
‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো আমার মা, বোন করছে, তার শক্ত প্রতিবাদ করছি। এর পুরোটাই মিথ্যা, বানোয়াট। তাদের স্বার্থ উদ্ধার হয়নি বলে সত্যকে অসত্য বলে প্রমাণ করার চেষ্টা করছে’—পৈতৃক সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে মা ও বোনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এভাবেই প্রতিবাদ জানালেন চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপি। জানালেন জীবনের সব পারিশ্রমিক দিয়ে যাদের মানুষ করেছেন, তারাই বেইমানি করেছেন তাঁর সঙ্গে।
জোরপূর্বক জমি দখলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরে আলোচনার কেন্দ্রে পপি। তাঁর বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন তাঁর মা, বোনসহ পরিবারের সদস্যরা। এমনকি জিডিও করা হয়েছে পপির বিরুদ্ধে। কিন্তু এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি পপির। অবশেষে নীরবতা ভেঙে আজ এক ভিডিও বার্তায় এসব অভিযোগ নিয়ে কথা বললেন পপি।
প্রায় ৩৯ মিনিটের ভিডিও বার্তায় পপি বলেন, ‘নিজেকে একজন ব্যর্থ মানুষ মনে হচ্ছে। ব্যর্থ মানুষ বলছি এই কারণে, সবার মন জয় করতে পারলেও দীর্ঘ ২৮ বছর যাদের জন্য কাজ করেছি, এই হাতে যাদের লালনপালন করেছি, তাদের কাছে আমি অযোগ্য একজন মানুষ। আমি যখন ইনকাম করেছি, দুই হাতে দিতে পেরেছি, তখন আমার পরিবারের কাছে অনেক প্রিয় মানুষ ছিলাম। এখন তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী দিতে পারি না। তাই তাদের কাছে আমি গলার কাঁটা, শত্রু এবং অপছন্দের মানুষ। দুই দিন যাবৎ দেখলাম আমার পরিবার কতটা নিচে নামতে পারে। কতটা হীনতার পরিচয় দিতে পারে, কতটা হিংস্র ব্যবহার করতে পারে। কত নোংরা শব্দ ব্যবহার করতে পারে। অনেক দিন চুপ করে ছিলাম। এখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে।’
মা ও বোনের অভিযোগ নিয়ে পপি বলেন, ‘যে অভিযোগগুলো আমার মা-বোন করছে, এর পুরোটাই মিথ্যা, বানোয়াট। তারা আমার সঙ্গে বেইমানি করেছে। আমি তাদের সম্পত্তি দখল করছি না, তারাই আমার সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। পরিবারের সম্মান রক্ষা করতে গিয়েই আমি আমার চাচার কিছু সম্পত্তি কিনেছি। বাবার কিছু অংশের সম্পত্তি কিনেছি। যা পুরো সম্পত্তির ভিতরের অংশ। এখন আমার জায়গায় আমাকে যাওয়ার রাস্তা দেওয়া হচ্ছে না। সেটা তারা দখল করতে চায়।’

এবারই প্রথম নয়, অনেক আগে থেকেই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব পপির। নায়িকা জানালেন, একবার তাঁকে মেরে ফেলার জন্য মানুষ ভাড়া করেছিল তাঁর পরিবারের সদস্যরা। পপি বলেন, ‘তারা আমার সঙ্গে বারবার বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। আমার সব টাকাপয়সা বোনের অ্যাকাউন্টে শিফট করেছে। তারপরও কিছু বলিনি। ২০০৭-এর ঘটনা বলছি। জানতে পারলাম, কোনো কিছুই আমার নেই। তখন সিনেমার মুরুব্বিরা মিলে সবকিছু ঠিকঠাক করে দিয়েছিলেন। তাদের (পরিবারের সদস্য) দ্বারা অনেক নির্যাতিত হয়েছি। আমাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেছে। আমার টাকা চুরি করেছে। আমাকে খুন করতে খুনি ভাড়া করেছে। আমার আপন ভাই-বোন জড়িত ছিল। থানায় জিডি হয়েছে, মামলা হয়েছে। তাদের আটক করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে তাদের আমি মাফ করে দিয়েছিলাম।’
