মো. গোলাম রব্বানী

ইউরোপের কোনো দেশে ভর্তির ক্ষেত্রে সিজিপিএ গুরুত্বপূর্ণ। তবে একটা ন্যূনতম সিজিপিএ থাকলেও অফার লেটার পাওয়া যায়। সে ক্ষেত্রে সিজিপিএ ৩ থাকলে ভালো হয়। এর চেয়ে কম থাকলেও আপনি অফার লেটার পেতে পারেন। তবে সিজিপিএ বেশি থাকলে সম্ভাবনা বাড়ে। বিশ্ববিদ্যালয় ও পড়ার বিষয়ভেদে ন্যূনতম সিজিপিএর পার্থক্য অনেক বড় হিসেবে দেখা দিতে পারে। এক্সট্রা কারিকুলার অভিজ্ঞতার জন্য জার্মানিতে সুবিধা পাওয়া যায়। ভাষাগত দক্ষতা প্রমাণে জার্মানির ক্ষেত্রে আইইএলটিএস স্কোর থাকতে হবে ন্যূনতম ৬।
তবে ভর্তির আবেদনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামভেদে ন্যূনতম চাহিদা ভিন্ন ভিন্ন থাকে। এখানে টোফেল গ্রহণযোগ্য। ডুয়োলিঙ্গ বা জিম্যাটের দরকার নেই। তবে খুব কমসংখ্যক বিশ্ববিদ্যালয়ে জিআরই চাওয়া হয়। ইউরোপে সাধারণত অফার লেটার পাওয়ার ক্ষেত্রে মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয় না। তবে কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে প্রথম ধাপে উত্তীর্ণ হওয়ার পর মৌখিক পরীক্ষায় ভালো করলে অফার লেটার দেয়। স্নাতকের ক্ষেত্রে গবেষণাপত্র না থাকলেও অফার লেটার পাওয়া সম্ভব।
ইউরোপের দেশগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন-প্রক্রিয়া খুব সহজ নয়। খানিকটা আলাদা। আবেদন করতে পাসপোর্ট, ইউরোপাস সিভি, মোটিভেশনাল লেটার, রেকমেন্ডেশন লেটার, আইইএলটিএস সার্টিফিকেট, একাডেমিক বিভিন্ন কাগজপত্র লাগবে। জার্মানির ক্ষেত্রে সাধারণত রেকমেন্ডেশন লেটার লাগে না। অনেক সময় কাগজপত্র নোটারি করতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয় চাইলে নোটারাইজড ডকুমেন্টস কুরিয়ারে পাঠাতে হয়। জার্মানিতে আবেদনের পদ্ধতি মূলত দুটি—প্রথমত, সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের পোর্টালে আবেদন। এ ক্ষেত্রে কোনো খরচ হয় না।
দ্বিতীয়ত, অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে হয় ইউনি-অ্যাসিস্ট থেকে। প্রথম আবেদনে ৭৫ ইউরো প্রয়োজন। তবে পরেরগুলোয় ৩০ ইউরো খরচ হবে। ইউনি-অ্যাসিস্টে আবার দুটি পদ্ধতি আছে। একটির ক্ষেত্রে ইউনি-অ্যাসিস্ট ডকুমেন্টস সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়কে পাঠায়। অন্য পদ্ধতিকে বলে ভিপিডি। এ ক্ষেত্রে ইউনি-অ্যাসিস্ট থেকে প্রাপ্ত ফলাফল নিজে থেকে মেইলে বিশ্ববিদ্যালয়কে পাঠাতে হয়।
আমেরিকার মতো জার্মানিতে অধ্যাপক জোগাড়ের বিষয় নেই। অ্যাডমিশন কাউন্সিলে যাঁরা থাকেন, আবেদন পাওয়ার পর তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়ে মেইলে বা নির্দিষ্ট মাধ্যমে জানিয়ে দেন। জার্মানিতে সরকার প্রতিবছর ড্যাড স্কলারশিপ, ফুল ফান্ড স্কলারশিপ দিয়ে থাকে। তা ছাড়া সেখানে যাওয়ার পর শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণাপ্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান থেকে বৃত্তি পেতে পারেন। ইউরোপের প্রতিটি দেশে আলাদা বৃত্তির ব্যবস্থা আছে। আবার ইউরোপীয় ইউনিয়নেরও বৃত্তি আছে।
ইউরোপের প্রায় সব দেশে যাঁরা পড়াশোনা করেন, তাঁদের সিংহভাগ রেস্টুরেন্টসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অথবা গবেষণা ইনস্টিটিউটে খণ্ডকালীন চাকরি করতে পারেন। প্রতি ঘণ্টায় এখানে প্রায় ১৩ ইউরো পারিশ্রমিক পাওয়া যায়। বছরে ১২০ পূর্ণ দিবস অথবা ২৪০ দিন অর্ধদিবস কাজ করা যায়। পূর্ণ দিবস হিসেবে দিনে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত চাকরি করা যায়। জার্মানির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে টিউশন ফি দিতে হয় না। তাই শহর ও ব্যক্তিভেদে একেক জনের মাসিক ৬০০ থেকে ৭০০ ইউরো খরচ হবে। খণ্ডকালীন চাকরি করে খুব সহজে এই টাকা উপার্জন করা যায় এবং শিক্ষার্থীরা চাইলে বিভিন্ন বন্ধে ফুলটাইম চাকরি করতে পারেন।
জার্মানিতে এসে যাঁরা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন, তাঁরা মোটামুটি সবাই পড়াশোনা শেষে পিএইচডি অথবা ফুলটাইম চাকরির ব্যবস্থা করতে পারেন। পিএইচডিকেও এখানে ফুলটাইম চাকরি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মাস্টার্সের পর দেড় বছর সময় পাওয়া যায় জব সিকিং ভিসার আওতায়। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুবিধাও রয়েছে। পড়াশোনা শেষে চাকরির ব্যবস্থা করতে হয়।
নির্দিষ্ট বেতন এবং ভাষাগত দক্ষতা থাকলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরে এমনকি তার চেয়ে কম সময়েও নাগরিকত্ব পাওয়া সম্ভব কোনো কোনো দেশে। পূর্ণকালীন চাকরি থাকলে তিন বছরে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ব্লু কার্ড পাওয়া যেতে পারে।
অনুলিখন: মো. গোলাম রব্বানী

ইউরোপের কোনো দেশে ভর্তির ক্ষেত্রে সিজিপিএ গুরুত্বপূর্ণ। তবে একটা ন্যূনতম সিজিপিএ থাকলেও অফার লেটার পাওয়া যায়। সে ক্ষেত্রে সিজিপিএ ৩ থাকলে ভালো হয়। এর চেয়ে কম থাকলেও আপনি অফার লেটার পেতে পারেন। তবে সিজিপিএ বেশি থাকলে সম্ভাবনা বাড়ে। বিশ্ববিদ্যালয় ও পড়ার বিষয়ভেদে ন্যূনতম সিজিপিএর পার্থক্য অনেক বড় হিসেবে দেখা দিতে পারে। এক্সট্রা কারিকুলার অভিজ্ঞতার জন্য জার্মানিতে সুবিধা পাওয়া যায়। ভাষাগত দক্ষতা প্রমাণে জার্মানির ক্ষেত্রে আইইএলটিএস স্কোর থাকতে হবে ন্যূনতম ৬।
তবে ভর্তির আবেদনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামভেদে ন্যূনতম চাহিদা ভিন্ন ভিন্ন থাকে। এখানে টোফেল গ্রহণযোগ্য। ডুয়োলিঙ্গ বা জিম্যাটের দরকার নেই। তবে খুব কমসংখ্যক বিশ্ববিদ্যালয়ে জিআরই চাওয়া হয়। ইউরোপে সাধারণত অফার লেটার পাওয়ার ক্ষেত্রে মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয় না। তবে কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে প্রথম ধাপে উত্তীর্ণ হওয়ার পর মৌখিক পরীক্ষায় ভালো করলে অফার লেটার দেয়। স্নাতকের ক্ষেত্রে গবেষণাপত্র না থাকলেও অফার লেটার পাওয়া সম্ভব।
ইউরোপের দেশগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন-প্রক্রিয়া খুব সহজ নয়। খানিকটা আলাদা। আবেদন করতে পাসপোর্ট, ইউরোপাস সিভি, মোটিভেশনাল লেটার, রেকমেন্ডেশন লেটার, আইইএলটিএস সার্টিফিকেট, একাডেমিক বিভিন্ন কাগজপত্র লাগবে। জার্মানির ক্ষেত্রে সাধারণত রেকমেন্ডেশন লেটার লাগে না। অনেক সময় কাগজপত্র নোটারি করতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয় চাইলে নোটারাইজড ডকুমেন্টস কুরিয়ারে পাঠাতে হয়। জার্মানিতে আবেদনের পদ্ধতি মূলত দুটি—প্রথমত, সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের পোর্টালে আবেদন। এ ক্ষেত্রে কোনো খরচ হয় না।
দ্বিতীয়ত, অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে হয় ইউনি-অ্যাসিস্ট থেকে। প্রথম আবেদনে ৭৫ ইউরো প্রয়োজন। তবে পরেরগুলোয় ৩০ ইউরো খরচ হবে। ইউনি-অ্যাসিস্টে আবার দুটি পদ্ধতি আছে। একটির ক্ষেত্রে ইউনি-অ্যাসিস্ট ডকুমেন্টস সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়কে পাঠায়। অন্য পদ্ধতিকে বলে ভিপিডি। এ ক্ষেত্রে ইউনি-অ্যাসিস্ট থেকে প্রাপ্ত ফলাফল নিজে থেকে মেইলে বিশ্ববিদ্যালয়কে পাঠাতে হয়।
