নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনায় পুরোনো মালামাল সংগ্রহের নামে বাসা-বাড়িতে চুরির অভিযোগে দুই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার ভোরে জেলা শহরের জয়নগর এলাকা থেকে অপর একটি চুরির প্রস্তুতিকালে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বিকেলে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন জেলা সদরের আমলী কেশবপুর গ্রামের মামুন মিয়া স্ত্রী নার্গিস আক্তার পাখি (২৩) একই গ্রামের এমদাদুল হকের স্ত্রী তানজিলা আক্তার (২২)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা শহরের নাগড়া এলাকার কাপড় ব্যবসায়ী মিতালী দে’র বাসায় গত ২২ অক্টোবর বিকেলে চুরি হয়। এদিন দুপুরে তিনি বাসায় তালা দিয়ে দুই মেয়েকে নিয়ে মন্দিরে যান। বিকেলে এসে দেখেন ঘরের তালা ভেঙে নগদ আড়াই লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে চোর।
এ ঘটনায় পরদিন মডেল থানায় মামলা করেন মিতালী দে। মামলার পর মালামাল উদ্ধার ও আসামি গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ শুক্রবার ভোরে শহরের জয়নগর এলাকায় চুরির প্রস্তুতিকালে ওই দুই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, আটক দুই নারীর বিরুদ্ধে মডেল থানায় চারটি চুরির মামলা রয়েছে। এ ছাড়া অন্য থানায় আরও বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। তাঁরা পেশাদার চোর।
জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) মো. লুৎফুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে ওই দুই নারী জানায়-তাঁরা বাসা-বাড়ি থেকে ভাঙারি সংগ্রহের নাম করে আগে খোঁজ খবর নিয়ে রাখতেন। সেসব বাসা ছাড়াও অন্য যেকোনো বাসা তালাবদ্ধ অবস্থায় পেলেই খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে তাঁরা তালা ভেঙে টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যেতেন।
একটি বাসায় তালা ভেঙে চুরি করতে সর্বোচ্চ ২০-৩০ মিনিট নেন তাঁরা। এ ছাড়া চুরি করার সময় আরও বিভিন্ন ধরনের অভিনব কায়দা ব্যবহার করে থাকেন।
তিনি আরও জানান, বিকেলে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এদিকে চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

নেত্রকোনায় পুরোনো মালামাল সংগ্রহের নামে বাসা-বাড়িতে চুরির অভিযোগে দুই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার ভোরে জেলা শহরের জয়নগর এলাকা থেকে অপর একটি চুরির প্রস্তুতিকালে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বিকেলে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন জেলা সদরের আমলী কেশবপুর গ্রামের মামুন মিয়া স্ত্রী নার্গিস আক্তার পাখি (২৩) একই গ্রামের এমদাদুল হকের স্ত্রী তানজিলা আক্তার (২২)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা শহরের নাগড়া এলাকার কাপড় ব্যবসায়ী মিতালী দে’র বাসায় গত ২২ অক্টোবর বিকেলে চুরি হয়। এদিন দুপুরে তিনি বাসায় তালা দিয়ে দুই মেয়েকে নিয়ে মন্দিরে যান। বিকেলে এসে দেখেন ঘরের তালা ভেঙে নগদ আড়াই লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে চোর।
এ ঘটনায় পরদিন মডেল থানায় মামলা করেন মিতালী দে। মামলার পর মালামাল উদ্ধার ও আসামি গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ শুক্রবার ভোরে শহরের জয়নগর এলাকায় চুরির প্রস্তুতিকালে ওই দুই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, আটক দুই নারীর বিরুদ্ধে মডেল থানায় চারটি চুরির মামলা রয়েছে। এ ছাড়া অন্য থানায় আরও বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। তাঁরা পেশাদার চোর।
জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) মো. লুৎফুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে ওই দুই নারী জানায়-তাঁরা বাসা-বাড়ি থেকে ভাঙারি সংগ্রহের নাম করে আগে খোঁজ খবর নিয়ে রাখতেন। সেসব বাসা ছাড়াও অন্য যেকোনো বাসা তালাবদ্ধ অবস্থায় পেলেই খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে তাঁরা তালা ভেঙে টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যেতেন।
একটি বাসায় তালা ভেঙে চুরি করতে সর্বোচ্চ ২০-৩০ মিনিট নেন তাঁরা। এ ছাড়া চুরি করার সময় আরও বিভিন্ন ধরনের অভিনব কায়দা ব্যবহার করে থাকেন।
তিনি আরও জানান, বিকেলে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এদিকে চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৪ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৫ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে