বিনোদন প্রতিবেদক

১৭ বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন সাব্বির চৌধুরী। অস্ট্রেলিয়ায় থেকেই নিয়মিত বাংলাদেশের নাটক, টেলিফিল্ম ও বিজ্ঞাপনে প্রযোজনা করছেন। নাট্য প্রযোজক হিসেবে তিনি বাংলাদেশেও পরিচিত মুখ। বহু প্রশংসিত নাটকের প্রযোজক তিনি। বাংলা সিনেমাকে ভালোবেসে বিভিন্ন সময়ে বাংলা সিনেমা অস্ট্রেলিয়ায় ডিস্ট্রিবিউট করেছিলেন। অস্ট্রেলিয়ায় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হিসেবে সাব্বির পড়েছিলেন মধুর সমস্যায়। সিনেমার টিকিট পাচ্ছিলেন না।
‘পরাণ’ ও ‘হাওয়া’ সিনেমা দুটি বাংলাদেশে ঝড় তুলে এখন মুক্তি পেয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়। সেখানেও একই অবস্থা। দুটি সিনেমার অগ্রিম টিকিট নিয়ে সেখানকার বাঙালি দর্শকের এখন হাহাকার! সাব্বিরের ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলি এবং এলাকাবাসীর অনেকেই আফসোস করে বলছিলেন, ‘টিকিট পাচ্ছি না। তাহলে কি প্রথম সপ্তাহে সিনেমা দুটি দেখতে পারব না!’
সাব্বির চৌধুরীর দীর্ঘদিনের বন্ধু সালমিন সুলতানা তানহা। তিনিও তাঁর পরিবার ও বন্ধুদের জন্য টিকিট পাচ্ছিলেন না। তাই দুই বন্ধু ‘হাওয়া’ এবং ‘পরাণ’-এর অস্ট্রেলিয়ান ডিস্ট্রিবিউটরদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের থেকে কিনে নিয়েছেন দুই সিনেমার দুই শো। আজ রোববার সিডনির হয়েটস ব্যাংকসটাউন সিনেমাসে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার শোতে দেখবেন ‘হাওয়া’ এবং আগামী শনিবার একই সময়ে দেখবেন ‘পরাণ’। সাব্বিরের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ঈগল এন্টারটেইনমেন্ট’ ও সালমিনের ‘দ্যা লুক’—এ দুটি প্রাইভেট স্ক্রিনিং গ্রুপ বুকিংয়ের আয়োজন করেছেন। শোগুলো দেখাবেন নিজেদের ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলি, এলাকাবাসী এবং যাঁরা মুভিগুলো দেখতে চাইছেন।
সাব্বির বলেন, ‘অতীতে আমি অস্ট্রেলিয়ায় বাংলা সিনেমা ডিস্ট্রিবিউশন করেছি। তা ছাড়া এখানে বহু বছর থাকার কারণে অনেক বড় একটা অডিয়েন্স আমাকে চেনেন। তাঁরা আমাকে পারসোনালি ও ফেসবুকে বিভিন্ন বাংলাদেশি অস্ট্রেলিয়ান গ্রুপে টিকিট না পাওয়ার কথা জানাচ্ছিলেন। আমি যেহেতু সব সময়ই কাজ করি অডিয়েন্সের জন্য, সেখান থেকেই আমি ইনিশিয়েটিভটা নিই, যাঁরা টিকিট পাননি তাঁদের জন্য আরলি স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করে দেওয়ার। খুশির খবর, এখানে টিকিট নিয়ে বেশ হাহাকার চলছে। সালমিন জানালেন তিনি এমন মধুর সমস্যায় পড়েছেন। দুজনে মিলে সিদ্ধান্ত নিলাম স্পেশাল কোনো শো করা যায় কি না। অস্ট্রেলিয়ায় সিনেমা দুটির পরিবেশকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আশানুরূপ সাড়া পাই। তারা সম্মত হন, আমাদের জন্য দুই শোয়ের ব্যবস্থা করে দেবেন। তাঁদের ধন্যবাদ জানাতে চাই আমাদের অনুরোধ রেখেছেন বলে।’
সালমিন বলেন, ‘ব্যাপারটি নিঃসন্দেহে আনন্দদায়ক। শুধু বাঙালিরা নন, অনেক ভারতীয়, পাকিস্তানি বা অস্ট্রেলিয়ান বন্ধুও সিনেমাটি দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এটা আমার কাছে খুব গর্বের বিষয়। ইতিমধ্যে আমার অনেক ভারতীয় বন্ধু সিনেমাগুলো দেখে প্রশংসাও করেছে।’
