প্রতিনিধি, শ্রীবরদী, শেরপুর

শেরপুর শ্রীবরদী উপজেলার সদর ইউনিয়নের একটি গ্রামে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থী ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই শিশু তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
শিশু ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পুরান শ্রীবরদী গ্রামের মৃত সাদু মিয়ার ছেলে আ. হাকিম ওরফে ভূসি (৫০) এর বিরুদ্ধে। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকেই ভূসি পলাতক রয়েছে বলা জানা যায়। এ ঘটনায় অন্তঃসত্ত্বা শিক্ষার্থীর পিতা বাদী হয়ে শ্রীবরদী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, আ. হাকিম ওরফে ভুসি ভুক্তভোগী শিশুটির প্রতিবেশী এবং সম্পর্কে জেঠা। গেল মার্চ মাসে আ. হাকিম ওরফে ভূসি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে কৌশলে তাঁর বাড়িতে ডেকে নেন। বাসায় নিয়ে কোমল পানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তা শিশুটিকে পান করিয়ে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের ফলে ওই শিশু অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। তাঁর মা গত ৭ সেপ্টেম্বর ওই শিশুটিকে জিজ্ঞাসা করলে বিষয়টি জানাজানি হয়।
পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য আ. হাকিম ওরফে ভূসি ও তাঁর ভাই ফারুক মিয়া, আব্বাস মিয়াসহ স্থানীয় প্রভাবশালীরা ওই শিশুর বাবা-মাকে চাপ সৃষ্টি করেন।
এ দিকে অভিযোগ স্বীকার করেন ফারুক মিয়া বলেন, `আমার ভাই দোষ করেছে। আমি চাই আমার ভাইয়ের উপযুক্ত শাস্তি হোক।'
এ ব্যাপারে শ্রীবরদী থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, এ ঘটনায় ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে আ. হাকিম ওরফে ভূসিকে প্রধান করে, আরও দুজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জনকে আসামি করে শ্রীবরদী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
তিনি আরও জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত আছে। দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করা হবে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে জেলা সদর হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

শেরপুর শ্রীবরদী উপজেলার সদর ইউনিয়নের একটি গ্রামে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থী ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই শিশু তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
শিশু ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পুরান শ্রীবরদী গ্রামের মৃত সাদু মিয়ার ছেলে আ. হাকিম ওরফে ভূসি (৫০) এর বিরুদ্ধে। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকেই ভূসি পলাতক রয়েছে বলা জানা যায়। এ ঘটনায় অন্তঃসত্ত্বা শিক্ষার্থীর পিতা বাদী হয়ে শ্রীবরদী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, আ. হাকিম ওরফে ভুসি ভুক্তভোগী শিশুটির প্রতিবেশী এবং সম্পর্কে জেঠা। গেল মার্চ মাসে আ. হাকিম ওরফে ভূসি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে কৌশলে তাঁর বাড়িতে ডেকে নেন। বাসায় নিয়ে কোমল পানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তা শিশুটিকে পান করিয়ে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের ফলে ওই শিশু অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। তাঁর মা গত ৭ সেপ্টেম্বর ওই শিশুটিকে জিজ্ঞাসা করলে বিষয়টি জানাজানি হয়।
পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য আ. হাকিম ওরফে ভূসি ও তাঁর ভাই ফারুক মিয়া, আব্বাস মিয়াসহ স্থানীয় প্রভাবশালীরা ওই শিশুর বাবা-মাকে চাপ সৃষ্টি করেন।
এ দিকে অভিযোগ স্বীকার করেন ফারুক মিয়া বলেন, `আমার ভাই দোষ করেছে। আমি চাই আমার ভাইয়ের উপযুক্ত শাস্তি হোক।'
এ ব্যাপারে শ্রীবরদী থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, এ ঘটনায় ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে আ. হাকিম ওরফে ভূসিকে প্রধান করে, আরও দুজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জনকে আসামি করে শ্রীবরদী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
তিনি আরও জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত আছে। দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করা হবে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে জেলা সদর হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