খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

দীর্ঘ ১৯ মাস বন্ধ থাকার পর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) সশরীরে ক্লাস শুরু হয়েছে। আজ রোববার সকাল ৯টায় বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে সশরীরে পাঠদান শুরু হয়। এত দিন অনলাইনে ক্লাস চললেও এখন থেকে সশরীরে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত হয়ে ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া গত ১৮ অক্টোবর শিক্ষার্থীদের জন্য সব আবাসিক হল খুলে দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) শ্রেণির ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে সকল বর্ষের দ্বিতীয় টার্মের চূড়ান্ত পরীক্ষা আগামী ৫ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে। যা চলবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রণীত একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী দ্বিতীয় টার্মের রেজিস্ট্রেশন জরিমানা ছাড়া ৩১ অক্টোবর থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত, জরিমানাসহ ৭ নভেম্বর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত, রিভিউ ক্লাস চলবে ৩১ অক্টোবর থেকে ২০ নভেম্বর, পরীক্ষা সংক্রান্ত প্রস্তুতিমূলক ছুটি (পিএল) ২১ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর, দ্বিতীয় টার্মের চূড়ান্ত পরীক্ষা গ্রহণ ৫ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত হবে।
সরেজমিনে গেয়ে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে খুবির সবুজ অঙ্গনে। শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়েছে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বর, ক্যাফেটেরিয়া, শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ, অদম্য বাংলা ও হলরোড সংলগ্ন দোকানগুলোসহ বিভিন্ন স্থান ঘুরে শিক্ষার্থীরা ব্যাপক উচ্ছ্বাসিত। সবাই ব্যস্ত ছিলেন একে-অপরের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময়, গল্প-আড্ডায়। কেউ বন্ধুর সঙ্গে বসে চা খাচ্ছেন আবার কোথাও বন্ধুরা মিলে বসিয়েছেন গানের আসর। শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতায় পড়ালেখায় ক্ষতি পুষিয়ে স্বাভাবিক শিক্ষা ও কর্মজীবনে ফেরার প্রত্যাশা করছেন শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে আইন ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী মো. নাসিম বিল্লাহ বলেন, অনেক দিন পর ক্যাম্পাস খোলায় নতুন জীবন ফিরে পেয়েছি। দীর্ঘদিন পর বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। পুরোনো সবকিছু নতুন মনে হচ্ছে। ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হওয়ায় ক্যাম্পাস আবারও তার চিরচেনা রূপে ফিরে আসায় খুব ভালো লাগছে।
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী মনিরুজ্জামান বলেন, এত দিন পর ক্লাসে ফিরতে পেরে অনুভূতিটা অন্যরকম। দেড় বছরেরও বেশি সময় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ সেশনজটের মুখে পড়েছেন। হল খোলার পর ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হওয়া আমাদের জন্য আনন্দের বিষয়। আমরা দীর্ঘ সেশনজটের কবল থেকে হয়তো রক্ষা পাব।
ইংরেজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী সাদিয়া আফরিন বলেন, দীর্ঘসময় পর প্রিয় শিক্ষক ও সহপাঠীদের ক্লাসে ফিরে পেয়ে আমরা আনন্দিত। করোনার দিনগুলো শেষে আবারও ক্যাম্পাসে গল্প-আড্ডা জমবে ভাবতেই ভালো লাগছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. খান গোলাম কুদ্দুস বলেন, আমরা ১৮ তারিখ থেকে প্রাথমিকভাবে চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য হল খুলে দিয়েছি এবং ২৬ তারিখ থেকে সকল বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য হল খুলে দেওয়ায় আবাসিক শিক্ষার্থীরা হলে ফিরেছেন। শিক্ষার্থীদের সেশনজট নিরসনে আমরা ডিসেম্বরের মধ্যে দ্বিতীয় টার্ম শেষ করার ঘোষণা দিয়েছি। এতে শিক্ষার্থীদের জন্য একটু চাপ হলেও ঠিকসময়ে পরীক্ষা শেষ হবে। এ জন্য তাঁরা খুশি।

