
দাঁতের চিকিৎসার পাঠ চুকিয়ে ভারতের রিয়্যালিটি শো’র মাধ্যমে পরিচিতি মেলে চীনা বংশোদ্ভূত ভারতীয় শিল্পী মেইয়াং চ্যাং। একাধারে তিনি গায়ক, অভিনেতা ও সঞ্চালক। অভিনয় জগতের অধিকাংশেই তাকে দেখা যেত, নায়কের বন্ধু চরিত্রে। কিন্তু এবার পাশা ঘুরে গেছে! তারকাটায় মেইয়াং খলনায়ক! ওয়েব সিরিজে তাঁকে দেখা যাবে ভয়ংকর অপরাধীর চরিত্রে, তাও আবার বাংলা ভাষায়!
গল্প সম্পর্কে যেটুকু জানা গেছে, ‘ঈশ্বর সিনড্রোমে’ আক্রান্ত এই চরিত্র। দীর্ঘদিন ধরেই মেইয়াং চ্যাংয়ের হাসিখুশি মুখ এবং সরল চেহারার কারণে দর্শক তাঁকে রোমান্টিক ও লাজুক চরিত্রের সঙ্গেই মানিয়ে নিলেও এবার মেইয়াংকে দেখা যাবে ‘ডোডো’ নামের আগাগোড়াই অন্ধকার জগতের এক ভয়ংকর হিসেবে।
এ চরিত্র নিয়ে মেইয়াং নিজেই জানিয়েছেন, ‘ডোডো নিজেকে ঈশ্বর মনে করে। সে মানুষকে কষ্ট দিয়ে বা খুন করে আনন্দ পায়। এই ‘ঈশ্বর সিনড্রোম’ থাকা চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলা আমার কাছে এক বিরাট চ্যালেঞ্জ ছিল।’
ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেইয়াং খোলাখুলি কথা বলেছেন। ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পে মঙ্গোলীয় চেহারার মানুষদের সীমাবদ্ধতা নিয়েও মন্তব্য করেছেন। তাঁর মতে, মুম্বাই হোক বা দক্ষিণ ভারত— সব জায়গাতেই নায়ক হতে গেলে দর্শকদের মনের মতো চেহারার প্রয়োজন হয়। ক্যারিয়ারের শুরুতে তিনি ‘নায়কের বন্ধু’র চরিত্রই পেতেন। তবে গত কয়েক বছরে সেই ধারা বদলাচ্ছে এবং তিনি এখন জটিল ও নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পাচ্ছেন।
মেইয়াং চ্যাং নিজেকে মনে-প্রাণে বাঙালি ভাবতেই পছন্দ করেন জানিয়েছেন। তাঁর বেড়ে ওঠা ধানবাদে হলেও কলকাতার চীনা সম্প্রদায়ের সঙ্গে তাঁর নাড়ির টান রয়েছে। ‘তারকাটা’ সিরিজে অভিনয়ের জন্য তিনি বাংলা সংলাপও শিখেছেন। তেলেগুর চেয়ে বাংলা ভাষা তাঁর কাছে অনেক সহজ মনে হয়েছে।
এই ওয়েবে অভিনয় প্রসঙ্গে মেইয়াং জানিয়েছেন, ‘তারকাটা’ সিরিজে বিক্রম চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা অত্যন্ত চমৎকার। শুটিংয়ের ফাঁকে তাঁদের আড্ডা ও গানের সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।

ক্রিটেক মাঠের পাশাপাশি দাদাগিরি দিয়ে উপস্থাপনাতেও নিজেকে প্রমাণ করেছেন সৌরভ গাঙ্গুলী। দাদাগিরি মানেই সৌরভ গাঙ্গুলী—দর্শকের কাছে এটাই সমার্থক হয়ে উঠেছিল। স্বাভাবিকভাবেই তাই নার্ভাস ছিলেন দেব। প্রথমত, নতুন অধ্যায়। দ্বিতীয়ত, বিগত এক দশকে সৌরভের লিগ্যাসি।
১ দিন আগে
কথাসাহিত্যিক সাদাত হাসান মান্টোর ছোটগল্প ‘ঠান্ডা গোশত’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত হচ্ছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ঠান্ডা গোশত ২.০’। পরিচালনা ও প্রযোজনা করছেন শাহ নেওয়াজ খান সিজু ও সুমাইয়া আরজু মুহু। সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন লোকেশনে শেষ হয়েছে চলচ্চিত্রটির শুটিং।
১ দিন আগে
চার বছর আগে মুক্তির আগে গান দিয়ে ঝড় তুলেছিল হাওয়া। হাশিম মাহমুদের লেখা সাদা সাদা কালা কালা গানটি ছড়িয়ে পরেছিল দেশজুড়ে। সেই উন্মাদনা দেখা গিয়েছিল মুক্তির পর। সিনেপ্লেক্স থেকে শুরু করে সিঙ্গেলস্ক্রিন সব জায়গায় ছিল দর্শকের লম্বা ভিড়। বিদেশেও রেকর্ড ব্যবসা করে সিনেমাটি।
১ দিন আগে
খুন, জখম, রক্তের বন্যা, হিংসা, গদির লোভ ও ক্ষমতার লড়াইয়ের এই গল্প এবার দেখা যাবে নতুন আঙ্গিকে। গতকাল প্রকাশ পেল ‘মির্জাপুর দ্য মুভি’-এর টিজার প্রকাশ করে জানিয়ে দেওয়া হলো মুক্তির তারিখ। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে মির্জাপুর দ্য মুভি।
১ দিন আগে