
এ বছর নতুন প্রযোজনা মঞ্চে এনেছে নাট্যদল স্পর্ধা: ইনডিপেনডেন্ট থিয়েটার কালেকটিভ। দলটি বলছে, এটি তাদের স্বসচেতনতাসংবলিত আত্মবাচক একটি মেটাথিয়েটার। প্রযোজনাটির নাম ‘আন্তিগোনে, কবর, চাকা ও বেহুলার ভাসানে দাফনহীন বিবিধ লাশের গায়েবানা জানাজা’। নির্মাণ করেছেন সৈয়দ জামিল আহমেদ। আগামীকাল শুক্রবার রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে নাট্য প্রযোজনাটির দ্বিতীয় প্রদর্শনী।
নির্মাতা জানিয়েছেন, লিওনেল আবেলের মতে, মেটাথিয়েটার ট্র্যাজেডি নয়, আবার বাস্তববাদী ড্রামাও নয়। স্পর্ধার এই প্রযোজনাটি একটি মেটাথিয়েটার এই অর্থে যে এটি স্বসচেতনতাসংবলিত আত্মবাচক একটি নাট্য প্রযোজনা। এই প্রযোজনাটিতে সফোক্লিস রচিত ‘আন্তিগোনে’, সেলিম আল দীনের ‘চাকা’, মুনীর চৌধুরী রচিত ‘কবর’, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা ‘সোনার তরী’, একাধিক মনসামঙ্গলভিত্তিক নাট্য ‘বেহুলার ভাসান’ এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক দলিল পাঠ করা হয় মাল্টিমিডিয়া সহযোগে।
এক বিবৃতিতে স্পর্ধা লিখেছে, ‘আমাদের আত্মবাচক ব্যাখ্যানের ভিত্তি আর্নেস্ত রেনাঁ, রবীন্দ্রনাথ, ভিক্টর টার্নার, শফি মোস্তফা, মুশতাক খান, কার্ল ইয়ুং, জ্যঁক লাঁকা ও লিওনেল আবেল প্রস্তাবিত “নেশন কী”, “সোশ্যাল ড্রামা”, “রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদ”, “রাজনৈতিক সমঝোতা”, “আদিরূপকল্প”, “অপরাধের দায় স্বীকার” ও “ইচ্ছার নৈতিক রূপ”বিষয়ক তাত্ত্বিক ধারণা। এসব সূত্র ধরে আমরা প্রশ্ন তুলব এবং যুক্তিসহকারে দাবি তুলব। আমরা মনে করি, যত দিন বাংলাদেশের ইতিহাসে ঘটিত একাধিক গণহত্যা ও বিবিধ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের লাশ ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশনের মাধ্যমে এক প্রতীকী রাজনৈতিক দাফন না করা হবে, যত দিন এ সকল হত্যাকাণ্ডের ক্ষত থেকে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে বসবাসরত সকল মানুষ–আমরা আরোগ্য না লাভ করব, তত দিন এ দেশে গণহত্যা ও বিবিধ রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড চলবে।’
পারফরম্যান্সটি শেষ হবে হত্যাকৃত সকল রাজনৈতিক নেতা ও সাধারণ মানুষের আত্মার শান্তি কামনা করে এক গায়েবানা জানাজা আদায়ের মাধ্যমে।

ভিকি জাহেদের ‘চক্র’ সিরিজ দিয়ে ২০২৪ সালে ওয়েবে যাত্রা শুরু তৌসিফ মাহবুবের। এরপর একই নির্মাতার ‘চক্র ২’-তেও প্রশংসিত হয়েছে তাঁর অভিনয়। আবারও ভিকির পরিচালনায় ওয়েব সিরিজে অভিনয় করছেন তৌসিফ। ‘প্রাণভোমরা’ নামের সিরিজে তৌসিফের সঙ্গে থাকছেন শ্রেয়সী শ্রেয়া।
১ ঘণ্টা আগে
২০১৬ সালে জয় শাহরিয়ারের সুরে প্রথম গেয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের রূপঙ্কর বাগচী। এরপর আরও কয়েকটি গানে একসঙ্গে পাওয়া গেছে তাঁদের। এবার তাঁদের গাওয়া গান নিয়ে প্রকাশিত হলো অ্যালবাম ‘গানের পথে দেখা’।
২ ঘণ্টা আগে
নদী ও জলবায়ু বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে ২০২২ সালে ‘নদী রকস’ নামের একটি উদ্যোগ নিয়েছিলেন চিরকুট ব্যান্ডের সুমি। এ উদ্যোগে দেশের সাতটি নদী পদ্মা, বুড়িগঙ্গা, কুশিয়ারা, পশুর, চিত্রা, ডাহুক ও সাঙ্গু নিয়ে গান বানায় সাতটি ব্যান্ড। অনুষ্ঠিত হয় বেশ কয়েকটি কনসার্ট। জলবায়ু, নদী, সংগীত ও তারুণ্যকে এক করতে...
৩ ঘণ্টা আগে
অনেক বছর পর আবার আমার একক অ্যালবাম প্রকাশ পাচ্ছে, বিষয়টি অত্যন্ত আনন্দের। খুব ভালো লাগছে। আগে যখন অ্যালবাম প্রকাশ করা হতো, তখন যেমন এক ধরনের আনন্দ, এক্সাইটমেন্ট কাজ করত, অনেক দিন পর সেই অনুভূতিটা হচ্ছে। অ্যালবামে যাঁরা কাজ করেছেন, সবার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা।
১ দিন আগে