বিনোদন ডেস্ক

নেপথ্যে কাজ করেছেন ৫০০ জনের বেশি মানুষ। তালিকায় আছেন গুইলার্মো দেল তোরো, সোফিয়া কপোলা, পেদ্রো আলমোদোভার, ব্যারি জেনকিন্স, জুলিয়ানে মুরসহ জনপ্রিয় সারা বিশ্বের পরিচালক, অভিনেতা-অভিনেত্রী ও সমালোচক। তাঁদের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল, তাঁদের দৃষ্টিতে একুশ শতকে মুক্তি পাওয়া সেরা সিনেমা কোনগুলো? প্রত্যেকেই ১০টি করে পছন্দের সিনেমার নাম দিয়েছেন। সবার মতামতের ভিত্তিতে সম্প্রতি একবিংশ শতাব্দীর ১০০ সিনেমার তালিকা প্রকাশ করেছে নিউইয়র্ক টাইমস।
২০০০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সারা বিশ্বে মুক্তি পাওয়া সিনেমাগুলোর মধ্যে সেরা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে ‘প্যারাসাইট’। বোং জুন হো পরিচালিত এ কোরিয়ান সিনেমাটি মুক্তি পায় ২০১৯ সালে। শ্রেণিবৈষম্য, অর্থনৈতিক ব্যবধান আর লালসার গল্প নিয়ে তৈরি প্যারাসাইট ৯২তম অস্কারে চারটি পুরস্কার পায়। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ডেভিড লিঞ্চের ‘মুলহল্যান্ড ড্রাইভ’। পল থমাস অ্যান্ডারসনের ‘দেয়ার উইল বি ব্লাড’ গত ২৫ বছরের সেরা তৃতীয় সিনেমা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে নিউইয়র্ক টাইমসের দৃষ্টিতে।
১০০ সিনেমার এ তালিকা থেকে সেরা ১০ সিনেমার বিস্তারিত রইল এ প্রতিবেদনে।
সেরা ১০ সিনেমা
১. প্যারাসাইট (২০১৯)
এক ধনীর বাড়িতে পরিচয় গোপন করে কাজ নেয় এক দরিদ্র পরিবারের চার সদস্য। তাদের লালসা বাড়তে থাকে, যা একসময় ডেকে আনে ভয়াবহ পরিণতি।
২. মুলহল্যান্ড ড্রাইভ (২০০১)
দুর্ঘটনায় স্মৃতি হারিয়ে রিতা নামের এক নারী রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। তার সঙ্গে দেখা হয় আরেক নারীর, যে অভিনেত্রী হতে এ শহরে এসেছে। দুজনে মিলে রিতার আসল পরিচয় খুঁজে বেড়ায়।
৩. দেয়ার উইল বি ব্লাড (২০০৭)
তেলের খনি অনুসন্ধান করে বেড়ায় এক চরিত্র। নির্মম চরিত্রের এই লোক এ কাজে তার ছেলেকে ব্যবহার করতেও পিছুপা হয় না।
৪. ইন দ্য মুড ফর লাভ (২০০০)
দুই প্রতিবেশী চৌ এবং সু। তারা আবিষ্কার করে, দুজনেরই দাম্পত্যসঙ্গী পরকীয়ায় লিপ্ত। একপর্যায়ে চৌ এবং সু পরস্পরের প্রেমে পড়ে।
৫. মুনলাইট (২০১৬)
এক কৃষ্ণাঙ্গ ও সমকামী চরিত্রের জীবনের তিনটি সময় উঠে এসেছে এতে—শৈশব, কৈশোর ও প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের প্রথম দিক।
৬. নো কান্ট্রি ফর ওল্ড মেন (২০০৭)
হঠাৎ ২ মিলিয়ন ডলার পাওয়ার পর রাতারাতি বদলে যায় এক শিকারির জীবন। সেই টাকার জন্য এক সাইকোপ্যাথ খুনি তার পেছনে ধাওয়া করে।
৭. এটারনাল সানশাইন অব দ্য স্পটলেস মাইন্ড (২০০৪)
জোয়েল জানতে পারে, তার বান্ধবী তাকে স্মৃতি থেকে মুছে ফেলেছে। সেও একই কাজ করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু ক্লিনিকার প্রক্রিয়ার সময় বুঝতে পারে, কতটা ভালোবাসে সে তাকে!
