বারহাট্টা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

নেত্রকোনার বারহাট্টায় অস্ত্রোপচারের সময় মারা যাওয়া সেই প্রসূতি শরিফা আক্তার (২২) ও তাঁর নবজাতকের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করেছে পুলিশ। আদালতের আদেশে বারহাট্টার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা চৌধুরীর উপস্থিতিতে আজ রোববার দুপুরের দিকে মরদেহ দুটি কবর থেকে তোলা হয়।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বারহাট্টা সার্কেল) সাইদুর রহমান, বারহাট্টা থানার ওসি মুহাম্মদ লুৎফুল হক, সিংধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসিম উদ্দিন তালুকদারসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, মৃত শরিফা আক্তার চন্দ্রপুর গ্রামের হাইছ উদ্দিনের মেয়ে। গত বছর সুনামগঞ্জের তাহেরপুর উপজেলার লামাগাঁও গ্রামের আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে মো. মহসিনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। সন্তান প্রসবের সময় এগিয়ে আসায় কিছুদিন আগে তিনি তাঁর বাবার বাড়িতে আসেন। গত বুধবার দুপুরের দিকে সন্তান প্রসবকালে তাঁর মৃত্যু হয়। একই সময়ে তাঁর নবজাতকও মারা যায়। তাদের মরদেহ চন্দ্রপুর গ্রামে দাফন করা হয়।
অভিযোগ ওঠে যে, আবুল কাশেম একজন পশু চিকিৎসক। পশু চিকিৎসার পাশাপাশি তিনি ৩০ বছর ধরে মানুষেরও চিকিৎসা করতেন। তাই আবুল কাশেমের ভুল চিকিৎসায় ওই দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
জানা গেছে, প্রসবে সমস্যা হওয়ায় ওই পশু চিকিৎসক এপিসিওটমি করেন। এপিসিওটমি হলো যোনি এবং পায়ুপথের মধ্যবর্তী অংশ কেটে প্রসব সহজ করা। এতে ওই নারীর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। রক্তক্ষরণেই মারা যান তিনি। নবজাতকও মারা যায়।
এ ব্যাপারে মারা যাওয়া শরিফা আক্তারের স্বামী মহসিন মিয়া বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে আবুল কাশেমকে (৬২) একমাত্র আসামি করে বারহাট্টা থানায় মামলা দায়ের করেন। এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ওই প্রসূতি ও নবজাতকের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের আদেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামি আবুল কাশেম একজন পল্লি চিকিৎসক। তিনি পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকা সত্ত্বেও শরিফাকে অ্যান্টিবায়োটিকসহ বিভিন্ন প্রকার ইনজেকশন দেন ও স্যালাইন পুশ করেন। ভুল চিকিৎসা ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে।

নেত্রকোনার বারহাট্টায় অস্ত্রোপচারের সময় মারা যাওয়া সেই প্রসূতি শরিফা আক্তার (২২) ও তাঁর নবজাতকের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করেছে পুলিশ। আদালতের আদেশে বারহাট্টার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা চৌধুরীর উপস্থিতিতে আজ রোববার দুপুরের দিকে মরদেহ দুটি কবর থেকে তোলা হয়।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বারহাট্টা সার্কেল) সাইদুর রহমান, বারহাট্টা থানার ওসি মুহাম্মদ লুৎফুল হক, সিংধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসিম উদ্দিন তালুকদারসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, মৃত শরিফা আক্তার চন্দ্রপুর গ্রামের হাইছ উদ্দিনের মেয়ে। গত বছর সুনামগঞ্জের তাহেরপুর উপজেলার লামাগাঁও গ্রামের আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে মো. মহসিনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। সন্তান প্রসবের সময় এগিয়ে আসায় কিছুদিন আগে তিনি তাঁর বাবার বাড়িতে আসেন। গত বুধবার দুপুরের দিকে সন্তান প্রসবকালে তাঁর মৃত্যু হয়। একই সময়ে তাঁর নবজাতকও মারা যায়। তাদের মরদেহ চন্দ্রপুর গ্রামে দাফন করা হয়।
অভিযোগ ওঠে যে, আবুল কাশেম একজন পশু চিকিৎসক। পশু চিকিৎসার পাশাপাশি তিনি ৩০ বছর ধরে মানুষেরও চিকিৎসা করতেন। তাই আবুল কাশেমের ভুল চিকিৎসায় ওই দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
জানা গেছে, প্রসবে সমস্যা হওয়ায় ওই পশু চিকিৎসক এপিসিওটমি করেন। এপিসিওটমি হলো যোনি এবং পায়ুপথের মধ্যবর্তী অংশ কেটে প্রসব সহজ করা। এতে ওই নারীর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। রক্তক্ষরণেই মারা যান তিনি। নবজাতকও মারা যায়।
এ ব্যাপারে মারা যাওয়া শরিফা আক্তারের স্বামী মহসিন মিয়া বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে আবুল কাশেমকে (৬২) একমাত্র আসামি করে বারহাট্টা থানায় মামলা দায়ের করেন। এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ওই প্রসূতি ও নবজাতকের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের আদেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামি আবুল কাশেম একজন পল্লি চিকিৎসক। তিনি পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকা সত্ত্বেও শরিফাকে অ্যান্টিবায়োটিকসহ বিভিন্ন প্রকার ইনজেকশন দেন ও স্যালাইন পুশ করেন। ভুল চিকিৎসা ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৮ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৯ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২২ দিন আগে