ইতিমধ্যে সাব্বির ও সালমিন দুজনেই সিনেমা দুটি দেখেছেন। সাব্বির বলেন, ‘বাংলাদেশের সিনেমায় এখন লেডি সুপারস্টার বিদ্যা সিনহা মিম। দারুণ অভিনয় করেছেন। অন্যদিকে একের পর এক চমক দেখাচ্ছেন শরিফুল রাজ। অনবদ্য অভিনয় করেছেন। সিনেমার জন্য একদম পারফেক্ট এক ম্যাটারিয়াল বলব। আমি মনে করি, তিনি বাংলাদেশের রানভির সিং! শো শেষে প্রবাসীরা এত প্রশংসা করছিল এই দুই অভিনয়শিল্পীর। বাকিরাও দারুণ অভিনয় করেছে বলেই এত সুন্দর দুই সিনেমা পেয়েছি। অভিনেত্রী হিসেবে তুষির ভবিষ্যতও বেশ উজ্জ্বল। যথেষ্ট পরিপক্ব অভিনয় পেয়েছি। আর চঞ্চল চৌধুরীর অসাধারণ অভিনয় নিয়ে তো বলার কিছু নেই।’
অস্ট্রেলিয়ায় ‘পরাণ’ ও ‘হাওয়া’ সিনেমার অগ্রিম টিকেট নিয়ে বাঙালি দর্শকের হাহাকারের কথা জানিয়েছে সেখানকার পরিবেশক প্রতিষ্ঠানগুলোও। অস্ট্রেলিয়ায় ‘পরাণ’ পরিবেশনা করছে বঙ্গজ ফিল্মস। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা তানিম আল মিনারুল মান্নান ও ইফতেখার আজম সাফিন বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় ‘‘পরাণ’’ মুক্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার আগে আমাদের ওয়েবসাইটে প্রাথমিক শোগুলোর টিকিট হোস্ট করেছিলাম। আগ্রহী দর্শকরা নিজ আগ্রহ ও উদ্যোগে বঙ্গজ ফিল্মসের ওয়েবসাইটে এসে ১২ ঘন্টার মধ্যে ৮০ শতাংশ টিকিট কিনে ফেলেছেন। সিডনি ও মেলবোর্ন, পার্থ, ডাব্বু ও ক্যানবেরাতে ১৩টি প্রেক্ষাগৃহে ৩২টি শো পর্যায়ক্রমে প্রদর্শিত হবে। ১৬টি শোর অগ্রিম সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে।’
অন্যদিকে ‘হাওয়া’ সিনেমার অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের পরিবেশক সংস্থা দেশি ইভেন্টস এবং পথ প্রোডাকশন থেকে সাকিব ইফতেখার, শাওন অরিজিৎ, সায়েদ ফয়েজ জানিয়েছেন, অগ্রিম টিকিট ছেড়ে অভাবনীয় সাড়া পেয়েছেন তাঁরা। অস্ট্রেলিয়ায় ‘হাওয়া’র প্রথম দুই সপ্তাহের সিডনি ও মেলবোর্ন শহরের সবগুলো শোর টিকেট বিক্রি শেষ! পরিবেশকেরা জানান, টিকিট ছাড়ার চার দিনের মধ্যেই এই বৃহৎ দুই শহরের সবগুলো শোর টিকিট অগ্রিম বিক্রি হয়ে গেছে। এবং একে একে প্রায় সব স্টেট এ মুভির শো চলছে এবং চলবে যত দিন ডিমান্ড থাকবে।

১৭ বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন সাব্বির চৌধুরী। অস্ট্রেলিয়ায় থেকেই নিয়মিত বাংলাদেশের নাটক, টেলিফিল্ম ও বিজ্ঞাপনে প্রযোজনা করছেন। নাট্য প্রযোজক হিসেবে তিনি বাংলাদেশেও পরিচিত মুখ। বহু প্রশংসিত নাটকের প্রযোজক তিনি। বাংলা সিনেমাকে ভালোবেসে বিভিন্ন সময়ে বাংলা সিনেমা অস্ট্রেলিয়ায় ডিস্ট্রিবিউট করেছিলেন। অস্ট্রেলিয়ায় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হিসেবে সাব্বির পড়েছিলেন মধুর সমস্যায়। সিনেমার টিকিট পাচ্ছিলেন না।
‘পরাণ’ ও ‘হাওয়া’ সিনেমা দুটি বাংলাদেশে ঝড় তুলে এখন মুক্তি পেয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়। সেখানেও একই অবস্থা। দুটি সিনেমার অগ্রিম টিকিট নিয়ে সেখানকার বাঙালি দর্শকের এখন হাহাকার! সাব্বিরের ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলি এবং এলাকাবাসীর অনেকেই আফসোস করে বলছিলেন, ‘টিকিট পাচ্ছি না। তাহলে কি প্রথম সপ্তাহে সিনেমা দুটি দেখতে পারব না!’
