ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার কাশতলা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে দুই নারীসহ তিনজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে ঘাটাইল থানার পুলিশ। আজ শনিবার সকাল ১০টার দিকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে চার বছরের এক শিশুকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহতরা হলেন গৃহবধূ সুমী বেগম (২৫), তাঁর শাশুড়ি জমেলা খাতুন (৬০) এবং অজ্ঞাত যুবক (৩০)। এ ঘটনায় সুমীর ছেলে শাফিকে (৪) মুমূর্ষু অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত সুমীর স্বামী জয়েন উদ্দীন সৌদি আরবপ্রবাসী।
নিহত জমেলার আরেক পুত্রবধূ শাহনাজ বেগম জানান, আজ (শনিবার) সকালে তার শাশুড়ি ও জাকে ঘুম থেকে উঠতে দেরি দেখে তিনি ঘরের দরজায় কড়া নাড়েন। ভেতর থেকে তাঁদের কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় তিনি বাড়ির অন্যদের ডেকে আনেন। পরে সবাই মিলে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে খাটের ওপর সুমী ও অজ্ঞাত যুবকের এবং মেঝেতে তাঁর শাশুড়ির রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় তাঁরা সুমীর চার বছরের ছেলে শাফিকে অর্ধমৃত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে ঘাটাইল থানার পুলিশ ও র্যাবের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের পাশে শ্যালো মেশিনের হ্যান্ডেল, রেঞ্জ ও রড পড়ে থাকতে দেখা যায়।
নিহত জমেলা খাতুনের ভাই জামির আলী জানান, সুমীর স্বামী জয়েন উদ্দিন সৌদি আরবে এবং ভাশুর জয়নাল আবেদীন কুয়েতপ্রবাসী। তাঁরা পাশাপাশি দুই বাড়িতে থাকেন। সুমীর স্বামী জয়েন উদ্দিন ছুটিতে দেশে এসে তিন মাস আগে ফিরে যান।
ঘাটাইল থানার ওসি মো. আজহারুল ইসলাম সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হত্যা নাকি আত্মহত্যা, সেটা এখনো জানা যায়নি। তদন্ত করে মূল ঘটনা জানা যাবে।

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার কাশতলা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে দুই নারীসহ তিনজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে ঘাটাইল থানার পুলিশ। আজ শনিবার সকাল ১০টার দিকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে চার বছরের এক শিশুকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহতরা হলেন গৃহবধূ সুমী বেগম (২৫), তাঁর শাশুড়ি জমেলা খাতুন (৬০) এবং অজ্ঞাত যুবক (৩০)। এ ঘটনায় সুমীর ছেলে শাফিকে (৪) মুমূর্ষু অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত সুমীর স্বামী জয়েন উদ্দীন সৌদি আরবপ্রবাসী।
নিহত জমেলার আরেক পুত্রবধূ শাহনাজ বেগম জানান, আজ (শনিবার) সকালে তার শাশুড়ি ও জাকে ঘুম থেকে উঠতে দেরি দেখে তিনি ঘরের দরজায় কড়া নাড়েন। ভেতর থেকে তাঁদের কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় তিনি বাড়ির অন্যদের ডেকে আনেন। পরে সবাই মিলে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে খাটের ওপর সুমী ও অজ্ঞাত যুবকের এবং মেঝেতে তাঁর শাশুড়ির রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় তাঁরা সুমীর চার বছরের ছেলে শাফিকে অর্ধমৃত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে ঘাটাইল থানার পুলিশ ও র্যাবের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের পাশে শ্যালো মেশিনের হ্যান্ডেল, রেঞ্জ ও রড পড়ে থাকতে দেখা যায়।
নিহত জমেলা খাতুনের ভাই জামির আলী জানান, সুমীর স্বামী জয়েন উদ্দিন সৌদি আরবে এবং ভাশুর জয়নাল আবেদীন কুয়েতপ্রবাসী। তাঁরা পাশাপাশি দুই বাড়িতে থাকেন। সুমীর স্বামী জয়েন উদ্দিন ছুটিতে দেশে এসে তিন মাস আগে ফিরে যান।
ঘাটাইল থানার ওসি মো. আজহারুল ইসলাম সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হত্যা নাকি আত্মহত্যা, সেটা এখনো জানা যায়নি। তদন্ত করে মূল ঘটনা জানা যাবে।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত পরিকল্পনাকারী ও তাঁদের...
১ দিন আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১৩ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৪ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৪ দিন আগে