আজকের পত্রিকা ডেস্ক

নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম ও দক্ষিণ এশীয় মেয়র হিসেবে শপথ নেওয়ার পর জোহরান মামদানির হাতে লেখা একটি চিঠি নতুন করে আলোচনায় এনেছে ভারতের কারাবন্দী ছাত্রনেতা ও অধিকারকর্মী উমর খালিদের দীর্ঘ বন্দিত্বের বিষয়টি। মামদানির এই চিঠি প্রকাশ্যে এসেছে খালিদের এক সঙ্গীর মাধ্যমে। চিঠিটি নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী আইন মুসলিম ও ভিন্নমতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে ব্যবহারের বিষয়টিকে নতুন করে সামনে এনেছে।
চিঠিতে মামদানি লিখেছেন, ‘প্রিয় উমর, তিক্ততা নিয়ে তোমার কথাগুলো আমি প্রায়ই ভাবি—কীভাবে এগুলোকে আমার মনকে গ্রাস করতে দেওয়া না যায়। তোমার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করে ভালো লেগেছে। আমরা সবাই তোমার কথা ভাবছি।’
সংক্ষিপ্ত, তারিখবিহীন ওই চিঠিটি গত ডিসেম্বরের শুরুতে পাঠানো হয়, যখন যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাওয়া খালিদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন মামদানি। ফলে চিঠিটি আর নিছক ব্যক্তিগত যোগাযোগে সীমাবদ্ধ থাকেনি।
উমর খালিদ প্রায় পাঁচ বছর ধরে বিচার ছাড়াই ভারতে কারাবন্দী। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় দিল্লির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সংঘটিত সাম্প্রদায়িক সহিংসতার পেছনে ‘বৃহত্তর ষড়যন্ত্রে’ জড়িত থাকার অভিযোগে। তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হয় ভারতের কড়া সন্ত্রাসবিরোধী আইন—যার অধীনে দীর্ঘদিন ধরে কাউকে জামিন ছাড়া আটক রাখা সহজ এবং জামিন পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। খালিদ তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তবে ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) বিরোধী আন্দোলনের সময় রাষ্ট্রীয় দমননীতির প্রতীক হয়ে উঠেছে তাঁর মামলাটি।
তুরস্কের সংবাদমাধ্যম টিআরটি জানিয়েছে—সম্প্রতি মামদানির চিঠি আলোচনায় আসার পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের ৮ কংগ্রেস সদস্য ভারতের ওয়াশিংটনস্থ রাষ্ট্রদূতকে চিঠি দিয়ে উমর খালিদের জন্য দ্রুত ও ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়—প্রায় পাঁচ বছর ধরে বিচার ছাড়াই কারাবন্দী রাখা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। ডেমোক্র্যাট দলের শীর্ষ নেতাদের স্বাক্ষরিত এই উদ্যোগ খালিদের মামলাকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কাঠামোর ভেতরে এনে দাঁড় করিয়েছে।
জানা যায়, ২০১৯ সালের শেষ দিকে ভারতে সিএএ আইন পাসের পর দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দিল্লিতে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ঘটে। এতে নিহত ৫৩ জনের অধিকাংশই মুসলিম। সমালোচকদের মতে, প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের বদলে সরকার আন্দোলনের মুখপাত্র ছাত্র ও অধিকারকর্মীদের গ্রেপ্তার করেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরেই উমর খালিদের মুক্তির দাবি জানিয়ে আসছে, তাদের ভাষায়—এই আটক ভিন্নমতকে অপরাধে পরিণত করারই আরেক নাম।

নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম ও দক্ষিণ এশীয় মেয়র হিসেবে শপথ নেওয়ার পর জোহরান মামদানির হাতে লেখা একটি চিঠি নতুন করে আলোচনায় এনেছে ভারতের কারাবন্দী ছাত্রনেতা ও অধিকারকর্মী উমর খালিদের দীর্ঘ বন্দিত্বের বিষয়টি। মামদানির এই চিঠি প্রকাশ্যে এসেছে খালিদের এক সঙ্গীর মাধ্যমে। চিঠিটি নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী আইন মুসলিম ও ভিন্নমতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে ব্যবহারের বিষয়টিকে নতুন করে সামনে এনেছে।
চিঠিতে মামদানি লিখেছেন, ‘প্রিয় উমর, তিক্ততা নিয়ে তোমার কথাগুলো আমি প্রায়ই ভাবি—কীভাবে এগুলোকে আমার মনকে গ্রাস করতে দেওয়া না যায়। তোমার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করে ভালো লেগেছে। আমরা সবাই তোমার কথা ভাবছি।’
সংক্ষিপ্ত, তারিখবিহীন ওই চিঠিটি গত ডিসেম্বরের শুরুতে পাঠানো হয়, যখন যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাওয়া খালিদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন মামদানি। ফলে চিঠিটি আর নিছক ব্যক্তিগত যোগাযোগে সীমাবদ্ধ থাকেনি।
উমর খালিদ প্রায় পাঁচ বছর ধরে বিচার ছাড়াই ভারতে কারাবন্দী। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় দিল্লির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সংঘটিত সাম্প্রদায়িক সহিংসতার পেছনে ‘বৃহত্তর ষড়যন্ত্রে’ জড়িত থাকার অভিযোগে। তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হয় ভারতের কড়া সন্ত্রাসবিরোধী আইন—যার অধীনে দীর্ঘদিন ধরে কাউকে জামিন ছাড়া আটক রাখা সহজ এবং জামিন পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। খালিদ তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তবে ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) বিরোধী আন্দোলনের সময় রাষ্ট্রীয় দমননীতির প্রতীক হয়ে উঠেছে তাঁর মামলাটি।
তুরস্কের সংবাদমাধ্যম টিআরটি জানিয়েছে—সম্প্রতি মামদানির চিঠি আলোচনায় আসার পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের ৮ কংগ্রেস সদস্য ভারতের ওয়াশিংটনস্থ রাষ্ট্রদূতকে চিঠি দিয়ে উমর খালিদের জন্য দ্রুত ও ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়—প্রায় পাঁচ বছর ধরে বিচার ছাড়াই কারাবন্দী রাখা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। ডেমোক্র্যাট দলের শীর্ষ নেতাদের স্বাক্ষরিত এই উদ্যোগ খালিদের মামলাকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কাঠামোর ভেতরে এনে দাঁড় করিয়েছে।
জানা যায়, ২০১৯ সালের শেষ দিকে ভারতে সিএএ আইন পাসের পর দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দিল্লিতে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ঘটে। এতে নিহত ৫৩ জনের অধিকাংশই মুসলিম। সমালোচকদের মতে, প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের বদলে সরকার আন্দোলনের মুখপাত্র ছাত্র ও অধিকারকর্মীদের গ্রেপ্তার করেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরেই উমর খালিদের মুক্তির দাবি জানিয়ে আসছে, তাদের ভাষায়—এই আটক ভিন্নমতকে অপরাধে পরিণত করারই আরেক নাম।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১১ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৪ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১৬ দিন আগে