নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর শাহজাহানপুরে আওয়ামী লীগের নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপু হত্যার অন্যতম পরিকল্পনাকারী সুমন শিকদার মুসাকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে মুসাকে নিয়ে ডিবি কার্যালয়ে প্রবেশ করেন গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তারা।
এর আগে বেলা ২টা ৪৩ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-১২২ একটি ফ্লাইটে মুসাকে নিয়ে শাহজালাল বিমানবন্দরে আসে পুলিশের একটি দল।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোয়েন্দা পুলিশের মতিঝিল বিভাগের সহকারী কমিশনার জানিয়েছেন, মুসা সুস্থ আছেন। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
বৃহস্পতিবার ৯টা ৩০ মিনিটের দিকে মুসাকে নিয়ে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট দেশে পৌঁছানোর কথা জানিয়েছিলেন পুলিশ সদর দপ্তরের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোর (এনসিবি) অতিরিক্ত ডিআইজি মহিউল ইসলাম। তিনি জানান, পুলিশের একটি টিম মুসাকে নিয়ে সকালে শাহজালাল বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে তাঁকে বহনকারী ফ্লাইটটি ঢাকার বদলে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সকাল ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে অবতরণ করে। সেখান থেকে দুপুরে ঢাকায় পৌঁছে মুসাকে আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গত ৩ জুন ওমান পুলিশ ও আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল মুসাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ পুলিশকে। মুসাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ডিবির ওয়ারি জোনের একজন এডিসির নেতৃত্বে গত ৫ জুন ওমানে যায় পুলিশের একটি দল। মহিউল বলেন, ‘ওমান পুলিশ ও ইন্টারপোলকে বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে মুসা সম্পর্কে তথ্য দেওয়া ছিল। প্রথমে ইন্টারপোল মুসাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে। পরে ওমান পুলিশের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হয়। তাঁকে ফেরত আনতে আমরা সব প্রক্রিয়াও শেষ করি।’
অতিরিক্ত ডিআইজি মহিউল ইসলাম বলেন, এ মামলার তদন্তে মুসার নাম আসার পর তাঁকে ধরতে ইন্টারপোলের সহযোগিতা চেয়েছিল বাংলাদেশ পুলিশ। বাংলাদেশের হয়ে ইন্টারপোলের সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্ব ছিল পুলিশ সদর দপ্তরের এনসিবি ডেস্কের।
ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অতিরিক্ত আইজিপি এ কে এম হাফিজ আক্তার জানিয়েছিলেন, মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুসাকে আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ড চাওয়া হবে।
মুসাকে ফিরিয়ে আনতে ওমানে যাওয়া পুলিশের দলে ছিলেন—ডিবির মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহিদুর রহমান, অতিরিক্ত উপকমিশনার রফিকুল ইসলাম ও পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফয়েজ উদ্দীন।
প্রসঙ্গত, গত ২৪ মার্চ রাতে শাহজাহানপুর ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের সামনে হেলমেট পরা দুর্বৃত্তরা জাহিদুল ইসলাম টিপুকে লক্ষ্য করে গুলি করে। এতে জাহিদুল ও তাঁর গাড়িচালক মুন্না গুলিবিদ্ধ হন। এ সময় জাহিদুলের গাড়ির পাশে রিকশায় থাকা বদরুন্নেসা কলেজের ছাত্রী প্রীতিও গুলিবিদ্ধ হন। তাঁদের রক্তাক্ত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহিদুল ও প্রীতিকে মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন ২৫ মার্চ দুপুরে জাহিদুল ইসলাম টিপুর স্ত্রী সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফারজানা ইসলাম ডলি বাদী হয়ে শাহজাহানপুর থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

রাজধানীর শাহজাহানপুরে আওয়ামী লীগের নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপু হত্যার অন্যতম পরিকল্পনাকারী সুমন শিকদার মুসাকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে মুসাকে নিয়ে ডিবি কার্যালয়ে প্রবেশ করেন গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তারা।
এর আগে বেলা ২টা ৪৩ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-১২২ একটি ফ্লাইটে মুসাকে নিয়ে শাহজালাল বিমানবন্দরে আসে পুলিশের একটি দল।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোয়েন্দা পুলিশের মতিঝিল বিভাগের সহকারী কমিশনার জানিয়েছেন, মুসা সুস্থ আছেন। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
বৃহস্পতিবার ৯টা ৩০ মিনিটের দিকে মুসাকে নিয়ে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট দেশে পৌঁছানোর কথা জানিয়েছিলেন পুলিশ সদর দপ্তরের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোর (এনসিবি) অতিরিক্ত ডিআইজি মহিউল ইসলাম। তিনি জানান, পুলিশের একটি টিম মুসাকে নিয়ে সকালে শাহজালাল বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে তাঁকে বহনকারী ফ্লাইটটি ঢাকার বদলে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সকাল ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে অবতরণ করে। সেখান থেকে দুপুরে ঢাকায় পৌঁছে মুসাকে আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গত ৩ জুন ওমান পুলিশ ও আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল মুসাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ পুলিশকে। মুসাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ডিবির ওয়ারি জোনের একজন এডিসির নেতৃত্বে গত ৫ জুন ওমানে যায় পুলিশের একটি দল। মহিউল বলেন, ‘ওমান পুলিশ ও ইন্টারপোলকে বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে মুসা সম্পর্কে তথ্য দেওয়া ছিল। প্রথমে ইন্টারপোল মুসাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে। পরে ওমান পুলিশের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হয়। তাঁকে ফেরত আনতে আমরা সব প্রক্রিয়াও শেষ করি।’
অতিরিক্ত ডিআইজি মহিউল ইসলাম বলেন, এ মামলার তদন্তে মুসার নাম আসার পর তাঁকে ধরতে ইন্টারপোলের সহযোগিতা চেয়েছিল বাংলাদেশ পুলিশ। বাংলাদেশের হয়ে ইন্টারপোলের সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্ব ছিল পুলিশ সদর দপ্তরের এনসিবি ডেস্কের।
ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অতিরিক্ত আইজিপি এ কে এম হাফিজ আক্তার জানিয়েছিলেন, মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুসাকে আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ড চাওয়া হবে।
মুসাকে ফিরিয়ে আনতে ওমানে যাওয়া পুলিশের দলে ছিলেন—ডিবির মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহিদুর রহমান, অতিরিক্ত উপকমিশনার রফিকুল ইসলাম ও পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফয়েজ উদ্দীন।
প্রসঙ্গত, গত ২৪ মার্চ রাতে শাহজাহানপুর ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের সামনে হেলমেট পরা দুর্বৃত্তরা জাহিদুল ইসলাম টিপুকে লক্ষ্য করে গুলি করে। এতে জাহিদুল ও তাঁর গাড়িচালক মুন্না গুলিবিদ্ধ হন। এ সময় জাহিদুলের গাড়ির পাশে রিকশায় থাকা বদরুন্নেসা কলেজের ছাত্রী প্রীতিও গুলিবিদ্ধ হন। তাঁদের রক্তাক্ত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহিদুল ও প্রীতিকে মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন ২৫ মার্চ দুপুরে জাহিদুল ইসলাম টিপুর স্ত্রী সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফারজানা ইসলাম ডলি বাদী হয়ে শাহজাহানপুর থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৫ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১০ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২০ দিন আগে