টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় অভিযোগ গঠন পর্যন্ত জামিন পেয়েছেন বাসাইলের সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মঞ্জুর হোসেন। আজ সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইলের জেলা দায়রা ও জজ আদালতের বিচারক শেখ আব্দুল আহাদ শুনানি শেষে জামিন মঞ্জুর করেন।
এর আগে বাসাইলের সাবেক ওই ইউএনও উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর আলী খান।
ইউএনও মঞ্জুর হোসেন রাজবাড়ীর পাংশা থানার চরঝিকড়ী গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ওএসডি হিসেবে সংযুক্ত রয়েছেন।
মঞ্জুর হোসেন টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা থাকা অবস্থায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক গড়েছিলেন। পরবর্তীতে জেলার মির্জাপুর উপজেলার কলেজপড়ুয়া ওই শিক্ষার্থী আদালতে মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তে প্রাথমিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত ২৩ জানুয়ারি (সোমবার) টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আমলি আদালতের বিচারক অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মনিরা সুলতানা তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মঞ্জুর হোসেন ২০২১ সালে বাসাইলে ইউএনও হিসেবে কর্মরত থাকার সময় ফেসবুকের মাধ্যমে মির্জাপুরের এক কলেজছাত্রীর সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মঞ্জুর হোসেন বিভিন্ন সময় ওই কলেজছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন। তাঁকে নিয়ে ভারতে বেড়াতে যান। টাঙ্গাইল শহরে বাসা ভাড়া করে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে তাঁরা একত্রে কয়েক মাস বসবাসও করেন। পরে ওই কলেজছাত্রী বিয়ের জন্য চাপ দিলে মঞ্জুর হোসেন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এ ঘটনায় ২০২২ সালের ২১ জুন ওই কলেজছাত্রী আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন। মামলাটি তদন্ত করে ২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বর পিবিআই আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়।
টাঙ্গাইল আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর আলী খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইউএনও মঞ্জুর হোসেন উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। সোমবার তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। পরে উভয় পক্ষের বিস্তারিত শুনানি শেষে বিচারক ইউএনওর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ৬ মার্চ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন ইউএনও। উচ্চ আদালতের জামিনের মেয়াদ থাকায় বিচারক আজ সোমবার শুনানির ধার্য করেছিলেন।’

টাঙ্গাইলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় অভিযোগ গঠন পর্যন্ত জামিন পেয়েছেন বাসাইলের সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মঞ্জুর হোসেন। আজ সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইলের জেলা দায়রা ও জজ আদালতের বিচারক শেখ আব্দুল আহাদ শুনানি শেষে জামিন মঞ্জুর করেন।
এর আগে বাসাইলের সাবেক ওই ইউএনও উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর আলী খান।
ইউএনও মঞ্জুর হোসেন রাজবাড়ীর পাংশা থানার চরঝিকড়ী গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ওএসডি হিসেবে সংযুক্ত রয়েছেন।
মঞ্জুর হোসেন টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা থাকা অবস্থায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক গড়েছিলেন। পরবর্তীতে জেলার মির্জাপুর উপজেলার কলেজপড়ুয়া ওই শিক্ষার্থী আদালতে মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তে প্রাথমিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত ২৩ জানুয়ারি (সোমবার) টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আমলি আদালতের বিচারক অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মনিরা সুলতানা তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মঞ্জুর হোসেন ২০২১ সালে বাসাইলে ইউএনও হিসেবে কর্মরত থাকার সময় ফেসবুকের মাধ্যমে মির্জাপুরের এক কলেজছাত্রীর সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মঞ্জুর হোসেন বিভিন্ন সময় ওই কলেজছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন। তাঁকে নিয়ে ভারতে বেড়াতে যান। টাঙ্গাইল শহরে বাসা ভাড়া করে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে তাঁরা একত্রে কয়েক মাস বসবাসও করেন। পরে ওই কলেজছাত্রী বিয়ের জন্য চাপ দিলে মঞ্জুর হোসেন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এ ঘটনায় ২০২২ সালের ২১ জুন ওই কলেজছাত্রী আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন। মামলাটি তদন্ত করে ২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বর পিবিআই আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়।
টাঙ্গাইল আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর আলী খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইউএনও মঞ্জুর হোসেন উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। সোমবার তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। পরে উভয় পক্ষের বিস্তারিত শুনানি শেষে বিচারক ইউএনওর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ৬ মার্চ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন ইউএনও। উচ্চ আদালতের জামিনের মেয়াদ থাকায় বিচারক আজ সোমবার শুনানির ধার্য করেছিলেন।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