আমেরিকার মতো জার্মানিতে অধ্যাপক জোগাড়ের বিষয় নেই। অ্যাডমিশন কাউন্সিলে যাঁরা থাকেন, আবেদন পাওয়ার পর তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়ে মেইলে বা নির্দিষ্ট মাধ্যমে জানিয়ে দেন। জার্মানিতে সরকার প্রতিবছর ড্যাড স্কলারশিপ, ফুল ফান্ড স্কলারশিপ দিয়ে থাকে। তা ছাড়া সেখানে যাওয়ার পর শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণাপ্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান থেকে বৃত্তি পেতে পারেন। ইউরোপের প্রতিটি দেশে আলাদা বৃত্তির ব্যবস্থা আছে। আবার ইউরোপীয় ইউনিয়নেরও বৃত্তি আছে।
ইউরোপের প্রায় সব দেশে যাঁরা পড়াশোনা করেন, তাঁদের সিংহভাগ রেস্টুরেন্টসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অথবা গবেষণা ইনস্টিটিউটে খণ্ডকালীন চাকরি করতে পারেন। প্রতি ঘণ্টায় এখানে প্রায় ১৩ ইউরো পারিশ্রমিক পাওয়া যায়। বছরে ১২০ পূর্ণ দিবস অথবা ২৪০ দিন অর্ধদিবস কাজ করা যায়। পূর্ণ দিবস হিসেবে দিনে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত চাকরি করা যায়। জার্মানির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে টিউশন ফি দিতে হয় না। তাই শহর ও ব্যক্তিভেদে একেক জনের মাসিক ৬০০ থেকে ৭০০ ইউরো খরচ হবে। খণ্ডকালীন চাকরি করে খুব সহজে এই টাকা উপার্জন করা যায় এবং শিক্ষার্থীরা চাইলে বিভিন্ন বন্ধে ফুলটাইম চাকরি করতে পারেন।
জার্মানিতে এসে যাঁরা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন, তাঁরা মোটামুটি সবাই পড়াশোনা শেষে পিএইচডি অথবা ফুলটাইম চাকরির ব্যবস্থা করতে পারেন। পিএইচডিকেও এখানে ফুলটাইম চাকরি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মাস্টার্সের পর দেড় বছর সময় পাওয়া যায় জব সিকিং ভিসার আওতায়। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুবিধাও রয়েছে। পড়াশোনা শেষে চাকরির ব্যবস্থা করতে হয়।
নির্দিষ্ট বেতন এবং ভাষাগত দক্ষতা থাকলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরে এমনকি তার চেয়ে কম সময়েও নাগরিকত্ব পাওয়া সম্ভব কোনো কোনো দেশে। পূর্ণকালীন চাকরি থাকলে তিন বছরে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ব্লু কার্ড পাওয়া যেতে পারে।
অনুলিখন: মো. গোলাম রব্বানী

মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় অনুষ্ঠিত ‘আইএইউপি’ এশিয়া প্যাসিফিক আঞ্চলিক সম্মেলন-২০২৬-এ আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান।
৯ ঘণ্টা আগে
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২১ এপ্রিল। এর তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলবে ২০ মে পর্যন্ত। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার তত্ত্বীয় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর ৭ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত এসএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা চলবে।
১১ ঘণ্টা আগে
দেশের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ৩৫ বছরে পদার্পণ করেছে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি)। আগামীকাল শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়টি তাঁর ৩৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) পাঠকবন্ধু শাখার নতুন কমিটির কার্যক্রম শুরু করেছে। নতুন বছরে নতুন কমিটির বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা সভার মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়। সভায় সদস্যরা নিজেদের দায়িত্বশীল নেতৃত্ব, দক্ষতা ও মানবিক গুণাবলিতে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
১ দিন আগে