বিনোদন ডেস্ক

২০ জুন মুক্তি পাচ্ছে আমির খানের ‘সিতারে জমিন পার’। এ সিনেমা দিয়ে প্রায় তিন বছর পর বড় পর্দায় ফিরছেন বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খান। আগেই জানা গিয়েছিল এই সিনেমায় অভিষেক হচ্ছে ১০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন অভিনেতার। এবার জানা গেল, সিতারে জমিন পার দিয়ে বলিউডে অভিষেকের অপেক্ষায় আমির খানের মা ৯০ বছর বয়সী জিনাত হুসেন। শুধু তা-ই নয়, এতে দেখা যেতে পারে আমির খান বোন নিখাত খানকেও।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী সিতারে জমিন পার সিনেমার পরিচালক আর এস প্রসন্ন আমির খানকে অনুরোধ করেছিলেন জিনাত হুসেনের অভিনয়ের বিষয়ে। এরপর আমির তাঁর মায়ের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। এ প্রসঙ্গে আমির খান বলেন, ‘আমার মা কখনো শুটিং দেখেননি। কিন্তু যখন সিতারে জমিন পরের শুটিং চলছিল, তখন কীভাবে চলচ্চিত্র তৈরি হয় তা দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। আমি বললাম এসো। গাড়ি পাঠিয়ে দিলাম। বোনও এল মাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। মা হুইলচেয়ারে আসেন। ওটা ছিল একটা বিয়ের গানের দৃশ্য। আমাদের শুটিং দেখে খুব খুশি হয়েছিলেন। প্রসন্ন আমার কাছে এসে বলল, “স্যার, আপনি যদি কিছু মনে না করেন, তাহলে আম্মিজিকে দৃশ্যে আসার জন্য অনুরোধ করতে পারেন?”’
পরিচালক প্রসন্নের উত্তরে আমির খান বলেন, ‘আপনি কি পাগল হয়ে গেছেন? আম্মিকে সিনেমায় কাজ করতে বলার সাহস আমার নেই। সে খুব জেদি। সে শুনবে না। আপনার সময় নষ্ট করবেন না।’
নিষেধ করার পরেও পরিচালক বারবার অনুরোধ করছিলেন আমির খানকে। অভিনেতা জানান, এরপর তিনি গিয়ে তাঁর মাকে জিজ্ঞেস করেন, ‘আম্মি, প্রসন্ন অনুরোধ করছেন অতিথি হিসেবে সিনেমায় আপনাকে একটু যোগ দিতে।’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ, ঠিক আছে। আমি হতবাক হয়ে গেলাম। এভাবেই দু-তিনটি শটের জন্য সিনেমায় হাজির হন তিনি।’
২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া তারে জমিন পার সিনেমার সিকুয়েল সিতারে জমিন পার। তারে জমিন পার সিনেমায় আমির খানকে দেখা গিয়েছিল নিকুম্ব নামের একজন আর্ট শিক্ষকের চরিত্রে। যার সংস্পর্শে পাল্টে গিয়েছিল অমনোযোগী এক শিশুর জীবন। সিকুয়েলে থাকছে ঠিক বিপরীত গল্প। এতে আমির খান রয়েছেন গুলশান নামের বাস্কেটবল কোচের ভূমিকায়। গুলশান চরিত্রটি তারে জামিন পারের নিকুম্ব চরিত্রের ঠিক উল্টো। চলনে-বলনে বেশ রূঢ়। সবাইকে অপমান করে আনন্দ পান। নিজের স্ত্রী ও মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে প্রতিনিয়ত। সিনিয়র কোচদের মারধর করেন। একসময় আদালত তাঁকে শাস্তি হিসেবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের বাস্কেটবল কোচের দায়িত্ব দেন। এরপর বদলে যেতে থাকে গুলশানের জীবন। আমির খান প্রোডাকশন থেকে নির্মিত এই সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন জেনেলিয়া ডি সুজা, দারশিল সাফারি, সোনালি কুলকার্নি, ব্রিজেন্দ্র কালা, সুরেশ মেনন প্রমুখ।

