শরীয়তপুর প্রতিনিধি

শরীয়তপুরে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি কলেজের শিক্ষককে মারধর ও লাঞ্ছিত করার ঘটনার তিন দিন মামলা হয়েছে।
আজ শনিবার কলেজের অধ্যক্ষ মো. হারুন অর রশিদ বাদী হয়ে সরকারি কাজে বাধা ও শিক্ষককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ এনে পালং মডেল থানায় মামলাটি করেন।
মামলায় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি সোহাগ ব্যাপারী (৩৭) এবং সাধারণ সম্পাদক রাসেল সমাদ্দারের (২৮) নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২০ / ২৫ জন আসামি করা হয়েছে।
এ ছাড়া তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার কলেজে একটি মৌখিক পরীক্ষা চলাকালে বাংলা বিভাগের ৩০২ নং কক্ষে প্রবেশ করে সরকারি কাজে বাধা দেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহাগ ব্যাপারী, সাধারণ সম্পাদক রাসেল সমাদ্দার ও তাঁর সমর্থকেরা। প্রতিবাদ করায় ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা বাংলা বিভাগের প্রভাষক বিএম সোহেলকে কিল, ঘুষি, লাথি মারে। পরে উপস্থিত শিক্ষকেরা এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়।
বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক পরিষদের সভা শেষে বুধবার রাতেই মামলা করার কথা জানায় কলেজ কর্তৃপক্ষ। রাতেই মামলার এজাহার পালং মডেল থানায় জমা দিলেও মামলা রেকর্ড করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন কলেজশিক্ষকেরা।
বিষয়টি নিয়ে আজকের পত্রিকাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর আজ থানায় মামলাটি রেকর্ড করে পালং মডেল থানা-পুলিশ।
ঘটনা তদন্ত করতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. আবু রুশো মোহাম্মদ তোয়াব হোসেনকে আহ্বায়ক করে গঠিত তদন্ত কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
এদিকে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় ছাত্রলীগ সভাপতি সোহাগ ব্যাপারীসহ জড়িতদের আইনের আওতায় আনা ও শিক্ষক শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন ও সংহতি সমাবেশ করেছেন কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধন ও সংহতি সমাবেশের পর জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
মামলার বিষয়ে পালং মডেল থানার ওসি আকতার হোসেন বলেন, ‘ছাত্রলীগ কর্মীদের হাতে কলেজশিক্ষক লাঞ্ছিতের ঘটনায় সকালে একটি মামলা করা হয়েছে। মামলায় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহাগ ব্যাপারী এবং কলেজ শাখার সেক্রেটারি রাসেল সমাদ্দারকে মূল আসামি এবং অজ্ঞাত ২০ / ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। শিগগিরই আসামিদের আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।’
এ বিষয়ে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘ঘটনার দিন রাতেই থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। আজ সকালে মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।’
অভিযুক্তদের ছাত্রত্ব বাতিল করা হবে কি না, জানতে চাইলে অধ্যক্ষ বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযুক্ত ছাত্রদের বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে। আমরা বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছি। শিগগিরই তথ্যগুলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়ে দেব। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।’
উল্লেখ্য, শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার ঘটনার রাতেই কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে জেলা ছাত্রলীগ।

শরীয়তপুরে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি কলেজের শিক্ষককে মারধর ও লাঞ্ছিত করার ঘটনার তিন দিন মামলা হয়েছে।
আজ শনিবার কলেজের অধ্যক্ষ মো. হারুন অর রশিদ বাদী হয়ে সরকারি কাজে বাধা ও শিক্ষককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ এনে পালং মডেল থানায় মামলাটি করেন।
মামলায় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি সোহাগ ব্যাপারী (৩৭) এবং সাধারণ সম্পাদক রাসেল সমাদ্দারের (২৮) নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২০ / ২৫ জন আসামি করা হয়েছে।
এ ছাড়া তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার কলেজে একটি মৌখিক পরীক্ষা চলাকালে বাংলা বিভাগের ৩০২ নং কক্ষে প্রবেশ করে সরকারি কাজে বাধা দেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহাগ ব্যাপারী, সাধারণ সম্পাদক রাসেল সমাদ্দার ও তাঁর সমর্থকেরা। প্রতিবাদ করায় ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা বাংলা বিভাগের প্রভাষক বিএম সোহেলকে কিল, ঘুষি, লাথি মারে। পরে উপস্থিত শিক্ষকেরা এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়।
বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক পরিষদের সভা শেষে বুধবার রাতেই মামলা করার কথা জানায় কলেজ কর্তৃপক্ষ। রাতেই মামলার এজাহার পালং মডেল থানায় জমা দিলেও মামলা রেকর্ড করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন কলেজশিক্ষকেরা।
বিষয়টি নিয়ে আজকের পত্রিকাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর আজ থানায় মামলাটি রেকর্ড করে পালং মডেল থানা-পুলিশ।
ঘটনা তদন্ত করতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. আবু রুশো মোহাম্মদ তোয়াব হোসেনকে আহ্বায়ক করে গঠিত তদন্ত কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
এদিকে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় ছাত্রলীগ সভাপতি সোহাগ ব্যাপারীসহ জড়িতদের আইনের আওতায় আনা ও শিক্ষক শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন ও সংহতি সমাবেশ করেছেন কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধন ও সংহতি সমাবেশের পর জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
মামলার বিষয়ে পালং মডেল থানার ওসি আকতার হোসেন বলেন, ‘ছাত্রলীগ কর্মীদের হাতে কলেজশিক্ষক লাঞ্ছিতের ঘটনায় সকালে একটি মামলা করা হয়েছে। মামলায় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহাগ ব্যাপারী এবং কলেজ শাখার সেক্রেটারি রাসেল সমাদ্দারকে মূল আসামি এবং অজ্ঞাত ২০ / ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। শিগগিরই আসামিদের আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।’
এ বিষয়ে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘ঘটনার দিন রাতেই থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। আজ সকালে মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।’
অভিযুক্তদের ছাত্রত্ব বাতিল করা হবে কি না, জানতে চাইলে অধ্যক্ষ বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযুক্ত ছাত্রদের বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে। আমরা বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছি। শিগগিরই তথ্যগুলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়ে দেব। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।’
উল্লেখ্য, শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার ঘটনার রাতেই কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে জেলা ছাত্রলীগ।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