কৃষি গুচ্ছের ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তিতে আবেদনের সময় বাড়ানো হয়েছে। ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা ১৮ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। এর আগে আবেদনের কার্যক্রম ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল
সম্প্রতি কৃষি গুচ্ছের ওয়েবসাইটে এ-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, কৃষি গুচ্ছের ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তিতে আবেদনের সময়সীমা ১৮ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো। আবেদন শুরু হয় গত ২৫ নভেম্বর থেকে।
এবার কৃষি গুচ্ছের ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আসনসংখ্যা ৩ হাজার ৭০১টি। ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩ জানুয়ারি। ওই দিন বেলা ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত চলবে এই পরীক্ষা।
কৃষি গুচ্ছের আওতাধীন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জুলাই-৩৬ হলের এক ছাত্রী তুবাউল জান্নাত ঐশীকে সহপাঠী ও রুমমেটদের ব্যক্তিগত ছবি প্রেমিকের কাছে পাঠানোর অভিযোগে স্থায়ী বহিষ্কার করেছে হল প্রশাসন। গতকাল সোমবার তদন্ত কমিটির সুপারিশে হল প্রশাসনের এক সভায় তাঁকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
৪ লাখ ২ হাজার ৫১ জন পরীক্ষার্থী ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫ পত্রের ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছেন। এগুলোর মধ্যে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি পত্রের সঙ্গে ব্যবহারিক রয়েছে। সে হিসাবে মোট ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি তত্ত্বীয় উত্তরপত্র এবং ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি ব্যবহারিক উত্তরপত্রসহ মোট ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টি উত্তরপত্র...
১০ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একজন আবেদনকারী তাঁর পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানে আবেদনের সুযোগ পাবেন। আবেদন বদলি নীতিমালা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে যাচাই শেষে কর্তৃপক্ষ বদলির আদেশ জারি করবে। নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকলে নিজ বিভাগের যেকোনো জেলায় শূন্য পদের বিপরীতে বদলির...
১০ ঘণ্টা আগে
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের শুধু বেতন-ভাতা নয়, তাঁদের পেশাগত মর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়নের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। শিক্ষকেরা জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তৈরি করেন। তাই তাঁদের অন্য কোনো পেশার সঙ্গে তুলনা না করে তাঁদের স্বতন্ত্র মর্যাদার জায়গা থেকে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
১৪ ঘণ্টা আগে