বিনোদন ডেস্ক

দক্ষিণি অভিনেতা ধানুশ ও অভিনেত্রী নয়নতারার দ্বন্দ্ব আরও বড় আকার নিল। নয়নতারা ও তাঁর স্বামী পরিচালক ভিগনেশ শিবানের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিলেন ধানুশ। আজ মাদ্রাজ হাই কোর্টে মামলাটি করা হয় ধানুশের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ওয়ান্ডারবার ফিল্মস প্রাইভেট লিমিটেডের পক্ষ থেকে। অভিনেত্রীকে নিয়ে তৈরি তথ্যচিত্র ‘নয়নতারা: বিয়ন্ড দ্য ফেয়ারিটেল’ নিয়েই দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন তাঁরা।
তথ্যচিত্রটি দেখা যাচ্ছে নেটফ্লিক্সে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে নয়নতারা অভিনীত ‘নানুম রাউডি ধান’ সিনেমার কয়েকটি ছবি ও বিহাইন্ড দ্য সিন। তা নিয়েই যত আপত্তি ধানুশের। ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটির প্রযোজক ছিলেন তিনি। ধানুশের অভিযোগ, তাঁর অনুমতি না নিয়েই ওই সব দৃশ্য তথ্যচিত্রে ব্যবহার করেছেন নয়নতারা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু জানিয়েছে, নয়নতারা ও ভিগনেশ ছাড়াও ধানুশের অভিযোগ রয়েছে লস গাটোস প্রোডাকশন সার্ভিসেস ইন্ডিয়া এলএলপি-র বিরুদ্ধেও। এ প্রতিষ্ঠানটি নেটফ্লিক্সের হয়ে ভারতয়ী কন্টেন্ট নির্বাচন ও প্রযোজনা করে। তাই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য ওয়ান্ডারবার ফিল্মসের পক্ষ থেকে মাদ্রাজ হাই কোর্টে আবেদন করা হয়েছিল। আজ বুধবার দুই পক্ষের যুক্তি তর্ক শোনেন হাই কোর্ট। পরে মামলা দায়েরের অনুমতি দেন। আগামী শুনানীতে ধানুশের অভিযোগের জবাব দিতে হবে নয়নতারাকে।

কী নিয়ে ধানুশ-নয়নতারার দ্বন্দ্ব
নয়নতারার অভিনয়জীবন, মালয়ালম সিনেমা দিয়ে যাত্রা শুরু করে তামিল, তেলুগু ও কন্নড়েও ‘লেডি সুপারস্টার’ হয়ে ওঠা, তাঁর বিয়ে ও ব্যক্তিজীবন—সবকিছু নিয়ে একটি তথ্যচিত্র বানানো হয়েছে। ‘নয়নতারা: বিয়ন্ড দ্য ফেয়ারিটেল’ নামের তথ্যচিত্রটি অভিনেত্রীর জন্মদিনে প্রকাশ করেছে নেটফ্লিক্স। এ তথ্যচিত্র নিয়েই মূলত দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন নয়নতারা ও ধানুশ।
প্রায় এক দশক আগে ধানুশের প্রযোজনায় একটি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন নয়নতারা। নাম ‘নানুম রাউডি ধান’। নয়নতারার ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এটি। ফলে অভিনেত্রী চেয়েছিলেন, সিনেমার কিছু ফুটেজ ও গানের অংশবিশেষ ব্যবহার করবেন তথ্যচিত্রে। যেহেতু কপিরাইটের ব্যাপার থাকে, তাই ধানুশের কাছে অনুমতি চান নয়নতারা।
অভিনেত্রীর অভিযোগ, দুই বছর ধরে বারবার অনুরোধ করার পরও নাকি রাজি হননি ধানুশ। পরে যখন নয়নতারা: বিয়ন্ড দ্য ফেয়ারিটেলের ট্রেলারে নানুম রাউডি ধান সিনেমার ৩ সেকেন্ডের একটি ফুটেজ ব্যবহার করা হয়, চটে যান ধানুশ। আইনি নোটিশ পাঠিয়ে ১০ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দাবি করেন নয়নতারার কাছে।