বোনের গায়ে হাত তোলার অভিযোগ নিয়ে পপি বলেন, ‘আমার বোন বলেছে আমি তাকে মেরেছি। দূর থেকে তোলা ভিডিও ফুটেজ দিয়ে সে এটা প্রমাণ করতে চাইছে।...আমার মুখের সামনে ক্যামেরা ধরেছে, সেটা আমি ফেলে দিয়েছি। আমি ভাই-বোনকে শাসন করেছি, কিন্তু কখনো কাউকে মারিনি। বরং তাদের কাছ থেকে মার খেয়েছি। তারা আমাকে মারার চেষ্টা করেছে আমার সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার জন্য।’
বোনের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ করে পপি বলেন, ‘২০১৯ সালে আমার বোন কিছুটা বিপথে চলে যায়। নেশাজাতীয় পণ্য বিক্রি শুরু করে, এ ছাড়া স্মাগলিং ও সুদের ব্যবসার সঙ্গেও জড়িয়ে যায়। মায়ের সহযোগিতা নিয়ে সে এসব করছিল। এসব কারণে বাবা ও মায়ের মধ্যে বিবাদের সৃষ্টি হয়। তখন আমার মা, বোন ও ভাই মিলে বাবাকে মারে। এই ঘটনা পুরো খুলনা শহর জানে। তাদের থামাতে গিয়ে আমি নিজেও আহত হই। সে সময় আমার বাবা ডিভোর্স দিতে চেয়েছিলেন মাকে এবং বোনকে বাসা থেকে বের করে দেন। তখন একটি জিডিও করেছিলেন বাবা। সব প্রমাণ আমার কাছে আছে। তাদের দোষ ঢাকতেই আমাকে ভিলেন বানানো হচ্ছে। দূরে থাকা কি অপরাধ? ভালো থাকা কি অপরাধ? যদি হয় তাহলে আমি অপরাধী। কিন্তু ভূমিদস্যু হিসেবে অপরাধী আমি না।’

মারা গেছেন অভিনেতা শামস সুমন। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর।
৩ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধের আবহে অস্কারের আসর। ক্যালিফোর্নিয়ার বিখ্যাত শপিং সেন্টার ওভেশন হলিউডের ডলবি থিয়েটারে ২০০২ সাল থেকে নিয়মিত অস্কারের অনুষ্ঠান করে দ্য একাডেমি। স্থানীয় সময় ১৫ মার্চ রাতে যখন সেখানে অস্কারের ৯৮তম আসর বসেছিল, পৃথিবীর আরেক প্রান্তে তখনো চলছিল যুদ্ধ।
১১ ঘণ্টা আগে
প্রতি ঈদেই ব্যস্ত সময় পার করেন সংগীতজগতের মানুষেরা। এবার ঈদেও একগুচ্ছ নতুন গান নিয়ে আসছেন শিল্পীরা। এই তালিকায় জনপ্রিয় শিল্পীদের গান যেমন আছে, তেমনি আছে নতুনদের গান। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি শিল্পীদের নিজেদের ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রকাশ করা হচ্ছে গানগুলো।
১৫ ঘণ্টা আগে
১৯৬১ সালে ওয়েলসের পন্টিপ্রিডে জন্মগ্রহণ করেন ফিল ক্যাম্পবেল। তিনি ১৯৮৪ সালে মোটরহেডে যোগ দেন এবং ২০১৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৩১ বছর ব্যান্ডটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০১৫ সালে ব্যান্ডের মূল কান্ডারি লেমি কিলমিস্টারের মৃত্যুর পর মোটরহেড ভেঙে যায়।
১ দিন আগে