দীর্ঘ ১৯ মাস বন্ধ থাকার পর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) সশরীরে ক্লাস শুরু হয়েছে। আজ রোববার সকাল ৯টায় বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে সশরীরে পাঠদান শুরু হয়। এত দিন অনলাইনে ক্লাস চললেও এখন থেকে সশরীরে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত হয়ে ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া গত ১৮ অক্টোবর শিক্ষার্থীদের জন্য সব আবাসিক হল খুলে দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) শ্রেণির ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে সকল বর্ষের দ্বিতীয় টার্মের চূড়ান্ত পরীক্ষা আগামী ৫ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে। যা চলবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রণীত একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী দ্বিতীয় টার্মের রেজিস্ট্রেশন জরিমানা ছাড়া ৩১ অক্টোবর থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত, জরিমানাসহ ৭ নভেম্বর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত, রিভিউ ক্লাস চলবে ৩১ অক্টোবর থেকে ২০ নভেম্বর, পরীক্ষা সংক্রান্ত প্রস্তুতিমূলক ছুটি (পিএল) ২১ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর, দ্বিতীয় টার্মের চূড়ান্ত পরীক্ষা গ্রহণ ৫ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত হবে।
সরেজমিনে গেয়ে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে খুবির সবুজ অঙ্গনে। শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়েছে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বর, ক্যাফেটেরিয়া, শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ, অদম্য বাংলা ও হলরোড সংলগ্ন দোকানগুলোসহ বিভিন্ন স্থান ঘুরে শিক্ষার্থীরা ব্যাপক উচ্ছ্বাসিত। সবাই ব্যস্ত ছিলেন একে-অপরের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময়, গল্প-আড্ডায়। কেউ বন্ধুর সঙ্গে বসে চা খাচ্ছেন আবার কোথাও বন্ধুরা মিলে বসিয়েছেন গানের আসর। শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতায় পড়ালেখায় ক্ষতি পুষিয়ে স্বাভাবিক শিক্ষা ও কর্মজীবনে ফেরার প্রত্যাশা করছেন শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে আইন ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী মো. নাসিম বিল্লাহ বলেন, অনেক দিন পর ক্যাম্পাস খোলায় নতুন জীবন ফিরে পেয়েছি। দীর্ঘদিন পর বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। পুরোনো সবকিছু নতুন মনে হচ্ছে। ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হওয়ায় ক্যাম্পাস আবারও তার চিরচেনা রূপে ফিরে আসায় খুব ভালো লাগছে।
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী মনিরুজ্জামান বলেন, এত দিন পর ক্লাসে ফিরতে পেরে অনুভূতিটা অন্যরকম। দেড় বছরেরও বেশি সময় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ সেশনজটের মুখে পড়েছেন। হল খোলার পর ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হওয়া আমাদের জন্য আনন্দের বিষয়। আমরা দীর্ঘ সেশনজটের কবল থেকে হয়তো রক্ষা পাব।
ইংরেজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী সাদিয়া আফরিন বলেন, দীর্ঘসময় পর প্রিয় শিক্ষক ও সহপাঠীদের ক্লাসে ফিরে পেয়ে আমরা আনন্দিত। করোনার দিনগুলো শেষে আবারও ক্যাম্পাসে গল্প-আড্ডা জমবে ভাবতেই ভালো লাগছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. খান গোলাম কুদ্দুস বলেন, আমরা ১৮ তারিখ থেকে প্রাথমিকভাবে চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য হল খুলে দিয়েছি এবং ২৬ তারিখ থেকে সকল বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য হল খুলে দেওয়ায় আবাসিক শিক্ষার্থীরা হলে ফিরেছেন। শিক্ষার্থীদের সেশনজট নিরসনে আমরা ডিসেম্বরের মধ্যে দ্বিতীয় টার্ম শেষ করার ঘোষণা দিয়েছি। এতে শিক্ষার্থীদের জন্য একটু চাপ হলেও ঠিকসময়ে পরীক্ষা শেষ হবে। এ জন্য তাঁরা খুশি।

গণনা মেশিনের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে স্থগিত করা হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোট গণনা। পরে উপাচার্যের কনফারেন্স রুমে নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে আলোচনায় মেশিনেই ভোট গণনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রতিদ্বন্দ্বী দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহণ করা হলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিকেলে ভোট শেষে শুরু হয় গণনা। আজ বুধবার ফলাফল জানা যেতে পারে।
১০ ঘণ্টা আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন (ওএমআর) মেশিনে ত্রুটির কারণে ভোট গণনা স্থগিত করা হয়েছে। এই সংবাদ লেখা পর্যন্ত (রাত ৯টা ৩০ মিনিট) ভোট গণনা স্থগিত রয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ভোট পড়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ। এ ছাড়া হল সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৭৭ শতাংশ।
১৪ ঘণ্টা আগে