নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার তানভির আহসান পায়েল ও তাঁর স্ত্রী নাহিদ জাহান আঁখিকে একদিনের রিমান্ডে পেয়েছ পুলিশ। আজ রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সাঈদ এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
ঢাকার আদালতে সংশ্লিষ্ট সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা এসআই মকবুলুর রহমান রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে জানান, গত ১৫ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানান। দিন ওই দিন আদালত রিমান্ডের আবেদন শুনানির জন্য রোববার (১৮ জুলাই) দিন ধার্য করেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ৬ জুলাই এই মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। আগের দিন শিশু গৃহকর্মী সুইট বাবা শাহবাগ থানায় মামলা করেন।
প্রায় প্রতিদিনই নানা অজুহাতে গৃহকর্তা ও গৃহকর্ত্রী শিশুটিকে মারধর করতেন। নির্যাতনে মেয়েটির শরীরে জখমের চিহ্নসহ কিছু ছবি ৩ জুলাই রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে দেন এক প্রতিবেশী। সেসব ছবিতে মেয়েটির চোখের নিচে আঘাতের চিহ্ন, শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম এবং আগুনে পোড়া ঘা দেখা যায়। একজন সংবাদকর্মী বিষয়টি পুলিশকে জানান। আরও একজন জরুরি সেবার নম্বর ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাটি দেখার জন্য শাহবাগ ও রমনা থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। এই নির্দেশের শাহবাগ থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে তাঁদের একটি দল ওই দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে তোপখানা রোডের বাসায় গিয়ে ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে এবং শিশুটিকে উদ্ধার করে।
৪ জুলাই ওই দম্পতিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
উল্লেখ্য, গ্রেপ্তার তানভির আহসান একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন। আর তাঁর স্ত্রী নাহিদ ঢাকার আদালতের আইনজীবী। নির্যাতনের শিকার শিশুটির বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন থানার নবাবপুর গ্রামে। নয় মাস ধরে সে সেগুনবাগিচায় ওই দম্পতির বাসায় কাজ করছিল।

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার তানভির আহসান পায়েল ও তাঁর স্ত্রী নাহিদ জাহান আঁখিকে একদিনের রিমান্ডে পেয়েছ পুলিশ। আজ রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সাঈদ এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
ঢাকার আদালতে সংশ্লিষ্ট সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা এসআই মকবুলুর রহমান রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে জানান, গত ১৫ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানান। দিন ওই দিন আদালত রিমান্ডের আবেদন শুনানির জন্য রোববার (১৮ জুলাই) দিন ধার্য করেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ৬ জুলাই এই মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। আগের দিন শিশু গৃহকর্মী সুইট বাবা শাহবাগ থানায় মামলা করেন।
প্রায় প্রতিদিনই নানা অজুহাতে গৃহকর্তা ও গৃহকর্ত্রী শিশুটিকে মারধর করতেন। নির্যাতনে মেয়েটির শরীরে জখমের চিহ্নসহ কিছু ছবি ৩ জুলাই রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে দেন এক প্রতিবেশী। সেসব ছবিতে মেয়েটির চোখের নিচে আঘাতের চিহ্ন, শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম এবং আগুনে পোড়া ঘা দেখা যায়। একজন সংবাদকর্মী বিষয়টি পুলিশকে জানান। আরও একজন জরুরি সেবার নম্বর ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাটি দেখার জন্য শাহবাগ ও রমনা থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। এই নির্দেশের শাহবাগ থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে তাঁদের একটি দল ওই দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে তোপখানা রোডের বাসায় গিয়ে ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে এবং শিশুটিকে উদ্ধার করে।
৪ জুলাই ওই দম্পতিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
উল্লেখ্য, গ্রেপ্তার তানভির আহসান একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন। আর তাঁর স্ত্রী নাহিদ ঢাকার আদালতের আইনজীবী। নির্যাতনের শিকার শিশুটির বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন থানার নবাবপুর গ্রামে। নয় মাস ধরে সে সেগুনবাগিচায় ওই দম্পতির বাসায় কাজ করছিল।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২০ দিন আগে