দর্শনধারার সূচনা করা হচ্ছে, যার কারিগরি সহায়তা করছে বাংলাদেশ টুরিজম ফাউন্ডেশন। শুভেচ্ছা দূত হিসেবে শাহনূর তাঁর ভ্রমণস্থলে, কর্মস্থলে বা অন্য কোন স্থানে উপস্থিতির সময় গুরুবাস পর্যটনের উদ্দেশ্য ও দর্শনের প্রতি সকলকে আকৃষ্ট করবেন।
গুরুবাসের মূল বক্তব্য হলো জীবন, সংস্কৃতি ও প্রকৃতির কাছ থেকে গৃহীত শিক্ষাই প্রকৃত শিক্ষা। তাই প্রতিটি পর্যটক শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী। পর্যটন নিভৃত পল্লিতে জীবনযুদ্ধে উত্তীর্ণ মানুষকে গুরু হিসেবে নতুন মোড়কে উপস্থাপন করবে। যেমন শস্যগুরু, মৎস্যগুরু, খাদ্যগুরু, ধর্মগুরু, শিল্পগুরু, গল্পগুরু, পর্যটনগুরু ইত্যাদি। গুরুবাস পর্যটন একটি শিক্ষা দর্শন যা স্থানীয় মানুষের পরীক্ষিত জীবনধারা থেকে উৎসারিত। গুরুবাসের মৌলিক চেতনা হলো দায়িত্বশীল পর্যটনের মাধ্যমে মানুষ ও সমাজের মধ্যে বিশুদ্ধতা, স্থায়িত্ব ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা।
অভিনেত্রী সৈয়দা কামরুন নাহার শাহনূর বলেন, 'পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দেখেছি, তারা নিজেদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য টুরিজমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশের গ্রাম বাংলা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। এই সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে দেশে পর্যটন শিল্প তেমন বিকাশ লাভ করেনি। এখন সময় এসেছে পর্যটনের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার।'
বাংলাদেশ টুরিজম ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোখলেছুর রহমান বলেন, 'গুরুবাস হচ্ছে গুরুর সঙ্গে বাস। গুরুর সঙ্গে বাস করবে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। গুরু হিসেবে আমরা গ্রাম থেকে কিছু মানুষকে বাছাই করবো। আগে গুরুগৃহে জীবনমুখী শিক্ষা দেওয়া হতো। এখন গ্রামে যেসব মানুষের জীবনমুখী জ্ঞান আছে। শিক্ষার্থীরা তাদের থেকে জীবনবোধ, জীবন প্রকৃতি, জীবনধারাটা শিখবে। আমরা তখন এই স্কুলিংকে বলবো গুরুবাস। এটা জীবনমুখী পর্যটনের একটা টেকসই স্কুলিং হবে। গুরুবাস পর্যটন দেশের পর্যটনের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সৃজন ও সংরক্ষণে অবদান রাখবে।'
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টুরিজম ফাউন্ডেশনের সহ সভাপতি শাহাবউদ্দিন সোহাগ, কিশোর রায়হান, বাংলাদেশ টুরিজম অ্যান্ড হোটেলস ওয়ার্কার্স–এমপ্লয়িজ ফেডারেশনের আহ্বায়ক রাশেদুর রহমান, রন্ধনশিল্পী নাজিয়া ফারহানা প্রমুখ।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘শাস্তি’ নিয়ে ২০০৪ সালে সিনেমা বানিয়েছিলেন চাষী নজরুল ইসলাম। একই গল্প আবার আসছে পর্দায়। তবে হুবহু নয়, গল্পটিকে এই সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন করে লেখা হয়েছে চিত্রনাট্য। ‘শাস্তি’ নামের সিনেমাটি বানাচ্ছেন লিসা গাজী। এর আগে ‘বাড়ির নাম শাহানা’ বানিয়ে প্রশংসিত হয়েছিলেন লিসা।
১৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে থিয়েটার বিস্তারে এবং দক্ষ থিয়েটার কর্মী তৈরিতে দীর্ঘ ২৫ বছর কাজ করে চলেছে প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাকটিং অ্যান্ড ডিজাইন। এই স্কুলের ৬ মাসের পাঠ্যসূচিতে প্রশিক্ষণার্থীরা থিয়েটারের আনুষঙ্গিক বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পায়। এরই মধ্যে এই স্কুলের ৪৮টি ব্যাচ সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করেছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ৭৬০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত নেপালের মুস্তাং জেলার জমসম শহর। বিখ্যাত কালী গান্ধাকী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শহরকে বলা হয় নেপালের সর্বোচ্চ তুষারপাতপ্রবণ নগর। তুষারে মোড়া পাহাড়, নীল আকাশ—সব মিলিয়ে প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।
১৯ ঘণ্টা আগে
কয়েক দিন আগেই তালিকার শীর্ষে জ্বলজ্বল করছিল ‘ইনসাইড আউট ২’-এর নাম। ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওসের এ সিনেমা আয় করেছিল ১ দশমিক ৬৯৮ বিলিয়ন ডলার। এ সিনেমাকে টপকে হলিউডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল অ্যানিমেশন সিনেমার রেকর্ড গড়ল ডিজনির ‘জুটোপিয়া ২’।
১৯ ঘণ্টা আগে