৮. গেট আউট (২০১৭)
ক্রিস তার প্রেমিকা রোজকে নিয়ে সাপ্তাহিক ছুটিতে মা-বাবার সঙ্গে দেখা করতে যায়। এমন সত্যের মুখোমুখি হতে হয় তাদের, যা তারা ভাবেনি আগে।
৯. স্প্রিটেড অ্যাওয়ে (২০০১)
জাপানি অ্যানিমেশন সিনেমা। মা-বাবার সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ভুল করে এক জঙ্গলে ঢুকে পড়ে চিহিরো। সেখানে একটি পার্কে নানা রকম খাবারের স্টল সাজানো। সেই খাবার খেয়ে চিহিরোর মা-বাবা শূকরে পরিণত হয়। তাদের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতে থাকে চিহিরো।
১০. দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক (২০১০)
ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের জীবনের গল্পের ওপর তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। এতে এসেছে তাঁর জীবনের সংগ্রাম ও জটিলতার গল্পও।

নেপথ্যে কাজ করেছেন ৫০০ জনের বেশি মানুষ। তালিকায় আছেন গুইলার্মো দেল তোরো, সোফিয়া কপোলা, পেদ্রো আলমোদোভার, ব্যারি জেনকিন্স, জুলিয়ানে মুরসহ জনপ্রিয় সারা বিশ্বের পরিচালক, অভিনেতা-অভিনেত্রী ও সমালোচক। তাঁদের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল, তাঁদের দৃষ্টিতে একুশ শতকে মুক্তি পাওয়া সেরা সিনেমা কোনগুলো? প্রত্যেকেই ১০টি করে পছন্দের সিনেমার নাম দিয়েছেন। সবার মতামতের ভিত্তিতে সম্প্রতি একবিংশ শতাব্দীর ১০০ সিনেমার তালিকা প্রকাশ করেছে নিউইয়র্ক টাইমস।
২০০০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সারা বিশ্বে মুক্তি পাওয়া সিনেমাগুলোর মধ্যে সেরা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে ‘প্যারাসাইট’। বোং জুন হো পরিচালিত এ কোরিয়ান সিনেমাটি মুক্তি পায় ২০১৯ সালে। শ্রেণিবৈষম্য, অর্থনৈতিক ব্যবধান আর লালসার গল্প নিয়ে তৈরি প্যারাসাইট ৯২তম অস্কারে চারটি পুরস্কার পায়। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ডেভিড লিঞ্চের ‘মুলহল্যান্ড ড্রাইভ’। পল থমাস অ্যান্ডারসনের ‘দেয়ার উইল বি ব্লাড’ গত ২৫ বছরের সেরা তৃতীয় সিনেমা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে নিউইয়র্ক টাইমসের দৃষ্টিতে।
১০০ সিনেমার এ তালিকা থেকে সেরা ১০ সিনেমার বিস্তারিত রইল এ প্রতিবেদনে।
সেরা ১০ সিনেমা
১. প্যারাসাইট (২০১৯)
এক ধনীর বাড়িতে পরিচয় গোপন করে কাজ নেয় এক দরিদ্র পরিবারের চার সদস্য। তাদের লালসা বাড়তে থাকে, যা একসময় ডেকে আনে ভয়াবহ পরিণতি।
২. মুলহল্যান্ড ড্রাইভ (২০০১)
দুর্ঘটনায় স্মৃতি হারিয়ে রিতা নামের এক নারী রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। তার সঙ্গে দেখা হয় আরেক নারীর, যে অভিনেত্রী হতে এ শহরে এসেছে। দুজনে মিলে রিতার আসল পরিচয় খুঁজে বেড়ায়।
৩. দেয়ার উইল বি ব্লাড (২০০৭)
তেলের খনি অনুসন্ধান করে বেড়ায় এক চরিত্র। নির্মম চরিত্রের এই লোক এ কাজে তার ছেলেকে ব্যবহার করতেও পিছুপা হয় না।
৪. ইন দ্য মুড ফর লাভ (২০০০)
দুই প্রতিবেশী চৌ এবং সু। তারা আবিষ্কার করে, দুজনেরই দাম্পত্যসঙ্গী পরকীয়ায় লিপ্ত। একপর্যায়ে চৌ এবং সু পরস্পরের প্রেমে পড়ে।
৫. মুনলাইট (২০১৬)
এক কৃষ্ণাঙ্গ ও সমকামী চরিত্রের জীবনের তিনটি সময় উঠে এসেছে এতে—শৈশব, কৈশোর ও প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের প্রথম দিক।
৬. নো কান্ট্রি ফর ওল্ড মেন (২০০৭)
হঠাৎ ২ মিলিয়ন ডলার পাওয়ার পর রাতারাতি বদলে যায় এক শিকারির জীবন। সেই টাকার জন্য এক সাইকোপ্যাথ খুনি তার পেছনে ধাওয়া করে।
৭. এটারনাল সানশাইন অব দ্য স্পটলেস মাইন্ড (২০০৪)
জোয়েল জানতে পারে, তার বান্ধবী তাকে স্মৃতি থেকে মুছে ফেলেছে। সেও একই কাজ করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু ক্লিনিকার প্রক্রিয়ার সময় বুঝতে পারে, কতটা ভালোবাসে সে তাকে!
