নেত্রকোনার আটপাড়া ও পূর্বধলা উপজেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ দুজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দুজন। তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা ১১টা ও বিকেল ৪টার দিকে দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
নিহতেরা হলেন– উপজেলার ছোছাউড়া গ্রামের মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে সজুদুল হক (৫৮) ও আটপাড়া উপজেলার মাটিকাটা গ্রামের রাকিব মিয়ার ছেলে সাফায়েত (১০)। আহতেরা হলেন– মোফাজ্জল হোসেন (২৮), আনাস (১২)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেলা ১১টার দিকে পূর্বধলার ছোছাউড়া এলাকায় হ্যান্ডট্রলির সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক মো. সজুদুল হক নিহত হন। মোটরসাইকেলের আরও দুই আরোহী মোফাজ্জল হোসেন ও আনাস গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে মমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পূর্বধলা থানার ওসি মো. দিদারুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর হ্যান্ডট্রলি রেখে চালক পালিয়ে গেছেন। ট্রলিটি জব্দ করা হয়েছে। লাশ উদ্ধারসহ আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
অন্যদিকে বিকেল ৪টার দিকে আটপাড়ার তেলিগাতী ইউনিয়নের মাটিকাটা এলাকায় রাস্তা পার হতে গিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় শিশু সাফায়েত গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।
আটপাড়া থানার ওসি মো. জোবায়দুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

র্যাবের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কিছু আত্মসমর্পণকারী সদস্যের আবারও পুরোনো কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এ কারণে তাঁদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে...
৫ দিন আগে
ভ্রাম্যমাণ ভিক্ষুকদের মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে চাঁদাবাজির টাকা আদায়ের অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দীন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
১৯ দিন আগে
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বছিলা সিটি ডেভেলপার্স হাউজিং ও একেপিচ টাওয়ার মার্কেটে চাঁদা দাবি করে দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া মো. ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরপর তাঁকে ঘটনাস্থল এলাকায় ঘুরিয়ে থানায় নেওয়া হয়। আজ রোববার দুপুরে মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশের একটি দল তাঁকে ওই এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।
২১ দিন আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাউল হকের ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই অর্থের বড় অংশ অনলাইন জুয়ার সাইটে ব্যয় করা হয়েছে। তবে ওসি দাবি করেছেন, একটি চক্র তাঁর মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে এসব
২৩ দিন আগে