নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ১০ তলা একাডেমিক ভবন ও কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালে। ছয় বছর কেটে গেলেও শেষ হয়নি এর এক-চতুর্থাংশের নির্মাণকাজ। দীর্ঘদিন স্থগিত ছিল ৩ নম্বর একাডেমিক ভবনের কাজ। অথচ এটির নির্মাণ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২১ সালে। ফলে রুমের সংকটে ক্লাস করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ৩১টি বিভাগ ও ২টি ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের।
বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ হাজার ১৩২ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। সাময়িকভাবে ক্লাসরুমের সংকট মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একাডেমিক ভবন-৩-এর দ্বিতীয় তলায় কয়েকটি রুম করে সেখানে কয়েকটি বিভাগকে বরাদ্দ দিয়েছে। সংকট মোকাবিলায় প্রভোস্ট বিল্ডিং ও বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলেও ক্লাসরুম বরাদ্দ দেওয়া হয় কয়েকটি বিভাগকে।
শুধু তা-ই নয়, নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতি, নোবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ অন্যান্য সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বসা ও কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কোনো রুম নেই। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাহত হচ্ছে সামাজিক-সাংস্কৃতিক কার্যক্রম। এ অবস্থায় নোবিপ্রবির স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে একাডেমিক ভবন-৩-এর কাজ দ্রুত শেষ করার দাবি জানাচ্ছি।
ফজলে এলাহী ফুয়াদ, শিক্ষার্থী, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/ আমি কি ভুলিতে পারি’—এই অমর পঙ্ক্তি আজও বাঙালির হৃদয়ে ধ্বনিত হয়। একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তরুণেরা জীবন উৎসর্গ করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।
৬ ঘণ্টা আগে
টানা চার বছর প্রতিটি সেমিস্টারে সিজিপিএ-৪-এ ৪। শুনতে যতটা সহজ, বাস্তবে আসলে ততটাই কঠিন। কিন্তু সেই কঠিন কাজই করে দেখিয়েছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে সদ্য স্নাতক সম্পন্ন করা মোছা. স্বপ্নীল আক্তার নূ।
৭ ঘণ্টা আগে
উচ্চশিক্ষার জন্য যাঁরা বিদেশের মাটিতে পা রাখার স্বপ্ন দেখছেন, তাঁদের জন্য নতুন দুয়ার খুলে দিল অস্ট্রেলিয়ার সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য মর্যাদাপূর্ণ ‘আরটিপি স্টাইপেন্ড স্কলারশিপ’-এর আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে উচ্চশিক্ষা কিংবা অভিবাসনের স্বপ্ন পূরণে আইইএলটিএস একটি অপরিহার্য ধাপ। সাম্প্রতিক সময়ে পরীক্ষার্থীদের বড় অংশই বেছে নিচ্ছেন কম্পিউটার-বেইজড আইইএলটিএস। তবে শুধু পরীক্ষার পদ্ধতি পরিবর্তন করলেই কাঙ্ক্ষিত স্কোর আসে না; প্রয়োজন সঠিক কৌশল, নিয়মিত অনুশীলন এবং উপযুক্ত অনলাইন রিসোর্সের ব্যবহা
৮ ঘণ্টা আগে