প্রতিবছর উচ্চশিক্ষা নিতে বাংলাদেশ থেকে রাশিয়ায় পাড়ি জমান বহু শিক্ষার্থী। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ফুল ফ্রি স্কলারশিপে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি করার সুযোগ দিচ্ছে রাশিয়ান সরকার। ‘ওপেন ডোর রাশিয়ান স্কলারশিপ ২০২৪’-এর আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের এই স্কলারশিপ প্রদান করা হবে।
যেসব বিষয়ে অধ্যয়ন করা যাবে
- রসায়ন ও মেটারিয়াল সায়েন্স
- কম্পিউটার ও ডেটা সায়েন্স
- জীববিজ্ঞান ও বায়োটেকনোলজি
- নিউরোসায়েন্স ও সাইকোলজি
- গণিত ও কৃত্রিম বুদ্ধি
- ক্লিনিক্যাল মেডিসিন ও জনস্বাস্থ্য
- ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা
- রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক
- প্রকৌশলবিদ্যা
- শারীরিক বিজ্ঞান ও শিক্ষা
- ভাষাতত্ত্ব ও আধুনিক ভাষা
- অর্থনীতি ও একনোমেট্রিক্স
- ভূবিজ্ঞান
সুবিধা-অসুবিধা
রাশিয়ার শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে মাস্টার্স ও ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জনের জন্য রাশিয়ায় ওপেন ডোর স্কলারশিপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ টিউশন ফি প্রদান করবে রাশিয়ান ফেডারেশনের শিক্ষা ও বিজ্ঞান মন্ত্রণালয়। তবে জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানোর খরচ নিজেকেই বহন করতে হবে।
আবেদনের যোগ্যতা
- স্নাতকোত্তরে যাঁরা আবেদন করবেন, তাঁদের অবশ্যই স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।
- পিএইচডিতে আবেদন করতে হলে আবেদনকারীদের অবশ্যই স্নাতক, স্নাতকোত্তর ডিগ্রি বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।
- ইংরেজি বা রাশান ভাষায় দক্ষ হতে হবে।
- একাডেমিক ফল ভালো থাকতে হবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
- পাসপোর্টের কপি।
- একাডেমিক সব সার্টিফিকেট ও মার্কশিট।
- রেফারেন্স লেটার।
- ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার সনদ। আইইএলটিএস ব্যান্ডস্কোর ৬.০ থাকতে হবে। তবে যাদের মিডিয়াম অব ইন্সট্রাকশনের সনদ রয়েছে, তাদের আইইএলটিএস স্কোরের প্রয়োজন নেই।
- স্টেটমেন্ট অব পারপাস।
আবেদনের প্রক্রিয়া
অনলাইনেই আবেদন করা যাবে। আবেদনকারীকে স্কলারশিপের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা মেনে আবেদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
কেন পড়বেন রাশিয়ায়
প্রথমত রাশিয়ার শিক্ষাব্যবস্থা অনেক উন্নত। আপনি এখানে এমন সব বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করতে পারবেন, যেগুলো সচরাচর অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয় না। রাশান ভাষা না জানলেও সমস্যা নেই, শুধু ইংরেজি জানলেও চলবে। এখানকার শিক্ষকেরাও প্রত্যেক শিক্ষার্থীর প্রতি যথেষ্ট যত্নবান। আশপাশে প্রচুর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী রয়েছেন, যাঁরা বাংলাদেশি। তাই মানিয়ে নিতে কোনো অসুবিধা হয় না।
ওয়েবসাইট
আবেদনের শেষ সময়: ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩।
অনুবাদ: মুসাররাত আবির