সাব্বির চৌধুরীর দীর্ঘদিনের বন্ধু সালমিন সুলতানা তানহা। তিনিও তাঁর পরিবার ও বন্ধুদের জন্য টিকিট পাচ্ছিলেন না। তাই দুই বন্ধু ‘হাওয়া’ এবং ‘পরাণ’-এর অস্ট্রেলিয়ান ডিস্ট্রিবিউটরদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের থেকে কিনে নিয়েছেন দুই সিনেমার দুই শো। আজ রোববার সিডনির হয়েটস ব্যাংকসটাউন সিনেমাসে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার শোতে দেখবেন ‘হাওয়া’ এবং আগামী শনিবার একই সময়ে দেখবেন ‘পরাণ’। সাব্বিরের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ঈগল এন্টারটেইনমেন্ট’ ও সালমিনের ‘দ্যা লুক’—এ দুটি প্রাইভেট স্ক্রিনিং গ্রুপ বুকিংয়ের আয়োজন করেছেন। শোগুলো দেখাবেন নিজেদের ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলি, এলাকাবাসী এবং যাঁরা মুভিগুলো দেখতে চাইছেন।
সাব্বির বলেন, ‘অতীতে আমি অস্ট্রেলিয়ায় বাংলা সিনেমা ডিস্ট্রিবিউশন করেছি। তা ছাড়া এখানে বহু বছর থাকার কারণে অনেক বড় একটা অডিয়েন্স আমাকে চেনেন। তাঁরা আমাকে পারসোনালি ও ফেসবুকে বিভিন্ন বাংলাদেশি অস্ট্রেলিয়ান গ্রুপে টিকিট না পাওয়ার কথা জানাচ্ছিলেন। আমি যেহেতু সব সময়ই কাজ করি অডিয়েন্সের জন্য, সেখান থেকেই আমি ইনিশিয়েটিভটা নিই, যাঁরা টিকিট পাননি তাঁদের জন্য আরলি স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করে দেওয়ার। খুশির খবর, এখানে টিকিট নিয়ে বেশ হাহাকার চলছে। সালমিন জানালেন তিনি এমন মধুর সমস্যায় পড়েছেন। দুজনে মিলে সিদ্ধান্ত নিলাম স্পেশাল কোনো শো করা যায় কি না। অস্ট্রেলিয়ায় সিনেমা দুটির পরিবেশকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আশানুরূপ সাড়া পাই। তারা সম্মত হন, আমাদের জন্য দুই শোয়ের ব্যবস্থা করে দেবেন। তাঁদের ধন্যবাদ জানাতে চাই আমাদের অনুরোধ রেখেছেন বলে।’
সালমিন বলেন, ‘ব্যাপারটি নিঃসন্দেহে আনন্দদায়ক। শুধু বাঙালিরা নন, অনেক ভারতীয়, পাকিস্তানি বা অস্ট্রেলিয়ান বন্ধুও সিনেমাটি দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এটা আমার কাছে খুব গর্বের বিষয়। ইতিমধ্যে আমার অনেক ভারতীয় বন্ধু সিনেমাগুলো দেখে প্রশংসাও করেছে।’
ইতিমধ্যে সাব্বির ও সালমিন দুজনেই সিনেমা দুটি দেখেছেন। সাব্বির বলেন, ‘বাংলাদেশের সিনেমায় এখন লেডি সুপারস্টার বিদ্যা সিনহা মিম। দারুণ অভিনয় করেছেন। অন্যদিকে একের পর এক চমক দেখাচ্ছেন শরিফুল রাজ। অনবদ্য অভিনয় করেছেন। সিনেমার জন্য একদম পারফেক্ট এক ম্যাটারিয়াল বলব। আমি মনে করি, তিনি বাংলাদেশের রানভির সিং! শো শেষে প্রবাসীরা এত প্রশংসা করছিল এই দুই অভিনয়শিল্পীর। বাকিরাও দারুণ অভিনয় করেছে বলেই এত সুন্দর দুই সিনেমা পেয়েছি। অভিনেত্রী হিসেবে তুষির ভবিষ্যতও বেশ উজ্জ্বল। যথেষ্ট পরিপক্ব অভিনয় পেয়েছি। আর চঞ্চল চৌধুরীর অসাধারণ অভিনয় নিয়ে তো বলার কিছু নেই।’