৮. গেট আউট (২০১৭)
ক্রিস তার প্রেমিকা রোজকে নিয়ে সাপ্তাহিক ছুটিতে মা-বাবার সঙ্গে দেখা করতে যায়। এমন সত্যের মুখোমুখি হতে হয় তাদের, যা তারা ভাবেনি আগে।
৯. স্প্রিটেড অ্যাওয়ে (২০০১)
জাপানি অ্যানিমেশন সিনেমা। মা-বাবার সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ভুল করে এক জঙ্গলে ঢুকে পড়ে চিহিরো। সেখানে একটি পার্কে নানা রকম খাবারের স্টল সাজানো। সেই খাবার খেয়ে চিহিরোর মা-বাবা শূকরে পরিণত হয়। তাদের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতে থাকে চিহিরো।
১০. দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক (২০১০)
ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের জীবনের গল্পের ওপর তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। এতে এসেছে তাঁর জীবনের সংগ্রাম ও জটিলতার গল্পও।

প্রতিষ্ঠিত শিল্পীরা এখন কনসার্ট নিয়েই ব্যস্ত থাকেন বেশি। নতুন গান প্রকাশ থেকে অনেকেই সরে এসেছেন। তবে ব্যতিক্রম ফাহমিদা নবী। নিয়মিতই গান প্রকাশ করছেন তিনি। সম্প্রতি ফাহমিদা নবী নতুন তিনটি গান রেকর্ড করেছেন।
৩১ মিনিট আগে
বাংলাদেশি সিনেমার ক্ষেত্রে নকলের অভিযোগ নতুন কিছু নয়। সিনেমার গল্প থেকে শুরু করে পোস্টার, অভিনয়শিল্পীদের লুক, অ্যাকশন ও ভায়োলেন্সের দৃশ্য অনুকরণের অভিযোগ প্রায়ই ওঠে। এ নিয়ে সমালোচনাও চলে বিস্তর। গত মাসে ‘রাক্ষস’ সিনেমার টিজার প্রকাশের পরও উঠেছিল নকলের অভিযোগ।
৩৬ মিনিট আগে
এ আর রাহমানের জনপ্রিয়তা বিশ্বজুড়ে। ভারতীয় চলচ্চিত্র তো বটেই, হলিউডেও রয়েছে তাঁর চাহিদা। ভারতের অন্যতম ব্যস্ত সংগীত পরিচালক তিনি। বর্তমানে ১৫টির বেশি সিনেমার সংগীতের কাজ রয়েছে রাহমানের হাতে।
৩৯ মিনিট আগে
চার বছর পর আবারও বিশ্বসংগীতের দুনিয়ায় পা রাখছে বিটিএস। দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় এই ব্যান্ডের সাত সদস্য ছিলেন বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণে। গত বছরের জুন নাগাদ সবাই ফিরে আসেন প্রশিক্ষণ থেকে। বিটিএসের সাত সদস্য—আর এম, জিন, জে হোপ, জিমিন, ভি, জাংকুক, সুগা; মিলিত হন তিন বছর পর।
৪২ মিনিট আগে