ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ডে কম্পিউটার সায়েন্স বিষয়ে পিএইচডি করছেন সুভাশিস রায় দীপ্ত। এ বছর গ্রীষ্মের ছুটিতে আমাজন সায়েন্সে অ্যাপ্লায়েড রিসার্চ সায়েন্টিস্ট ইন্টার্ন হিসেবে তিনি কাজ শুরু করেছেন। তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নাদিম মজিদ।
নাদিম মজিদ

বাংলাদেশে আপনার পড়াশোনা নিয়ে বলুন?
আমি ধানমন্ডি গভ বয়েজ হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং নটর ডেম কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছি। পরবর্তী সময়ে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) থেকে বিএসসি করেছি।
দেশে পড়াশোনা করার সময় কখনো প্রচলিত একাডেমিকে পড়াশোনার চেয়ে সহশিক্ষামূলক কাজে গুরুত্ব দিয়েছি। এইচএসসিতে পড়ার সময় আমি নটর ডেম সায়েন্স ক্লাবের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলাম। বিএসসি করার সময় ন্যাশনাল প্রোগ্রামিং কনটেস্ট, যুক্তরাষ্ট্র এবং পোল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক রোবোটিকস প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলাম। এমআইএসটি কম্পিউটার ক্লাবের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলাম এবং কয়েকটি হ্যাকাথনে অংশ নিয়েছিলাম। আমি পড়াশোনার চেয়ে সহশিক্ষামূলক কাজকে বেশি গুরুত্ব দিলেও আপনাদেরকে একাডেমিক পড়াশোনাকে এড়িয়ে যেতে বলব না। সাধারণত, যে কারও উচিত পাশাপাশি উভয় ক্ষেত্রে ভালো করার জন্য চেষ্টা করা।
আমাজন সায়েন্সে আপনি কোন সেকশনে ইন্টার্নশিপ করছেন, কী কী কাজ আপনাকে করতে হয়?
আমি বর্তমানে আমাজন সায়েন্সে সামার ইন্টার্নশিপ করছি। এটি ১৪ সপ্তাহের ইন্টার্নশিপ। একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টে আমি কাজ করছি। আমি অ্যালেক্সা এআই টিমের একজন সদস্য। একজন রিসার্চ ইন্টার্ন হিসেবে আমার প্রাথমিক দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে অ্যালেক্সার ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতাকে আরও সুন্দর করা। যেমন কনভারসেশনের উত্তর দ্রুততার সঙ্গে প্রদান করা, পারফরম্যান্স বাড়ানো এবং খরচ কমানো।
এখানে ইন্টার্নশিপ করে কী কী সুবিধা পাচ্ছেন?
সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটি পাচ্ছি, তা হলো নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ। যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত দেশে সফলতার জন্য জ্ঞানের পাশাপাশি নেটওয়ার্কিংও গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আসার আগে আমি মনে করতাম, সফলতার জন্য জ্ঞান থাকাটাই যথেষ্ট। কিন্তু এখানে কাজ করে বুঝতে পেরেছি, অনেক মানুষই জ্ঞানের সমান লেভেলের মধ্যে আটকে রয়েছেন। এ পর্যায়ে এসে ওপরের দিকে যাওয়ার জন্য নেটওয়ার্কিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর বাইরে একজন পিএইচডি শিক্ষার্থী হিসেবে আর্থিক সুবিধাও বেশ ভালো পেয়েছি। যদিও এটি প্রাথমিক লক্ষ্য নয়।
আমাজন সায়েন্সে ইন্টার্নশিপে সুযোগ পাওয়ার পদ্ধতি কী কী?
সুনির্দিষ্ট কোনো পদ্ধতি নেই। এটি বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। উচ্চপর্যায়ে ইন্টার্নশিপের প্রাথমিক ইন্টারভিউ কল পাওয়ার জন্য আমার বিভিন্ন প্রকাশনা কাজে লেগেছে। আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, এখানে ইন্টারভিউ কলে সুযোগ পাওয়ার চেয়ে ইন্টারভিউতে পাস করা আরও কঠিন। সাধারণত এখানে কর্মরত কেউ রেফার করলে ইন্টারভিউ কল দ্রুত পাওয়া যায়। আমার ইন্টারভিউ প্রক্রিয়ায় ছিল একটি কোডিং ইন্টারভিউ এবং দুটি মেশিন লার্নিং ইন্টারভিউ। প্রতিটিই আমাজনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা নিয়েছিলেন। সংক্ষেপে বলতে গেলে, ইন্টারভিউ নিশ্চিত করতে চাইলে নেটওয়ার্ক থাকা, যোগাযোগ দক্ষতা এবং রোল-নির্দিষ্ট রিজিউম থাকা প্রয়োজন। আর ইন্টারভিউতে সফলতা পাওয়ার জন্য আপনার কারিগরি জ্ঞান, সফট স্কিল, সর্বোপরি ভাগ্যও গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশিরা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ করতে চাইলে তাদের কীভাবে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত?
বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানে সরাসরি ইন্টার্নশিপ পাওয়াটা খুব চ্যালেঞ্জিং; কিন্তু অসম্ভব নয়। আমি কয়েকজনকে জানি, যাঁরা বাংলাদেশ থেকে সরাসরি গুগলে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেয়েছেন। আমাজনে আমি একজন ইন্টার্নকে পেয়েছি, যিনি সরাসরি দক্ষিণ কোরিয়া থেকে এসেছেন। বলা বাহুল্য, বাংলাদেশের পরিবেশ এবং প্রযুক্তি অবকাঠামো যেকোনো বিষয়ে গভীর জ্ঞান নেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা।
তারপরও একজন বাংলাদেশি বিদেশে ইন্টার্নশিপ করতে চাইলে সে বিষয়ে ভালো জ্ঞান অর্জন করা, নিজেকে প্রকাশ করার জন্য সুযোগ খোঁজা এবং সম্ভব হলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেটওয়ার্কিংয়ে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
ভবিষ্যতে আপনার ক্যারিয়ার পরিকল্পনা কী?
এখনো ঠিক করিনি। বিএসসি করার সময় আমার প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল, যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ভালো পাঁচটি কোম্পানির একটিতে কাজ করা। তারপর আমি যত বড় হচ্ছি, আমার উচ্চাকাঙ্ক্ষা আরও পরিণত হচ্ছে। বর্তমানে আমার লক্ষ্য হলো, ডিসটিংকশনের সঙ্গে পিএইচডি সম্পন্ন করা। আমার প্যাশন এবং লক্ষ্যের সঙ্গে যায়—এমন ইন্ডাস্ট্রিতে গবেষক হিসেবে যোগ দেওয়া। তাই আরও পাঁচ বছর না যাওয়ার আগপর্যন্ত নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

বাংলাদেশে আপনার পড়াশোনা নিয়ে বলুন?
আমি ধানমন্ডি গভ বয়েজ হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং নটর ডেম কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছি। পরবর্তী সময়ে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) থেকে বিএসসি করেছি।
দেশে পড়াশোনা করার সময় কখনো প্রচলিত একাডেমিকে পড়াশোনার চেয়ে সহশিক্ষামূলক কাজে গুরুত্ব দিয়েছি। এইচএসসিতে পড়ার সময় আমি নটর ডেম সায়েন্স ক্লাবের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলাম। বিএসসি করার সময় ন্যাশনাল প্রোগ্রামিং কনটেস্ট, যুক্তরাষ্ট্র এবং পোল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক রোবোটিকস প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলাম। এমআইএসটি কম্পিউটার ক্লাবের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলাম এবং কয়েকটি হ্যাকাথনে অংশ নিয়েছিলাম। আমি পড়াশোনার চেয়ে সহশিক্ষামূলক কাজকে বেশি গুরুত্ব দিলেও আপনাদেরকে একাডেমিক পড়াশোনাকে এড়িয়ে যেতে বলব না। সাধারণত, যে কারও উচিত পাশাপাশি উভয় ক্ষেত্রে ভালো করার জন্য চেষ্টা করা।
আমাজন সায়েন্সে আপনি কোন সেকশনে ইন্টার্নশিপ করছেন, কী কী কাজ আপনাকে করতে হয়?
আমি বর্তমানে আমাজন সায়েন্সে সামার ইন্টার্নশিপ করছি। এটি ১৪ সপ্তাহের ইন্টার্নশিপ। একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টে আমি কাজ করছি। আমি অ্যালেক্সা এআই টিমের একজন সদস্য। একজন রিসার্চ ইন্টার্ন হিসেবে আমার প্রাথমিক দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে অ্যালেক্সার ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতাকে আরও সুন্দর করা। যেমন কনভারসেশনের উত্তর দ্রুততার সঙ্গে প্রদান করা, পারফরম্যান্স বাড়ানো এবং খরচ কমানো।
এখানে ইন্টার্নশিপ করে কী কী সুবিধা পাচ্ছেন?
সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটি পাচ্ছি, তা হলো নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ। যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত দেশে সফলতার জন্য জ্ঞানের পাশাপাশি নেটওয়ার্কিংও গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আসার আগে আমি মনে করতাম, সফলতার জন্য জ্ঞান থাকাটাই যথেষ্ট। কিন্তু এখানে কাজ করে বুঝতে পেরেছি, অনেক মানুষই জ্ঞানের সমান লেভেলের মধ্যে আটকে রয়েছেন। এ পর্যায়ে এসে ওপরের দিকে যাওয়ার জন্য নেটওয়ার্কিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর বাইরে একজন পিএইচডি শিক্ষার্থী হিসেবে আর্থিক সুবিধাও বেশ ভালো পেয়েছি। যদিও এটি প্রাথমিক লক্ষ্য নয়।
আমাজন সায়েন্সে ইন্টার্নশিপে সুযোগ পাওয়ার পদ্ধতি কী কী?
সুনির্দিষ্ট কোনো পদ্ধতি নেই। এটি বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। উচ্চপর্যায়ে ইন্টার্নশিপের প্রাথমিক ইন্টারভিউ কল পাওয়ার জন্য আমার বিভিন্ন প্রকাশনা কাজে লেগেছে। আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, এখানে ইন্টারভিউ কলে সুযোগ পাওয়ার চেয়ে ইন্টারভিউতে পাস করা আরও কঠিন। সাধারণত এখানে কর্মরত কেউ রেফার করলে ইন্টারভিউ কল দ্রুত পাওয়া যায়। আমার ইন্টারভিউ প্রক্রিয়ায় ছিল একটি কোডিং ইন্টারভিউ এবং দুটি মেশিন লার্নিং ইন্টারভিউ। প্রতিটিই আমাজনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা নিয়েছিলেন। সংক্ষেপে বলতে গেলে, ইন্টারভিউ নিশ্চিত করতে চাইলে নেটওয়ার্ক থাকা, যোগাযোগ দক্ষতা এবং রোল-নির্দিষ্ট রিজিউম থাকা প্রয়োজন। আর ইন্টারভিউতে সফলতা পাওয়ার জন্য আপনার কারিগরি জ্ঞান, সফট স্কিল, সর্বোপরি ভাগ্যও গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশিরা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ করতে চাইলে তাদের কীভাবে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত?
বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানে সরাসরি ইন্টার্নশিপ পাওয়াটা খুব চ্যালেঞ্জিং; কিন্তু অসম্ভব নয়। আমি কয়েকজনকে জানি, যাঁরা বাংলাদেশ থেকে সরাসরি গুগলে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেয়েছেন। আমাজনে আমি একজন ইন্টার্নকে পেয়েছি, যিনি সরাসরি দক্ষিণ কোরিয়া থেকে এসেছেন। বলা বাহুল্য, বাংলাদেশের পরিবেশ এবং প্রযুক্তি অবকাঠামো যেকোনো বিষয়ে গভীর জ্ঞান নেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা।
তারপরও একজন বাংলাদেশি বিদেশে ইন্টার্নশিপ করতে চাইলে সে বিষয়ে ভালো জ্ঞান অর্জন করা, নিজেকে প্রকাশ করার জন্য সুযোগ খোঁজা এবং সম্ভব হলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেটওয়ার্কিংয়ে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
ভবিষ্যতে আপনার ক্যারিয়ার পরিকল্পনা কী?
এখনো ঠিক করিনি। বিএসসি করার সময় আমার প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল, যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ভালো পাঁচটি কোম্পানির একটিতে কাজ করা। তারপর আমি যত বড় হচ্ছি, আমার উচ্চাকাঙ্ক্ষা আরও পরিণত হচ্ছে। বর্তমানে আমার লক্ষ্য হলো, ডিসটিংকশনের সঙ্গে পিএইচডি সম্পন্ন করা। আমার প্যাশন এবং লক্ষ্যের সঙ্গে যায়—এমন ইন্ডাস্ট্রিতে গবেষক হিসেবে যোগ দেওয়া। তাই আরও পাঁচ বছর না যাওয়ার আগপর্যন্ত নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় অনুষ্ঠিত ‘আইএইউপি’ এশিয়া প্যাসিফিক আঞ্চলিক সম্মেলন-২০২৬-এ আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান।
১১ ঘণ্টা আগে
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২১ এপ্রিল। এর তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলবে ২০ মে পর্যন্ত। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার তত্ত্বীয় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর ৭ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত এসএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা চলবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
দেশের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ৩৫ বছরে পদার্পণ করেছে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি)। আগামীকাল শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়টি তাঁর ৩৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করবে।
১৮ ঘণ্টা আগে
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) পাঠকবন্ধু শাখার নতুন কমিটির কার্যক্রম শুরু করেছে। নতুন বছরে নতুন কমিটির বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা সভার মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়। সভায় সদস্যরা নিজেদের দায়িত্বশীল নেতৃত্ব, দক্ষতা ও মানবিক গুণাবলিতে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
২ দিন আগে