নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা ও প্রখ্যাত নজরুলসংগীত শিল্পী বুলবুল মহলানবীশ আর নেই। তাঁর ভাইয়ের মেয়ে অভিনেত্রী জয়িতা মহলানবীশ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আজ শুক্রবার ভোরে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর পিসির মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেন। জয়িতা জানান, তিনি বেশ অসুস্থ ছিলেন। আনুমানিক রাত ৩টার দিকে মারা যান।
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা বুলবুল মহলানবীশ একাধারে কবি, লেখক, সংগীত, নাট্য ও আবৃত্তিশিল্পী। টিভি-বেতার-মঞ্চে শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতিবিষয়ক অনুষ্ঠানের নন্দিত উপস্থাপক তিনি। সর্বোপরি দেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের একজন পুরোধা ব্যক্তিত্ব।
এই নজরুল সংগীত শিল্পীর সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী ছিলেন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে সেই সময়কার রেসকোর্স ময়দানে যখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করছিল, ঠিক সেই মাহেন্দ্রক্ষণে কলকাতার বালিগঞ্জের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হয় ‘বিজয় নিশান উড়ছে ঐ’ গানটি।
বাঙালির বিজয়ের ঐতিহাসিক ক্ষণে কালজয়ী গানটিতে কণ্ঠ দেওয়া শিল্পীদের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা বুলবুল মহলানবীশ।
নজরুলসংগীত শিল্পী বুলবুল মহলানবীশ নজরুলসংগীত শিল্পী পরিষদ, রবীন্দ্র একাডেমির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। জাতীয় কবিতা পরিষদ, কচিকাঁচার মেলা, উদীচী, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র শিল্পী পরিষদসহ বহু সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে সব ছাপিয়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী-কণ্ঠযোদ্ধা পরিচয়টি বহন করেন বিনম্র গৌরবে।
তাঁর দুটি গানের অ্যালবাম রয়েছে। প্রকাশিত হয়েছে ১২টির বেশি গ্রন্থ। ‘মুক্তিযুদ্ধের পূর্বপ্রস্তুতি’ ও ‘স্মৃতি ৭১’ তাঁর বহুল আলোচিত বই। সাহিত্য-সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য পেয়েছেন চয়ন স্বর্ণপদক, দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ ফাউন্ডেশন সম্মাননা, পশ্চিমবঙ্গের নজরুল একাডেমি সম্মাননা পদক।

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা ও প্রখ্যাত নজরুলসংগীত শিল্পী বুলবুল মহলানবীশ আর নেই। তাঁর ভাইয়ের মেয়ে অভিনেত্রী জয়িতা মহলানবীশ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আজ শুক্রবার ভোরে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর পিসির মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেন। জয়িতা জানান, তিনি বেশ অসুস্থ ছিলেন। আনুমানিক রাত ৩টার দিকে মারা যান।
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা বুলবুল মহলানবীশ একাধারে কবি, লেখক, সংগীত, নাট্য ও আবৃত্তিশিল্পী। টিভি-বেতার-মঞ্চে শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতিবিষয়ক অনুষ্ঠানের নন্দিত উপস্থাপক তিনি। সর্বোপরি দেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের একজন পুরোধা ব্যক্তিত্ব।
এই নজরুল সংগীত শিল্পীর সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী ছিলেন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে সেই সময়কার রেসকোর্স ময়দানে যখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করছিল, ঠিক সেই মাহেন্দ্রক্ষণে কলকাতার বালিগঞ্জের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হয় ‘বিজয় নিশান উড়ছে ঐ’ গানটি।
বাঙালির বিজয়ের ঐতিহাসিক ক্ষণে কালজয়ী গানটিতে কণ্ঠ দেওয়া শিল্পীদের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা বুলবুল মহলানবীশ।
নজরুলসংগীত শিল্পী বুলবুল মহলানবীশ নজরুলসংগীত শিল্পী পরিষদ, রবীন্দ্র একাডেমির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। জাতীয় কবিতা পরিষদ, কচিকাঁচার মেলা, উদীচী, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র শিল্পী পরিষদসহ বহু সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে সব ছাপিয়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী-কণ্ঠযোদ্ধা পরিচয়টি বহন করেন বিনম্র গৌরবে।
তাঁর দুটি গানের অ্যালবাম রয়েছে। প্রকাশিত হয়েছে ১২টির বেশি গ্রন্থ। ‘মুক্তিযুদ্ধের পূর্বপ্রস্তুতি’ ও ‘স্মৃতি ৭১’ তাঁর বহুল আলোচিত বই। সাহিত্য-সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য পেয়েছেন চয়ন স্বর্ণপদক, দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ ফাউন্ডেশন সম্মাননা, পশ্চিমবঙ্গের নজরুল একাডেমি সম্মাননা পদক।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
৯ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
৯ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
৯ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
৯ ঘণ্টা আগে