২০ জুন মুক্তি পাচ্ছে আমির খানের ‘সিতারে জমিন পার’। এ সিনেমা দিয়ে প্রায় তিন বছর পর বড় পর্দায় ফিরছেন বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খান। আগেই জানা গিয়েছিল এই সিনেমায় অভিষেক হচ্ছে ১০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন অভিনেতার। এবার জানা গেল, সিতারে জমিন পার দিয়ে বলিউডে অভিষেকের অপেক্ষায় আমির খানের মা ৯০ বছর বয়সী জিনাত হুসেন। শুধু তা-ই নয়, এতে দেখা যেতে পারে আমির খান বোন নিখাত খানকেও।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী সিতারে জমিন পার সিনেমার পরিচালক আর এস প্রসন্ন আমির খানকে অনুরোধ করেছিলেন জিনাত হুসেনের অভিনয়ের বিষয়ে। এরপর আমির তাঁর মায়ের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। এ প্রসঙ্গে আমির খান বলেন, ‘আমার মা কখনো শুটিং দেখেননি। কিন্তু যখন সিতারে জমিন পরের শুটিং চলছিল, তখন কীভাবে চলচ্চিত্র তৈরি হয় তা দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। আমি বললাম এসো। গাড়ি পাঠিয়ে দিলাম। বোনও এল মাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। মা হুইলচেয়ারে আসেন। ওটা ছিল একটা বিয়ের গানের দৃশ্য। আমাদের শুটিং দেখে খুব খুশি হয়েছিলেন। প্রসন্ন আমার কাছে এসে বলল, “স্যার, আপনি যদি কিছু মনে না করেন, তাহলে আম্মিজিকে দৃশ্যে আসার জন্য অনুরোধ করতে পারেন?”’
পরিচালক প্রসন্নের উত্তরে আমির খান বলেন, ‘আপনি কি পাগল হয়ে গেছেন? আম্মিকে সিনেমায় কাজ করতে বলার সাহস আমার নেই। সে খুব জেদি। সে শুনবে না। আপনার সময় নষ্ট করবেন না।’
নিষেধ করার পরেও পরিচালক বারবার অনুরোধ করছিলেন আমির খানকে। অভিনেতা জানান, এরপর তিনি গিয়ে তাঁর মাকে জিজ্ঞেস করেন, ‘আম্মি, প্রসন্ন অনুরোধ করছেন অতিথি হিসেবে সিনেমায় আপনাকে একটু যোগ দিতে।’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ, ঠিক আছে। আমি হতবাক হয়ে গেলাম। এভাবেই দু-তিনটি শটের জন্য সিনেমায় হাজির হন তিনি।’
২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া তারে জমিন পার সিনেমার সিকুয়েল সিতারে জমিন পার। তারে জমিন পার সিনেমায় আমির খানকে দেখা গিয়েছিল নিকুম্ব নামের একজন আর্ট শিক্ষকের চরিত্রে। যার সংস্পর্শে পাল্টে গিয়েছিল অমনোযোগী এক শিশুর জীবন। সিকুয়েলে থাকছে ঠিক বিপরীত গল্প। এতে আমির খান রয়েছেন গুলশান নামের বাস্কেটবল কোচের ভূমিকায়। গুলশান চরিত্রটি তারে জামিন পারের নিকুম্ব চরিত্রের ঠিক উল্টো। চলনে-বলনে বেশ রূঢ়। সবাইকে অপমান করে আনন্দ পান। নিজের স্ত্রী ও মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে প্রতিনিয়ত। সিনিয়র কোচদের মারধর করেন। একসময় আদালত তাঁকে শাস্তি হিসেবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের বাস্কেটবল কোচের দায়িত্ব দেন। এরপর বদলে যেতে থাকে গুলশানের জীবন। আমির খান প্রোডাকশন থেকে নির্মিত এই সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন জেনেলিয়া ডি সুজা, দারশিল সাফারি, সোনালি কুলকার্নি, ব্রিজেন্দ্র কালা, সুরেশ মেনন প্রমুখ।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
১ দিন আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
১ দিন আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১ দিন আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
১ দিন আগে