টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের দেওলা এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে রিনা আক্তার মায়া নামে এক কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকালে ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে তাঁর মেয়ের জামাতা ওয়াহেদুল ইসলাম প্রান্তর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এর আগে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত রিনা আক্তার সরকারি কুমুদিনী কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ও কালিহাতী উপজেলা মহেলা গ্রামের হাবিল উদ্দিনের মেয়ে।
অভিযুক্ত ওয়াহেদুল ইসলাম প্রান্ত শহরের বিশ্বাস বেতকা মুন্সিপাড়া এলাকার সামাল খানের ছেলে।
মৃতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত দেড় বছর আগে প্রান্তর সঙ্গে রিনার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই প্রান্ত তাকে শারীরিক ও মানুষিকভাবে নির্যাতন করত। এ নিয়ে রিনার বাবা হাবিল উদ্দিন প্রান্তর বাবার কাছে অভিযোগ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রান্ত দেওলার ভাড়া বাসায় চলে যায়।
মৃতের বাবা হাবিল উদ্দিন বলেন, বাসায় অন্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে রিনার ওপর চড়াও হন প্রান্ত। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে মায়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এরপর মায়ার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে ডাকচিৎকার করে প্রান্ত। পরে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দিলে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে প্রান্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
হাবিল উদ্দিন আরও বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
অভিযুক্ত প্রান্তর বাবা সামাল খান বলেন, স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার একপর্যায়ে রিনা গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। আমার ছেলে প্রান্তকে অহেতুক দোষারোপ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন বলেন, এ ঘটনায় কলেজছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে জামাতাকে আসামি করে হত্যার প্ররোচনা মামলা দায়ের করেছেন। পরে প্রান্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

টাঙ্গাইলের দেওলা এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে রিনা আক্তার মায়া নামে এক কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকালে ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে তাঁর মেয়ের জামাতা ওয়াহেদুল ইসলাম প্রান্তর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এর আগে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত রিনা আক্তার সরকারি কুমুদিনী কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ও কালিহাতী উপজেলা মহেলা গ্রামের হাবিল উদ্দিনের মেয়ে।
অভিযুক্ত ওয়াহেদুল ইসলাম প্রান্ত শহরের বিশ্বাস বেতকা মুন্সিপাড়া এলাকার সামাল খানের ছেলে।
মৃতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত দেড় বছর আগে প্রান্তর সঙ্গে রিনার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই প্রান্ত তাকে শারীরিক ও মানুষিকভাবে নির্যাতন করত। এ নিয়ে রিনার বাবা হাবিল উদ্দিন প্রান্তর বাবার কাছে অভিযোগ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রান্ত দেওলার ভাড়া বাসায় চলে যায়।
মৃতের বাবা হাবিল উদ্দিন বলেন, বাসায় অন্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে রিনার ওপর চড়াও হন প্রান্ত। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে মায়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এরপর মায়ার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে ডাকচিৎকার করে প্রান্ত। পরে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দিলে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে প্রান্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
হাবিল উদ্দিন আরও বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
অভিযুক্ত প্রান্তর বাবা সামাল খান বলেন, স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার একপর্যায়ে রিনা গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। আমার ছেলে প্রান্তকে অহেতুক দোষারোপ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন বলেন, এ ঘটনায় কলেজছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে জামাতাকে আসামি করে হত্যার প্ররোচনা মামলা দায়ের করেছেন। পরে প্রান্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