ধানুশের এমন ব্যবহারে কষ্ট পেয়েছেন অভিনেত্রী। অভিযোগ করেছেন, প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়েই নাকি এমনটি করেছেন ধানুশ।
পরে ইনস্টাগ্রামে তিন পৃষ্ঠার একটি খোলাচিঠি লেখেন ধানুশের উদ্দেশে। চিঠির এক অংশে নয়নতারা লিখেছেন, ‘যে ব্যক্তিত্ব আপনি পর্দায় তুলে ধরেন, তার অর্ধেকও আপনার মধ্যে নেই। যা বলেন, তা নিজে অনুশীলন করেন না।’
ধানুশের আলটিমেটাম ও মামলা
নয়নতারার অভিযোগের পর থেকে চুপ ছিলেন ধানুশ। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা সংবাদমাধ্যমে কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি। হয়তো তথ্যচিত্রটি মুক্তির অপেক্ষায় ছিলেন। ১৮ নভেম্বর নেটফ্লিক্সে সেটি আসার পর নড়েচড়ে বসেন। তথ্যচিত্রটিতে ‘নানুম রাউডি ধান’ সিনেমার দৃশ্য থাকায় এবারও আইনজীবীর মাধ্যমে পাঠান কড়া বার্তা।
২৪ ঘণ্টার মধ্যে নেটফ্লিক্স থেকে তথ্যচিত্রটি সরিয়ে নেওয়ার আলটিমেটাম দেন ধানুশের আইনজীবী। তা না হলে আরও কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। তবে এতে কান দেননি নয়নতারা। নেটফ্লিক্স থেকে তথ্যচিত্রটি সরিয়ে নেননি। অবশেষে, তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করলেন ধানুশ।

দক্ষিণি অভিনেতা ধানুশ ও অভিনেত্রী নয়নতারার দ্বন্দ্ব আরও বড় আকার নিল। নয়নতারা ও তাঁর স্বামী পরিচালক ভিগনেশ শিবানের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিলেন ধানুশ। আজ মাদ্রাজ হাই কোর্টে মামলাটি করা হয় ধানুশের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ওয়ান্ডারবার ফিল্মস প্রাইভেট লিমিটেডের পক্ষ থেকে। অভিনেত্রীকে নিয়ে তৈরি তথ্যচিত্র ‘নয়নতারা: বিয়ন্ড দ্য ফেয়ারিটেল’ নিয়েই দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন তাঁরা।
তথ্যচিত্রটি দেখা যাচ্ছে নেটফ্লিক্সে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে নয়নতারা অভিনীত ‘নানুম রাউডি ধান’ সিনেমার কয়েকটি ছবি ও বিহাইন্ড দ্য সিন। তা নিয়েই যত আপত্তি ধানুশের। ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটির প্রযোজক ছিলেন তিনি। ধানুশের অভিযোগ, তাঁর অনুমতি না নিয়েই ওই সব দৃশ্য তথ্যচিত্রে ব্যবহার করেছেন নয়নতারা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু জানিয়েছে, নয়নতারা ও ভিগনেশ ছাড়াও ধানুশের অভিযোগ রয়েছে লস গাটোস প্রোডাকশন সার্ভিসেস ইন্ডিয়া এলএলপি-র বিরুদ্ধেও। এ প্রতিষ্ঠানটি নেটফ্লিক্সের হয়ে ভারতয়ী কন্টেন্ট নির্বাচন ও প্রযোজনা করে। তাই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য ওয়ান্ডারবার ফিল্মসের পক্ষ থেকে মাদ্রাজ হাই কোর্টে আবেদন করা হয়েছিল। আজ বুধবার দুই পক্ষের যুক্তি তর্ক শোনেন হাই কোর্ট। পরে মামলা দায়েরের অনুমতি দেন। আগামী শুনানীতে ধানুশের অভিযোগের জবাব দিতে হবে নয়নতারাকে।

