আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যাত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের মুখে পড়তে যাচ্ছে রাইড শেয়ার কোম্পানি উবার। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার ফিনিক্সে চলতি সপ্তাহে শুরু হচ্ছে একটি যৌন নিপীড়ন মামলার শুনানি, যেখানে উবারের মাধ্যমে বুক করা গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন এক নারী।
এই মামলা উবারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, চালকদের দ্বারা সংঘটিত যৌন অপরাধের দায় এড়াতে কোম্পানিটি যে আইনি যুক্তি তুলে ধরছে, সেটির প্রথম বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে এই বিচার।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওকলাহোমার বাসিন্দা জেইলিন ডিন ২০২৩ সালে উবারের বিরুদ্ধে মামলা করেন। অ্যারিজোনায় তাঁর ওপর কথিত যৌন হামলার এক মাস পরই তিনি এই মামলা করেন। মামলায় ডিন অভিযোগ করেন, উবার জানত যে তাদের চালকদের দ্বারা যৌন নিপীড়নের ঘটনা বাড়ছে, তবু যাত্রীদের নিরাপত্তা বাড়াতে প্রয়োজনীয় এবং মৌলিক পদক্ষেপ নেয়নি। এই অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে উবারকে তাড়া করছে এবং এর জেরে প্রতিষ্ঠানটি কংগ্রেসের নজরদারির মধ্যেও পড়েছে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতে উবারের বিরুদ্ধে এ ধরনের ৩ হাজারের বেশি মামলা বিচারাধীন। ডিনের মামলাটিকে ‘বেলওয়েদার’ বা পরীক্ষামূলক মামলা হিসেবে ধরা হচ্ছে। এই মামলার রায় ভবিষ্যতে একসঙ্গে নিষ্পত্তি হওয়া অন্য মামলাগুলোর ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে।
আইনি বিশেষজ্ঞদের মতে, মামলার ফল উবারের আর্থিক অবস্থার ওপর বড় চাপ তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়ে যারা আগে থেকেই সতর্ক নজর রাখছে, সেসব নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কোম্পানিটির সম্পর্ক আরও জটিল হতে পারে।
তবে উবারের দাবি, তাদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারী চালকদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে দায়ী করা যায় না। কোম্পানিটির যুক্তি, তারা চালকদের ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই করে এবং যৌন নিপীড়ন-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করে। উবার আরও বলেছে, তাদের চালকেরা কর্মচারী নন, বরং স্বাধীন ঠিকাদার। এমনকি চালকদের অবস্থান যা-ই হোক, দায়িত্বের বাইরে সংঘটিত অপরাধের দায় কোম্পানির ওপর চাপানো উচিত নয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, ঘটনার দিন জেইলিন ডিন মদ্যপ অবস্থায় তাঁর প্রেমিকের বাসা থেকে হোটেলে যাওয়ার জন্য উবার ডাকেন। যাত্রাপথে চালক তাঁকে নানা হয়রানিমূলক প্রশ্ন করেন বলে অভিযোগ। এরপর গাড়ি থামিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়—এমনটাই দাবি ডিনের।
ফেডারেল আদালতের মামলাগুলোর বাইরে ক্যালিফোর্নিয়ার আদালতেও উবারের বিরুদ্ধে ৫০০টির বেশি অনুরূপ মামলা চলছে। এ ধরনের অভিযোগে এখন পর্যন্ত একমাত্র বিচার শেষ হওয়া মামলাটি উবার জিতেছিল। গত সেপ্টেম্বরে ক্যালিফোর্নিয়ায় এক জুরি রায় দেন, উবার যাত্রী নিরাপত্তায় গাফিলতি করলেও সেই অবহেলা সরাসরি ওই নারীর ক্ষতির কারণ নয়।
এর আগে চালক যাচাইয়ের দুর্বলতা এবং যাত্রীর নিরাপত্তা চেয়ে দ্রুত সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়ার অভিযোগে একাধিকবার সমালোচনার মুখে পড়েছে উবার।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অবশ্য নিরাপত্তা সামনে এনে নিজেদের ভাবমূর্তি বদলানোর চেষ্টা করছে কোম্পানিটি। তারা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেফটি রিপোর্ট প্রকাশ করছে, যেখানে যৌন নিপীড়নের পরিসংখ্যান দেওয়া হয়। পাশাপাশি ইন-অ্যাপ রাইড যাচাই, অডিও এবং ভিডিও রেকর্ডিং, অস্বাভাবিক আচরণ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি চালু করেছে এবং ভুক্তভোগীদের সহায়তাকারী সংগঠনের সঙ্গেও অংশীদারত্ব গড়েছে।
উবারের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান লিফটও একই ধরনের মামলার মুখে পড়েছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে এখনো কোনো মামলা হয়নি।

