
কারাকাসে এই সপ্তাহজুড়ে যাওয়া নাটকীয় ঘটনাবলির পর থেকেই বহু প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। তবে একটি প্রশ্ন যেন বারবার ফিরে আসছে। সেটি হলো—এখন যিনি যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের ভাষায় ভেনেজুয়েলার ‘অন্তর্বর্তী কর্তৃপক্ষের’ নেতৃত্ব দিচ্ছেন, সেই চশমাধারী নারীকে ঘিরে প্রশ্ন—দেলসি রদ্রিগুয়েজই কেন...

ইউক্রেনকে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের পরিকল্পনার মাধ্যমে রাশিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপ সৃষ্টির হুমকির মধ্যেই ভ্লাদিমির পুতিন ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোনে আলাপ হয়। ফলাফল বুদাপেস্টে যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া শীর্ষ সম্মেলনের ঘোষণা। গত আগস্টেও একই নাটক দেখা গিয়েছিল। তখন রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন

প্রতিটি প্রজন্মই নিজস্ব কারণ ও লক্ষ্য নিয়ে এগোয়, পুরোনো সংগ্রামের উত্তরাধিকার নিয়ে নয়। সাম্প্রতিক ইতিহাসেও এ ধারা দেখা যায়—যুবকেরা শাসন বদলাতে পারেন, কিন্তু টেকসই পরিবর্তন বা তাঁদের নিজস্ব ভবিষ্যতের উন্নতি প্রায়ই অধরা থেকে যায়, তা আরব বসন্ত হোক, বাংলাদেশ বা নেপালই হোক।

গত সপ্তাহে মিসরে গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি উদ্যাপনকালে ট্রাম্প তাঁর প্রধান কূটনৈতিক আলোচক স্টিভ উইটকফের দিকে ফিরে বলেন, ‘এবার আমাদের রাশিয়ার বিষয়টা মীমাংসা করতে হবে।’ তবে গাজা ইস্যুতে উইটকফ ও তাঁর দল যে অনুকূল পরিস্থিতি পেয়েছিলেন, তা ইউক্রেন যুদ্ধে পুনরায় সৃষ্টি করা কঠিন। চার বছর ছুঁইছুঁই সময় ধরে চলছে