নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অনুমোদনবিহীন নকল আয়ুর্বেদিক ওষুধ ও ওষুধ তৈরির সরঞ্জামসহ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) লালবাগ জোনের কোতোয়ালি জোনাল টিম গত শনিবার (২৩ অক্টোবর) অভিযান চালিয়ে কারখানার মালিক মোহাম্মদ জহিরকে (৪০) গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।
আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) সাইফুর রহমান আজাদ।
এডিসি আজাদ বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মোড়ক ব্যবহার করে নকল ওষুধ তৈরির অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁকে এক দিনের রিমান্ডে আনা হয়। গতকাল সোমবার রিমান্ড শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রিমান্ডে কারখানা মালিক মোহাম্মদ জহিরের বক্তব্যের বরাত দিয়ে এডিসি সাইফুর রহমান বলেন, জহির গোয়েন্দা পুলিশকে জানান, তাঁর কারখানায় সাত থেকে আটটি কোম্পানির নকল ওষুধ তৈরি করা হতো। ইউনানি ওষুধ বাজারজাত করা বিভিন্ন কোম্পানির মাল্টিভিটামিন ও মাল্টি মিনারেল ক্যাপসুল তৈরি করা হতো। প্রতিটি কোম্পানির আলাদা নামের মোড়কের বোতলের ভেতরে একই ক্যাপসুল দিয়ে বাজারে ছাড়া হতো।
সাইফুর রহমান আজাদ আরও বলেন, রিমান্ডে সাত থেকে আটটি প্রতিষ্ঠানের নাম বলেছেন জহির। এসব প্রতিষ্ঠান ইউনানি ওষুধ তৈরি করে বাজারজাত করে। তাদের যে ওষুধ বাজারে বেশি চলে সেগুলোকেই জহিরের কারখানা থেকে নকল করে বাজারে ছাড়া হতো।
তিনি আরও বলেন, এসব ক্যাপসুলের ভেতরে কার্যকরী কোনো উপাদান থাকত না। তারা ইসবগুলের ভুসি ব্যবহার করেছে। এরই মধ্যে ল্যাবে পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছে। জহিরের কাছ থেকে আমরা নতুন কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম পেয়েছি। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে আড়াই হাজার নকল ক্যাপসুল, বিপুল পরিমাণ কৌটা, বিভিন্ন কোম্পানির মোড়ক ও নকল ক্যাপসুল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অনুমোদনবিহীন নকল আয়ুর্বেদিক ওষুধ ও ওষুধ তৈরির সরঞ্জামসহ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) লালবাগ জোনের কোতোয়ালি জোনাল টিম গত শনিবার (২৩ অক্টোবর) অভিযান চালিয়ে কারখানার মালিক মোহাম্মদ জহিরকে (৪০) গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।
আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) সাইফুর রহমান আজাদ।
এডিসি আজাদ বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মোড়ক ব্যবহার করে নকল ওষুধ তৈরির অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁকে এক দিনের রিমান্ডে আনা হয়। গতকাল সোমবার রিমান্ড শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রিমান্ডে কারখানা মালিক মোহাম্মদ জহিরের বক্তব্যের বরাত দিয়ে এডিসি সাইফুর রহমান বলেন, জহির গোয়েন্দা পুলিশকে জানান, তাঁর কারখানায় সাত থেকে আটটি কোম্পানির নকল ওষুধ তৈরি করা হতো। ইউনানি ওষুধ বাজারজাত করা বিভিন্ন কোম্পানির মাল্টিভিটামিন ও মাল্টি মিনারেল ক্যাপসুল তৈরি করা হতো। প্রতিটি কোম্পানির আলাদা নামের মোড়কের বোতলের ভেতরে একই ক্যাপসুল দিয়ে বাজারে ছাড়া হতো।
সাইফুর রহমান আজাদ আরও বলেন, রিমান্ডে সাত থেকে আটটি প্রতিষ্ঠানের নাম বলেছেন জহির। এসব প্রতিষ্ঠান ইউনানি ওষুধ তৈরি করে বাজারজাত করে। তাদের যে ওষুধ বাজারে বেশি চলে সেগুলোকেই জহিরের কারখানা থেকে নকল করে বাজারে ছাড়া হতো।
তিনি আরও বলেন, এসব ক্যাপসুলের ভেতরে কার্যকরী কোনো উপাদান থাকত না। তারা ইসবগুলের ভুসি ব্যবহার করেছে। এরই মধ্যে ল্যাবে পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছে। জহিরের কাছ থেকে আমরা নতুন কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম পেয়েছি। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে আড়াই হাজার নকল ক্যাপসুল, বিপুল পরিমাণ কৌটা, বিভিন্ন কোম্পানির মোড়ক ও নকল ক্যাপসুল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