
মা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে আয়োজন করা হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ওমর ফারুকের মা’র বিশেষ প্রদর্শনী। মা দিবসের ঠিক আগের দিন আগামী ১৩ মে বিকেল ৫টায় বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের প্রজেকশন হলে দেখানো হবে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি। সত্য ঘটনার ছায়া অবলম্বনে এটি নির্মাণ করেছেন জাহিদুর রহমান।
সত্য একটি ঘটনা। প্রেক্ষাপট মুক্তিযুদ্ধ। গল্পটা পিরোজপুর জেলার আমড়াঝুড়ি কাউখালী উপজেলার আশোয়া আমড়াঝুড়ি নামক স্থানের একজন মুক্তিযোদ্ধা ওমর ফারুক আর তাঁর মায়ের।
ওমর ফারুক ২১ বছরের যুবক, ছিলেন পিরোজপুর সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি। ওমর ফারুক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নির্ভীক যোদ্ধা। স্বাধীনতার দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। ১৯৭১ সালে ২৩ মার্চ পিরোজপুরের টাউন ক্লাব চত্বরে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেন ওমর ফারুক, পুড়িয়ে ফেলেন শহরের যত পাকিস্তানি পতাকা। এক সন্ধ্যায় অন্য মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে পিরোজপুরের ট্রেজারি ভেঙে লুট করেন অস্ত্র। আত্মগোপনে থেকে সুসংগঠিত করতে থাকেন মুক্তিযোদ্ধাদের। যুদ্ধের সময় এক রাতে মাকে কথা দিয়ে গিয়েছিলেন রাতে ফিরে মায়ের হাতে ভাত খাবেন। ওমর ফারুকের আর ফেরা হয়নি। সেই রাতে তিনি পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন। ধরা পড়ার সময় তাঁর কাছে স্বাধীন বাংলাদেশের সাতটি পতাকা পায় পাকিস্তানি সেনারা। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে নাটকীয় মৃত্যু হয় তার; একটি পতাকা মাথায় হাতুড়িপেটা করে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় তাঁর, শহীদ হন ওমর ফারুক, ভাসিয়ে দেওয়া হয় তাঁর লাশ কীর্তনখোলা নদীতে।
৪৬ বছর পেরিয়ে গেছে, পার হয় নাই ওমর ফারুকের মায়ের অপেক্ষা! মা আজও ছেলের অপেক্ষায় তিন বেলা হাঁড়িতে ভাত বসান, রাতে সদর দরজা খোলা রাখেন ছেলের অপেক্ষায়, ছেলে আসবে সেই বিশ্বাসে।
এই প্রদর্শনী ও আলোচনা অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন একুশে পদকপ্রাপ্ত, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশ্ববিখ্যাত জাদু শিল্পী, শহীদ ওমর ফারুকের বাল্যবন্ধু জুয়েল আইচ, হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত আইজিপি, (টুরিস্ট পুলিশ প্রধান) বাংলাদেশ পুলিশ, মো. ফারুক আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, সাবিহা পারভীন, নির্বাহী পরিচালক, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)। উল্লেখ্য যে, এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘ওমর ফারুকের মা’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে সংরক্ষণের জন্য হস্তান্তর করা হবে।
২০১৭-১৮ অর্থবছরে সরকারি অনুদান পাওয়া এই সিনেমায় ওমর ফারুকের মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন দিলারা জামান। শহীদ ওমর ফারুকের ভূমিকায় দেখা যাবে সাঈদ বাবুকে। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করছেন বন্যা মির্জা, সাহেদ শরীফ খান, খাইরুল আলম সবুজ, নাজনীন হাসান চুমকিসহ অনেকে।

মা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে আয়োজন করা হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ওমর ফারুকের মা’র বিশেষ প্রদর্শনী। মা দিবসের ঠিক আগের দিন আগামী ১৩ মে বিকেল ৫টায় বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের প্রজেকশন হলে দেখানো হবে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি। সত্য ঘটনার ছায়া অবলম্বনে এটি নির্মাণ করেছেন জাহিদুর রহমান।
সত্য একটি ঘটনা। প্রেক্ষাপট মুক্তিযুদ্ধ। গল্পটা পিরোজপুর জেলার আমড়াঝুড়ি কাউখালী উপজেলার আশোয়া আমড়াঝুড়ি নামক স্থানের একজন মুক্তিযোদ্ধা ওমর ফারুক আর তাঁর মায়ের।
ওমর ফারুক ২১ বছরের যুবক, ছিলেন পিরোজপুর সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি। ওমর ফারুক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নির্ভীক যোদ্ধা। স্বাধীনতার দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। ১৯৭১ সালে ২৩ মার্চ পিরোজপুরের টাউন ক্লাব চত্বরে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেন ওমর ফারুক, পুড়িয়ে ফেলেন শহরের যত পাকিস্তানি পতাকা। এক সন্ধ্যায় অন্য মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে পিরোজপুরের ট্রেজারি ভেঙে লুট করেন অস্ত্র। আত্মগোপনে থেকে সুসংগঠিত করতে থাকেন মুক্তিযোদ্ধাদের। যুদ্ধের সময় এক রাতে মাকে কথা দিয়ে গিয়েছিলেন রাতে ফিরে মায়ের হাতে ভাত খাবেন। ওমর ফারুকের আর ফেরা হয়নি। সেই রাতে তিনি পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন। ধরা পড়ার সময় তাঁর কাছে স্বাধীন বাংলাদেশের সাতটি পতাকা পায় পাকিস্তানি সেনারা। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে নাটকীয় মৃত্যু হয় তার; একটি পতাকা মাথায় হাতুড়িপেটা করে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় তাঁর, শহীদ হন ওমর ফারুক, ভাসিয়ে দেওয়া হয় তাঁর লাশ কীর্তনখোলা নদীতে।
৪৬ বছর পেরিয়ে গেছে, পার হয় নাই ওমর ফারুকের মায়ের অপেক্ষা! মা আজও ছেলের অপেক্ষায় তিন বেলা হাঁড়িতে ভাত বসান, রাতে সদর দরজা খোলা রাখেন ছেলের অপেক্ষায়, ছেলে আসবে সেই বিশ্বাসে।
এই প্রদর্শনী ও আলোচনা অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন একুশে পদকপ্রাপ্ত, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশ্ববিখ্যাত জাদু শিল্পী, শহীদ ওমর ফারুকের বাল্যবন্ধু জুয়েল আইচ, হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত আইজিপি, (টুরিস্ট পুলিশ প্রধান) বাংলাদেশ পুলিশ, মো. ফারুক আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, সাবিহা পারভীন, নির্বাহী পরিচালক, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)। উল্লেখ্য যে, এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘ওমর ফারুকের মা’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে সংরক্ষণের জন্য হস্তান্তর করা হবে।
২০১৭-১৮ অর্থবছরে সরকারি অনুদান পাওয়া এই সিনেমায় ওমর ফারুকের মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন দিলারা জামান। শহীদ ওমর ফারুকের ভূমিকায় দেখা যাবে সাঈদ বাবুকে। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করছেন বন্যা মির্জা, সাহেদ শরীফ খান, খাইরুল আলম সবুজ, নাজনীন হাসান চুমকিসহ অনেকে।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
১২ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
১৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১৩ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
১৩ ঘণ্টা আগে