কী নিয়ে ধানুশ-নয়নতারার দ্বন্দ্ব
নয়নতারার অভিনয়জীবন, মালয়ালম সিনেমা দিয়ে যাত্রা শুরু করে তামিল, তেলুগু ও কন্নড়েও ‘লেডি সুপারস্টার’ হয়ে ওঠা, তাঁর বিয়ে ও ব্যক্তিজীবন—সবকিছু নিয়ে একটি তথ্যচিত্র বানানো হয়েছে। ‘নয়নতারা: বিয়ন্ড দ্য ফেয়ারিটেল’ নামের তথ্যচিত্রটি অভিনেত্রীর জন্মদিনে প্রকাশ করেছে নেটফ্লিক্স। এ তথ্যচিত্র নিয়েই মূলত দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন নয়নতারা ও ধানুশ।
প্রায় এক দশক আগে ধানুশের প্রযোজনায় একটি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন নয়নতারা। নাম ‘নানুম রাউডি ধান’। নয়নতারার ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এটি। ফলে অভিনেত্রী চেয়েছিলেন, সিনেমার কিছু ফুটেজ ও গানের অংশবিশেষ ব্যবহার করবেন তথ্যচিত্রে। যেহেতু কপিরাইটের ব্যাপার থাকে, তাই ধানুশের কাছে অনুমতি চান নয়নতারা।
অভিনেত্রীর অভিযোগ, দুই বছর ধরে বারবার অনুরোধ করার পরও নাকি রাজি হননি ধানুশ। পরে যখন নয়নতারা: বিয়ন্ড দ্য ফেয়ারিটেলের ট্রেলারে নানুম রাউডি ধান সিনেমার ৩ সেকেন্ডের একটি ফুটেজ ব্যবহার করা হয়, চটে যান ধানুশ। আইনি নোটিশ পাঠিয়ে ১০ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দাবি করেন নয়নতারার কাছে।

ধানুশের এমন ব্যবহারে কষ্ট পেয়েছেন অভিনেত্রী। অভিযোগ করেছেন, প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়েই নাকি এমনটি করেছেন ধানুশ।
পরে ইনস্টাগ্রামে তিন পৃষ্ঠার একটি খোলাচিঠি লেখেন ধানুশের উদ্দেশে। চিঠির এক অংশে নয়নতারা লিখেছেন, ‘যে ব্যক্তিত্ব আপনি পর্দায় তুলে ধরেন, তার অর্ধেকও আপনার মধ্যে নেই। যা বলেন, তা নিজে অনুশীলন করেন না।’
ধানুশের আলটিমেটাম ও মামলা
নয়নতারার অভিযোগের পর থেকে চুপ ছিলেন ধানুশ। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা সংবাদমাধ্যমে কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি। হয়তো তথ্যচিত্রটি মুক্তির অপেক্ষায় ছিলেন। ১৮ নভেম্বর নেটফ্লিক্সে সেটি আসার পর নড়েচড়ে বসেন। তথ্যচিত্রটিতে ‘নানুম রাউডি ধান’ সিনেমার দৃশ্য থাকায় এবারও আইনজীবীর মাধ্যমে পাঠান কড়া বার্তা।
২৪ ঘণ্টার মধ্যে নেটফ্লিক্স থেকে তথ্যচিত্রটি সরিয়ে নেওয়ার আলটিমেটাম দেন ধানুশের আইনজীবী। তা না হলে আরও কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। তবে এতে কান দেননি নয়নতারা। নেটফ্লিক্স থেকে তথ্যচিত্রটি সরিয়ে নেননি। অবশেষে, তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করলেন ধানুশ।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
১৫ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
১৫ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১৫ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
১৬ ঘণ্টা আগে