অস্ট্রেলিয়ায় ‘পরাণ’ ও ‘হাওয়া’ সিনেমার অগ্রিম টিকেট নিয়ে বাঙালি দর্শকের হাহাকারের কথা জানিয়েছে সেখানকার পরিবেশক প্রতিষ্ঠানগুলোও। অস্ট্রেলিয়ায় ‘পরাণ’ পরিবেশনা করছে বঙ্গজ ফিল্মস। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা তানিম আল মিনারুল মান্নান ও ইফতেখার আজম সাফিন বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় ‘‘পরাণ’’ মুক্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার আগে আমাদের ওয়েবসাইটে প্রাথমিক শোগুলোর টিকিট হোস্ট করেছিলাম। আগ্রহী দর্শকরা নিজ আগ্রহ ও উদ্যোগে বঙ্গজ ফিল্মসের ওয়েবসাইটে এসে ১২ ঘন্টার মধ্যে ৮০ শতাংশ টিকিট কিনে ফেলেছেন। সিডনি ও মেলবোর্ন, পার্থ, ডাব্বু ও ক্যানবেরাতে ১৩টি প্রেক্ষাগৃহে ৩২টি শো পর্যায়ক্রমে প্রদর্শিত হবে। ১৬টি শোর অগ্রিম সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে।’
অন্যদিকে ‘হাওয়া’ সিনেমার অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের পরিবেশক সংস্থা দেশি ইভেন্টস এবং পথ প্রোডাকশন থেকে সাকিব ইফতেখার, শাওন অরিজিৎ, সায়েদ ফয়েজ জানিয়েছেন, অগ্রিম টিকিট ছেড়ে অভাবনীয় সাড়া পেয়েছেন তাঁরা। অস্ট্রেলিয়ায় ‘হাওয়া’র প্রথম দুই সপ্তাহের সিডনি ও মেলবোর্ন শহরের সবগুলো শোর টিকেট বিক্রি শেষ! পরিবেশকেরা জানান, টিকিট ছাড়ার চার দিনের মধ্যেই এই বৃহৎ দুই শহরের সবগুলো শোর টিকিট অগ্রিম বিক্রি হয়ে গেছে। এবং একে একে প্রায় সব স্টেট এ মুভির শো চলছে এবং চলবে যত দিন ডিমান্ড থাকবে।

গত বছর ‘জংলি’র পর এবার রোজার ঈদ উপলক্ষেও নতুন সিনেমা নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছেন সিয়াম আহমেদ। ‘রাক্ষস’ নামের সিনেমাটি বানাচ্ছেন ‘বরবাদ’খ্যাত পরিচালক মেহেদী হাসান হৃদয়। গত মাসে দেশে শুরু হয় শুটিং। সিয়ামের ফার্স্ট লুক প্রকাশ্যে এসেছে। এসেছে অ্যানাউন্সমেন্ট টিজার।
১ ঘণ্টা আগে
পারিবারিক রোমান্টিক গল্প দিয়েই নির্মাতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন করণ জোহর। ১৯৯৮ থেকে ২০২৩—তিনি উপহার দিয়েছেন ‘কুচ কুচ হোতা হ্যায়’, ‘কাভি খুশি কাভি গাম’, ‘কাভি আলবিদা না ক্যাহনা’, ‘মাই নেম ইজ খান’, ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’, ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল...
১ ঘণ্টা আগে
আগের দুই পর্বের মতো অ্যাভাটারের তৃতীয় পর্বটি শুরুতেই অতটা দাপট দেখাতে পারেনি। তাই ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ শেষ পর্যন্ত বক্স অফিসে সাড়া ফেলতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিল। নির্মাতা জেমস ক্যামেরন নিজেও ছিলেন সন্দিহান।
১ ঘণ্টা আগে
২০২০ সালে একদল থিয়েটারকর্মীর উদ্যোগে নাট্যদল থিয়েটারিয়ানের যাত্রা শুরু হয়। বছর দুয়েক পর মঞ্চে আসে এ দলের প্রথম প্রযোজনা ‘ডেথ অব আ সেলসম্যান’। প্রশংসিত হয় তাদের প্রথম প্রযোজনা। এবার দ্বিতীয় প্রযোজনা নিয়ে আসছে থিয়েটারিয়ান। তাদের নতুন নাটকের নাম ‘তার্ত্যুফ’।
১ ঘণ্টা আগে