যাত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের মুখে পড়তে যাচ্ছে রাইড শেয়ার কোম্পানি উবার। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার ফিনিক্সে চলতি সপ্তাহে শুরু হচ্ছে একটি যৌন নিপীড়ন মামলার শুনানি, যেখানে উবারের মাধ্যমে বুক করা গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন এক নারী।
এই মামলা উবারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, চালকদের দ্বারা সংঘটিত যৌন অপরাধের দায় এড়াতে কোম্পানিটি যে আইনি যুক্তি তুলে ধরছে, সেটির প্রথম বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে এই বিচার।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওকলাহোমার বাসিন্দা জেইলিন ডিন ২০২৩ সালে উবারের বিরুদ্ধে মামলা করেন। অ্যারিজোনায় তাঁর ওপর কথিত যৌন হামলার এক মাস পরই তিনি এই মামলা করেন। মামলায় ডিন অভিযোগ করেন, উবার জানত যে তাদের চালকদের দ্বারা যৌন নিপীড়নের ঘটনা বাড়ছে, তবু যাত্রীদের নিরাপত্তা বাড়াতে প্রয়োজনীয় এবং মৌলিক পদক্ষেপ নেয়নি। এই অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে উবারকে তাড়া করছে এবং এর জেরে প্রতিষ্ঠানটি কংগ্রেসের নজরদারির মধ্যেও পড়েছে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতে উবারের বিরুদ্ধে এ ধরনের ৩ হাজারের বেশি মামলা বিচারাধীন। ডিনের মামলাটিকে ‘বেলওয়েদার’ বা পরীক্ষামূলক মামলা হিসেবে ধরা হচ্ছে। এই মামলার রায় ভবিষ্যতে একসঙ্গে নিষ্পত্তি হওয়া অন্য মামলাগুলোর ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে।
আইনি বিশেষজ্ঞদের মতে, মামলার ফল উবারের আর্থিক অবস্থার ওপর বড় চাপ তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়ে যারা আগে থেকেই সতর্ক নজর রাখছে, সেসব নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কোম্পানিটির সম্পর্ক আরও জটিল হতে পারে।
তবে উবারের দাবি, তাদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারী চালকদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে দায়ী করা যায় না। কোম্পানিটির যুক্তি, তারা চালকদের ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই করে এবং যৌন নিপীড়ন-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করে। উবার আরও বলেছে, তাদের চালকেরা কর্মচারী নন, বরং স্বাধীন ঠিকাদার। এমনকি চালকদের অবস্থান যা-ই হোক, দায়িত্বের বাইরে সংঘটিত অপরাধের দায় কোম্পানির ওপর চাপানো উচিত নয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, ঘটনার দিন জেইলিন ডিন মদ্যপ অবস্থায় তাঁর প্রেমিকের বাসা থেকে হোটেলে যাওয়ার জন্য উবার ডাকেন। যাত্রাপথে চালক তাঁকে নানা হয়রানিমূলক প্রশ্ন করেন বলে অভিযোগ। এরপর গাড়ি থামিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়—এমনটাই দাবি ডিনের।
ফেডারেল আদালতের মামলাগুলোর বাইরে ক্যালিফোর্নিয়ার আদালতেও উবারের বিরুদ্ধে ৫০০টির বেশি অনুরূপ মামলা চলছে। এ ধরনের অভিযোগে এখন পর্যন্ত একমাত্র বিচার শেষ হওয়া মামলাটি উবার জিতেছিল। গত সেপ্টেম্বরে ক্যালিফোর্নিয়ায় এক জুরি রায় দেন, উবার যাত্রী নিরাপত্তায় গাফিলতি করলেও সেই অবহেলা সরাসরি ওই নারীর ক্ষতির কারণ নয়।
এর আগে চালক যাচাইয়ের দুর্বলতা এবং যাত্রীর নিরাপত্তা চেয়ে দ্রুত সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়ার অভিযোগে একাধিকবার সমালোচনার মুখে পড়েছে উবার।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অবশ্য নিরাপত্তা সামনে এনে নিজেদের ভাবমূর্তি বদলানোর চেষ্টা করছে কোম্পানিটি। তারা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেফটি রিপোর্ট প্রকাশ করছে, যেখানে যৌন নিপীড়নের পরিসংখ্যান দেওয়া হয়। পাশাপাশি ইন-অ্যাপ রাইড যাচাই, অডিও এবং ভিডিও রেকর্ডিং, অস্বাভাবিক আচরণ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি চালু করেছে এবং ভুক্তভোগীদের সহায়তাকারী সংগঠনের সঙ্গেও অংশীদারত্ব গড়েছে।
উবারের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান লিফটও একই ধরনের মামলার মুখে পড়েছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে এখনো কোনো মামলা হয়নি।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৬ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে