উচ্চশিক্ষার জন্য যাঁরা বিদেশের মাটিতে পা রাখার স্বপ্ন দেখছেন, তাঁদের জন্য নতুন দুয়ার খুলে দিল অস্ট্রেলিয়ার সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য মর্যাদাপূর্ণ ‘আরটিপি স্টাইপেন্ড স্কলারশিপ’-এর আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া সরকার এবং সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা মাস্টার্স ও পিএইচডি গবেষণার সুযোগ পাবেন।
অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম বৃহৎ এবং আধুনিক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। ১৯টির বেশি ক্যাম্পাস নিয়ে বিস্তৃত এ বিশ্ববিদ্যালয় মূলত তার অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা, গবেষণার মান এবং গ্র্যাজুয়েটদের চমৎকার কর্মসংস্থানের সুযোগের জন্য পরিচিত। বাস্তবমুখী শিক্ষা এবং ইন্ডাস্ট্রি-লিঙ্কড গবেষণার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় দক্ষ করে তোলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য।
সুযোগ-সুবিধা
এই স্কলারশিপের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো, এটি একটি সম্পূর্ণ অর্থায়িত বা ‘ফুল ফান্ডেড’ প্রোগ্রাম। অর্থাৎ নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি, থাকার খরচ এবং আনুষঙ্গিক প্রায় সব ব্যয় বহন করবে অস্ট্রেলিয়া সরকার। যাঁরা কোনো আর্থিক দুশ্চিন্তা ছাড়াই বিশ্বমানের পরিবেশে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করতে চান, তাঁদের জন্য এটি বছরের অন্যতম সেরা সুযোগ।
নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে প্রতিবছর ৩৮ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩০ লাখ টাকার বেশি) উপবৃত্তি দেওয়া হবে। এ ছাড়া থাকছে অসুস্থতাকালীন ছুটির জন্য ‘পেইড সিক লিভ’ বা চিকিৎসা সহায়তার বিশেষ তহবিল। গবেষণার কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম বা ফিল্ড ওয়ার্কের জন্য আলাদা রিসার্চ ফান্ড বা গবেষণার তহবিল দেওয়া হবে।
আবেদনের যোগ্যতা
বৃত্তিটির জন্য অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় নাগরিকসহ বাংলাদেশ ও বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। যাঁরা মাস্টার্স বাই রিসার্চ বা এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তি হতে চান, তাঁদের যেকোনো স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে স্নাতক পর্যায়ে ন্যূনতম প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। অন্যদিকে পিএইচডি গবেষণার ক্ষেত্রে আবেদনকারীর পূর্ববর্তী গবেষণায় যথেষ্ট অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা থাকতে হবে।
প্রয়োজনীয় তথ্য
আগ্রহী প্রার্থীদের সব একাডেমিক কাগজপত্র, অর্থাৎ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের সার্টিফিকেট ও মার্কশিট প্রস্তুত রাখতে হবে। ট্রান্সক্রিপ্টগুলো অবশ্যই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃক যাচাই করা ও অফিশিয়াল স্ট্যাম্পযুক্ত হতে হবে। যেখানে গ্রেডিং পয়েন্টের বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে। এ ছাড়া প্রার্থীর শিক্ষাগত ও ব্যক্তিগত অর্জনের বিবরণসংবলিত একটি হালনাগাদ জীবনবৃত্তান্ত এবং গবেষণার পরিকল্পনা বা ‘রিসার্চ প্রপোজাল’ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। পিএইচডি প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মাস্টার্সের থিসিস বা কোনো স্বীকৃত প্রকাশনা থাকলে সেটিও দাখিল করতে হবে। সেই সঙ্গে আবেদনকারীর যোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে দুজন শিক্ষকের সুপারিশপত্র জমা দিতে হবে।
অধ্যয়নের ক্ষেত্রগুলো
সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটির এই বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীরা ব্যবসায় শিক্ষা ও আইন, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি এবং শিক্ষা ও কলা অনুষদের বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া মানববিদ্যা, স্বাস্থ্য ও সমাজবিজ্ঞান, চিকিৎসা ও ফলিতবিজ্ঞান এবং নার্সিং ও মিডওয়াইফারি-সংক্রান্ত বিষয়গুলোতেও গবেষণার বিস্তৃত সুযোগ রয়েছে। আধুনিক বিশ্বের চাহিদার কথা মাথায় রেখে সাজানো এ বিষয়গুলোতে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি।
আবেদনের পদ্ধতি
আগ্রহী প্রার্থীরা লিঙ্কে গিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়: ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬।

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/ আমি কি ভুলিতে পারি’—এই অমর পঙ্ক্তি আজও বাঙালির হৃদয়ে ধ্বনিত হয়। একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তরুণেরা জীবন উৎসর্গ করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে উচ্চশিক্ষা কিংবা অভিবাসনের স্বপ্ন পূরণে আইইএলটিএস একটি অপরিহার্য ধাপ। সাম্প্রতিক সময়ে পরীক্ষার্থীদের বড় অংশই বেছে নিচ্ছেন কম্পিউটার-বেইজড আইইএলটিএস। তবে শুধু পরীক্ষার পদ্ধতি পরিবর্তন করলেই কাঙ্ক্ষিত স্কোর আসে না; প্রয়োজন সঠিক কৌশল, নিয়মিত অনুশীলন এবং উপযুক্ত অনলাইন রিসোর্সের ব্যবহা
২ ঘণ্টা আগে
প্রাণচঞ্চল পরিবেশ, হলভিত্তিক তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা আর শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর আবহে শেষ হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) কেন্দ্রীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৬। বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) আয়োজিত এবং শারীরিক শিক্ষা বিভাগের ব্যবস্থাপনায় সম্প্রতি অনুষ্ঠিত..
৩ ঘণ্টা আগে
মানুষ জন্মগতভাবেই সুখী হতে চায়। আমরা চাই শান্তি, চাই স্বস্তি—এমন একটি জীবন, যেখানে রাতের ঘুমটা হবে নির্ভার। কিন্তু অদ্ভুত সত্য হলো, আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু বাইরের কেউ নয়; শত্রু নিজের চিন্তা, ভয়, অহংকার আর ভুল বিশ্বাস। অজান্তেই আমরা নিজের জন্য এমন এক মানসিক কারাগার তৈরি করি, যেখান থেকে বের হওয়ার পথটাও
৩ দিন আগে