
এবার ঈদে মুক্তির তালিকায় এক ডজন সিনেমা। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে এখনো প্রকাশ হয়নি হলের তালিকা। তবে স্টার সিনেপ্লেক্স প্রকাশ করেছে তাদের ঈদের সপ্তাহের শিডিউল। স্টার সিনেপ্লেক্সের সাতটি শাখায় প্রদর্শিত হবে ঈদের নতুন আট সিনেমা ৷
আট সিনেমার মধ্যে সবচেয়ে বেশি শো পেয়েছে মিশুক মনি পরিচালিত ‘দেয়ালের দেশ’৷ সিনেপ্লেক্সের সব শাখা মিলিয়ে প্রতিদিন এর ১৭টি শো প্রদর্শিত হবে। দেয়ালের দেশ সিনেমার প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন শরিফুল রাজ ও শবনম বুবলী। সিনেমার ট্রেলারে দেখা যায় নিম্নশ্রেণির দুজন মানুষ রাজ ও বুবলীর মধ্যে প্রেম হয়। হঠাৎ আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন বুবলী। এরপর তাঁর লাশ নিয়েই বসবাস শুরু করেন রাজ। ট্রেলার ও গান প্রকাশের পর থেকেই দেয়ালের দেশ নিয়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
দেয়ালের দেশের পর সর্বোচ্চ ১৩টি করে শো পেয়েছে হিমেল আশরাফের ‘রাজকুমার’ ও গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘কাজলরেখা’। এছাড়া ‘ওমর’ পেয়েছে ১১টি শো, ‘মোনা: জ্বীন ২’ সাতটি, ‘মেঘনা কন্যা’ দুটি, ‘গ্রিন কার্ড’ দুটি এবং ‘আহারে জীবন’ পেয়েছে তিনটি শো।
এই ঈদে আটটি সিনেমা চালানোর সিদ্ধান্ত নিলেও এক ঈদে এত সিনেমা মুক্তির পক্ষে নন স্টার সিনেপ্লেক্সের জ্যেষ্ঠ বিপণন কর্মকর্তা মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ। তিনি মনে করেন ঈদে এত ছবি মুক্তি না দিয়ে সারা বছর ধারাবাহিকভাবে যেন সিনেমা মুক্তি দেওয়া হয়।


পথচলার ২২ বছর উপলক্ষে ৮ অক্টোবর স্টার সিনেপ্লেক্সের সব শাখায় যেকোনো সিনেমার একটি টিকিট কিনলে আরও একটি টিকিট বিনা মূল্যে পাওয়া যাবে। দর্শকেরা ফেসবুক পেজে স্মৃতি শেয়ার করে জিততে পারবেন বিনা মূল্যের মুভি ভাউচারও।
৩ ঘণ্টা আগে
২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘রা.ওয়ান’ সিনেমায় সবশেষ একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন শাহরুখ খান ও কারিনা কাপুর। সে সময় ‘ছম্মক ছাল্লো’, ‘ক্রিমিনাল’-এর মতো গানে তাঁদের রসায়ন প্রশংসা পেয়েছিল। এরপর কেটে গেছে ১৫টি বছর। অবশেষে দীর্ঘ বিরতি ভেঙে আবারও একসঙ্গে পর্দায় হাজির হচ্ছেন তাঁরা।
১৩ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন চিত্রনায়ক কাজী মারুফ। তবে দেশের সিনেমার প্রতি ভালোবাসা এখনো আছে আগের মতোই। যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্মাণ করেছেন ‘গ্রীন কার্ড’। ২০২৪ সালের রোজার ঈদে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল সিনেমাটি। দুই বছর পর আবার সিনেমা নির্মাণের কাজ শুরু করছেন তিনি।
১৪ ঘণ্টা আগে
সংগীতশিল্পী সুজিত মোস্তফার নতুন গান ‘সাদা শেফালী’। প্রকৃতি আর ভালোবাসার আবেশে সাজানো গানটি লিখেছেন জাহিদুল ইসলাম। কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি সুর করেছেন সুজিত মোস্তফা, সংগীত আয়োজন করেছেন শওকত আলী ইমন।
১৪ ঘণ্টা আগে