ঢাবি প্রতিনিধি

মধ্যরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পেশাদার আলোকচিত্রী সঙ্গে নিয়ে ছবি তুলছিলেন বেসরকারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের এক ছাত্রী। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্যসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী জিম নাজমুল এসে ছবি তোলার অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চান। এ নিয়ে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে চড়-থাপ্পড় মারা ঘটনা ঘটে।
গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী আজকের পত্রিকাকে জানান, রাজু ভাস্কর্যের পাশে একজন তরুণীকে মারধর করতে দেখেছেন তাঁরা। ওই তরুণীর মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়। কাছে গিয়ে তাঁরা জানতে পারেন, ওই তরুণী তাঁর দুই বন্ধুকে নিয়ে ছবি তুলতে এসেছেন। পরে প্রক্টরিয়াল মোবাইল টিমের সদস্যরা এসে তাঁর মোবাইল ফেরত দেয়।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে জিম নাজমুল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি ঢাকা মেডিকেলের ওইদিক থেকে বন্ধুবান্ধব নিয়ে ঘুরে ক্যাম্পাসে এলে দেখি রাজু ভাস্কর্যের পাশে ছবি তুলতেছিলেন ওই মেয়েটি। তখন আমি বলি, আপনি কি অনুমতি নিয়ে ছবি তুলছেন? তখন মেয়েটি আমাকে প্রশ্ন করে, আপনি কে! আমি ক্যাম্পাসের বলে পরিচয় দিই। তখন মেয়েটি আমাকে বলে, এ ক্যাম্পাস আমার বাবার টাকা দিয়ে কিনতে পারব। তখন আমি বলি, কথাগুলো আপনি ক্যামেরার সামনে বলুন। তখন উনি আমাকে “দুই টাকার ফোন নিয়ে বাহাদুরি করিস না” বলে তেড়ে এসে চড়-থাপ্পড় মারেন। পরে কথা-কাটাকাটি হয়।’
অভিযোগের বিষয়ে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী বলেন, ‘আমি পুরো ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে বলেছি। আইনি ব্যবস্থা নিলে বিশ্ববিদ্যালয় সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। ভুক্তভোগী (ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী) যদি আইনি সহায়তা চায় তাহলে আমরা যথাযথ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করব।’

মধ্যরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পেশাদার আলোকচিত্রী সঙ্গে নিয়ে ছবি তুলছিলেন বেসরকারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের এক ছাত্রী। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্যসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী জিম নাজমুল এসে ছবি তোলার অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চান। এ নিয়ে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে চড়-থাপ্পড় মারা ঘটনা ঘটে।
গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী আজকের পত্রিকাকে জানান, রাজু ভাস্কর্যের পাশে একজন তরুণীকে মারধর করতে দেখেছেন তাঁরা। ওই তরুণীর মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়। কাছে গিয়ে তাঁরা জানতে পারেন, ওই তরুণী তাঁর দুই বন্ধুকে নিয়ে ছবি তুলতে এসেছেন। পরে প্রক্টরিয়াল মোবাইল টিমের সদস্যরা এসে তাঁর মোবাইল ফেরত দেয়।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে জিম নাজমুল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি ঢাকা মেডিকেলের ওইদিক থেকে বন্ধুবান্ধব নিয়ে ঘুরে ক্যাম্পাসে এলে দেখি রাজু ভাস্কর্যের পাশে ছবি তুলতেছিলেন ওই মেয়েটি। তখন আমি বলি, আপনি কি অনুমতি নিয়ে ছবি তুলছেন? তখন মেয়েটি আমাকে প্রশ্ন করে, আপনি কে! আমি ক্যাম্পাসের বলে পরিচয় দিই। তখন মেয়েটি আমাকে বলে, এ ক্যাম্পাস আমার বাবার টাকা দিয়ে কিনতে পারব। তখন আমি বলি, কথাগুলো আপনি ক্যামেরার সামনে বলুন। তখন উনি আমাকে “দুই টাকার ফোন নিয়ে বাহাদুরি করিস না” বলে তেড়ে এসে চড়-থাপ্পড় মারেন। পরে কথা-কাটাকাটি হয়।’
অভিযোগের বিষয়ে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী বলেন, ‘আমি পুরো ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে বলেছি। আইনি ব্যবস্থা নিলে বিশ্ববিদ্যালয় সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। ভুক্তভোগী (ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী) যদি আইনি সহায়তা চায় তাহলে আমরা যথাযথ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করব।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৬ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে