প্রতিনিধি, ঢাবি

মৌলিক গবেষণা ও উদ্ভাবনী শক্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে শোভাযাত্রা শেষে এ কথা বলেন উপাচার্য।
আজ রোববার সকাল ১০টায় প্রতিটি আবাসিক হল থেকে শতবর্ষের লোগোযুক্ত টি-শার্ট পরিধান করে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার সামনে সমবেত হন। পরে বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে শোভাযাত্রা কলাভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।
শহীদ মিনারে জাতীয় সংগীত, ‘আমরা সবাই বাঙালি’ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের থিম সং গাওয়া হয়। এরপর সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থানের পর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।
শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারীসহ সবার প্রতি ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘আমরা আশা করি সামনের দিনগুলোতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উচ্ছ্বাস ও মানবিকতার বিকাশ ঘটাবে। আর এটি হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র উপজীব্য ও শক্তি।’ মৌলিক গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করে জাতির প্রত্যাশা পূরণে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উপাচার্য।
ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘আমরা শতবর্ষ উদ্যাপন করছি এবং পরবর্তী শতবর্ষ উদ্যাপনের জন্য আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রস্তুত করব। সে ক্ষেত্রে মানবতার জয়গান প্রস্ফুটিত হবে। অসাম্প্রদায়িক মানবিক মূল্যবোধ বিকশিত হবে। এই বিকাশের ফলে এর পাশাপাশি আমরা গুরুত্বারোপ করব মৌলিক গবেষণা ও উদ্ভাবনী শক্তির ওপর। সেটিই আমাদের চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যে সুবিধাগুলো আছে তা ভোগ করতে দেবে।’
শোভাযাত্রায় বিভিন্ন আবাসিক হলের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক, সিনেট ও সিন্ডিকেটের সদস্য, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ, কর্মচারী সমিতি, হোস্টেলসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পর্যায়ের মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেন।

মৌলিক গবেষণা ও উদ্ভাবনী শক্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে শোভাযাত্রা শেষে এ কথা বলেন উপাচার্য।
আজ রোববার সকাল ১০টায় প্রতিটি আবাসিক হল থেকে শতবর্ষের লোগোযুক্ত টি-শার্ট পরিধান করে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার সামনে সমবেত হন। পরে বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে শোভাযাত্রা কলাভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।
শহীদ মিনারে জাতীয় সংগীত, ‘আমরা সবাই বাঙালি’ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের থিম সং গাওয়া হয়। এরপর সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থানের পর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।
শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারীসহ সবার প্রতি ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘আমরা আশা করি সামনের দিনগুলোতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উচ্ছ্বাস ও মানবিকতার বিকাশ ঘটাবে। আর এটি হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র উপজীব্য ও শক্তি।’ মৌলিক গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করে জাতির প্রত্যাশা পূরণে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উপাচার্য।
ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘আমরা শতবর্ষ উদ্যাপন করছি এবং পরবর্তী শতবর্ষ উদ্যাপনের জন্য আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রস্তুত করব। সে ক্ষেত্রে মানবতার জয়গান প্রস্ফুটিত হবে। অসাম্প্রদায়িক মানবিক মূল্যবোধ বিকশিত হবে। এই বিকাশের ফলে এর পাশাপাশি আমরা গুরুত্বারোপ করব মৌলিক গবেষণা ও উদ্ভাবনী শক্তির ওপর। সেটিই আমাদের চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যে সুবিধাগুলো আছে তা ভোগ করতে দেবে।’
শোভাযাত্রায় বিভিন্ন আবাসিক হলের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক, সিনেট ও সিন্ডিকেটের সদস্য, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ, কর্মচারী সমিতি, হোস্টেলসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পর্যায়ের মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেন।

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) পাঠকবন্ধু শাখার নতুন কমিটির কার্যক্রম শুরু করেছে। নতুন বছরে নতুন কমিটির বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা সভার মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়। সভায় সদস্যরা নিজেদের দায়িত্বশীল নেতৃত্ব, দক্ষতা ও মানবিক গুণাবলিতে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
৭ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার স্বপ্ন দেখা শিক্ষার্থীদের জন্য এসেছে দারুণ সুখবর। ইন্টারন্যাশনাল প্রায়োরিটি স্কলারশিপের আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। সম্পূর্ণ অর্থায়নে পরিচালিত এই স্কলারশিপের আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা
১৮ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরের শুরুতে অনেকে জিম মেম্বারশিপ নিই, কঠিন ডায়েট চার্ট বানাই; কিংবা নতুন কোনো কঠিন দক্ষতা শেখার প্রতিজ্ঞা করি। আমাদের ছোটবেলা থেকে শেখানো হয়েছে, উন্নতি করতে হলে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি, নিজেকে বদলানো বা উন্নত করার পথটা কঠিন, আর সেখানে ত্যাগের মাধ্যমেই কেবল সাফল্য আসে।
১৮ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদসহ সব নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্ত ছাত্রসমাজ মেনে নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।
১ দিন আগে