
এক যুগের বেশি সময় ধরে জয়া আহসান পশ্চিমবঙ্গেই বেশি কাজ করেন। বাংলাদেশের তুলনায় টালিউডের সিনেমায় বেশি দেখা যায় তাঁকে। টালিউডে তাঁর জনপ্রিয়তাও কম নয়। পশ্চিমবঙ্গের সব নামী নির্মাতা তাঁদের সিনেমায় যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে জয়াকেই খোঁজেন। জয়া আহসানকে কেন টালিউডের সিনেমায় নিয়মিত সুযোগ দেওয়া হচ্ছে—এ প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী জুঁই বিশ্বাস।
শুধু তা-ই নয়, জয়া আহসানসহ বাংলাদেশের শিল্পীদের টালিউডে নিষিদ্ধ করার পক্ষে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের এই নেত্রী।
জুঁই বিশ্বাস কলকাতা পুরসভার ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। কলকাতা পুরসভার ১০ নম্বর বরোর চেয়ারপারসনও তিনি। পাশাপাশি তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক এবং তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র। এ ছাড়া তিনি রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই তথা স্বরূপ বিশ্বাসের স্ত্রী। তাঁর স্বামী স্বরূপ বিশ্বাস টালিউডের শিল্পী-কলাকুশলীদের ফেডারেশন সভাপতি। বোঝাই যাচ্ছে, শাসক দলে জুঁই বিশ্বাসের স্থান বেশ পোক্ত।
বাংলাদেশি শিল্পীদের টালিউডে কাজ করা নিয়ে জুঁই বিশ্বাস প্রতিবাদী স্ট্যাটাস দিয়েছেন ফেসবুকে। গত মঙ্গলবারের সেই স্ট্যাটাস শেয়ার করেছেন টালিউডের অনেকে।
জুঁই বিশ্বাস লিখেছেন, ‘আমরা পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরা কি জেগে ঘুমিয়ে আছি? আমাদের শিল্পী, কলাকুশলী, ইভেন্ট অর্গানাইজাররা বাংলাদেশে কাজ করতে পারছেন না। অথচ জয়া আহসানকে ভারতে রেড কার্পেট দিয়ে অভিনয়ের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের কোনো শিল্পীর কি প্রতিভা নেই জয়া যে চরিত্রটি করেছেন, সেই চরিত্রে অভিনয় করার মতো? কেন ভারতীয় জাদুঘরে তাঁর মিউজিক অ্যালবাম রিলিজ হয়? প্রযোজক-পরিচালকেরা দেশবিরোধী কাজ করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা উচিত নয় কি?’
একই সঙ্গে জুঁই বিশ্বাস প্রশ্ন তুলেছেন, বলিউড যদি পাকিস্তানি শিল্পীদের নিষিদ্ধ করতে পারে, তাহলে বাংলাদেশি শিল্পীদের ক্ষেত্রে টালিউড এত উদার কেন?
জয়া আহসান অভিনীত নতুন সিনেমা ‘ডিয়ার মা’ পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পাচ্ছে ১৮ জুলাই। এই প্রেক্ষাপটেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এ বিতর্ক তুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী জুঁই বিশ্বাস।

ক্রিটেক মাঠের পাশাপাশি দাদাগিরি দিয়ে উপস্থাপনাতেও নিজেকে প্রমাণ করেছেন সৌরভ গাঙ্গুলী। দাদাগিরি মানেই সৌরভ গাঙ্গুলী—দর্শকের কাছে এটাই সমার্থক হয়ে উঠেছিল। স্বাভাবিকভাবেই তাই নার্ভাস ছিলেন দেব। প্রথমত, নতুন অধ্যায়। দ্বিতীয়ত, বিগত এক দশকে সৌরভের লিগ্যাসি।
১৭ ঘণ্টা আগে
কথাসাহিত্যিক সাদাত হাসান মান্টোর ছোটগল্প ‘ঠান্ডা গোশত’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত হচ্ছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ঠান্ডা গোশত ২.০’। পরিচালনা ও প্রযোজনা করছেন শাহ নেওয়াজ খান সিজু ও সুমাইয়া আরজু মুহু। সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন লোকেশনে শেষ হয়েছে চলচ্চিত্রটির শুটিং।
২০ ঘণ্টা আগে
চার বছর আগে মুক্তির আগে গান দিয়ে ঝড় তুলেছিল হাওয়া। হাশিম মাহমুদের লেখা সাদা সাদা কালা কালা গানটি ছড়িয়ে পরেছিল দেশজুড়ে। সেই উন্মাদনা দেখা গিয়েছিল মুক্তির পর। সিনেপ্লেক্স থেকে শুরু করে সিঙ্গেলস্ক্রিন সব জায়গায় ছিল দর্শকের লম্বা ভিড়। বিদেশেও রেকর্ড ব্যবসা করে সিনেমাটি।
১ দিন আগে
খুন, জখম, রক্তের বন্যা, হিংসা, গদির লোভ ও ক্ষমতার লড়াইয়ের এই গল্প এবার দেখা যাবে নতুন আঙ্গিকে। গতকাল প্রকাশ পেল ‘মির্জাপুর দ্য মুভি’-এর টিজার প্রকাশ করে জানিয়ে দেওয়া হলো মুক্তির তারিখ। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে মির্জাপুর দ্য মুভি।
১ দিন আগে