প্রতিনিধি, উত্তরা

সাভারের রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মিন্টু চন্দ্র বর্মণের (৩৬) মরদেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধারে যুক্ত হয়েছে র্যাবের ডগ স্কোয়াড। এ ছাড়া ঘটনাস্থলে রয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি দল, ইউনিফর্মে র্যাব সদস্য এবং সাদা পোশাকে র্যাবের গোয়েন্দা দল।
দক্ষিণখানের তালতলার নদ্দাপাড়ার ১৪৫ / ১ নম্বর বাসার সামনের ডোবা ও আশে পাশে সোমবার (৯ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে অভিযান শুরু করে র্যাবের ডগ স্কোয়াড টিম। অভিযানে যুক্ত হওয়া দুটি কুকুর হলো টাইগার ও প্যানথার।
এর আগে রোববার (৮ আগস্ট) রাত থেকে এই এলাকায় অভিযান শুরু করে র্যাবের গোয়েন্দা দল। পরবর্তীতে দুপুর ১টার দিকে যুক্ত হয় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের ডুবুরি দল।
ঘটনাস্থলে আগত র্যাব সদর দপ্তরের ডগ স্কোয়াডের একজন কর্মকর্তারা আজকের পত্রিকাকে বলেন, মিন্টুর মাথা খুঁজতে আমরা নদ্দাপাড়ার রবিউল ইসলামের বোনের ভাড়া বাসার সামনে ডোবার আশপাশ এলাকায় প্রশিক্ষিত দুটি কুকুর দিয়ে তল্লাশি করিয়েছি। দুটি কুকুরই ডোবার দিকে ইন্ডিকেট করছে। কিন্তু ডোবাতে পানি ও কচুরিপানা থাকার কারণে সেখানে তল্লাশি চালাতে পারছে না কুকুর দু'টি।
তার আগে সোমবার দুপুরে আশুলিয়ার রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে সোমবার দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, '২০১৯ সালে মিন্টু চন্দ্র বর্মণ, রবিউল ইসলাম, মোতালেব ও শামসুজ্জামান জামগড়া এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে সাভার রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়েন। মিন্টুই ছিলেন ওই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ।
তিনি বলেন, রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নিয়ন্ত্রণের জের ধরে দুই সহযোগী প্রতিষ্ঠাতা রবিউল ইসলাম ও মোতালেব মিন্টুকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। স্কুলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে মিন্টু বর্মণকে খুন করা হয়। হত্যার পরিকল্পনা করেন রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই সহযোগী প্রতিষ্ঠাতা রবিউল ইসলাম ও মোতালেব। হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন রবিউল ও তার ভাগনে রহিম বাদশা। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে র্যাব হত্যাকাণ্ডের অংশগ্রহণকারী তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের দেওয়া তথ্যমতে অভিযান চালিয়ে নিহত মিন্টুর মরদেহের পাঁচ টুকরো খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়।
প্রসঙ্গত, আশুলিয়ার নিহত মিন্টু গত ১৩ জুলাই থেকে ২৮ দিন নিখোঁজ ছিলেন। পরবর্তীতে আজ (সোমবার) বেলা ১১টার দিকে সাভারের রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠ থেকে মরদেহের চারখন্ডে দুই হাত, দুই পা ও শরীর উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, মিন্টু চন্দ্র বর্মণ সাত বছর ধরে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় বসবাস করতেন। সেখানকার আমিন মডেল টাউন স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষকতা করতেন তিনি। পরবর্তীতে মিন্টুসহ তিনজন মিলে সাভারের আশুলিয়ায় রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠা করেন। সেই স্কুলটিই কাল হল মিন্টুর। নিয়ন্ত্রণের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে সহযোগী দুই প্রতিষ্ঠাতা রবিউল ইসলাম ও মোতালেব। হত্যাকাণ্ডে আরও যুক্ত হন রবিউল ইসলামের রহিম বাদশা।

সাভারের রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মিন্টু চন্দ্র বর্মণের (৩৬) মরদেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধারে যুক্ত হয়েছে র্যাবের ডগ স্কোয়াড। এ ছাড়া ঘটনাস্থলে রয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি দল, ইউনিফর্মে র্যাব সদস্য এবং সাদা পোশাকে র্যাবের গোয়েন্দা দল।
দক্ষিণখানের তালতলার নদ্দাপাড়ার ১৪৫ / ১ নম্বর বাসার সামনের ডোবা ও আশে পাশে সোমবার (৯ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে অভিযান শুরু করে র্যাবের ডগ স্কোয়াড টিম। অভিযানে যুক্ত হওয়া দুটি কুকুর হলো টাইগার ও প্যানথার।
এর আগে রোববার (৮ আগস্ট) রাত থেকে এই এলাকায় অভিযান শুরু করে র্যাবের গোয়েন্দা দল। পরবর্তীতে দুপুর ১টার দিকে যুক্ত হয় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের ডুবুরি দল।
ঘটনাস্থলে আগত র্যাব সদর দপ্তরের ডগ স্কোয়াডের একজন কর্মকর্তারা আজকের পত্রিকাকে বলেন, মিন্টুর মাথা খুঁজতে আমরা নদ্দাপাড়ার রবিউল ইসলামের বোনের ভাড়া বাসার সামনে ডোবার আশপাশ এলাকায় প্রশিক্ষিত দুটি কুকুর দিয়ে তল্লাশি করিয়েছি। দুটি কুকুরই ডোবার দিকে ইন্ডিকেট করছে। কিন্তু ডোবাতে পানি ও কচুরিপানা থাকার কারণে সেখানে তল্লাশি চালাতে পারছে না কুকুর দু'টি।
তার আগে সোমবার দুপুরে আশুলিয়ার রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে সোমবার দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, '২০১৯ সালে মিন্টু চন্দ্র বর্মণ, রবিউল ইসলাম, মোতালেব ও শামসুজ্জামান জামগড়া এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে সাভার রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়েন। মিন্টুই ছিলেন ওই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ।
তিনি বলেন, রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নিয়ন্ত্রণের জের ধরে দুই সহযোগী প্রতিষ্ঠাতা রবিউল ইসলাম ও মোতালেব মিন্টুকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। স্কুলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে মিন্টু বর্মণকে খুন করা হয়। হত্যার পরিকল্পনা করেন রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই সহযোগী প্রতিষ্ঠাতা রবিউল ইসলাম ও মোতালেব। হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন রবিউল ও তার ভাগনে রহিম বাদশা। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে র্যাব হত্যাকাণ্ডের অংশগ্রহণকারী তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের দেওয়া তথ্যমতে অভিযান চালিয়ে নিহত মিন্টুর মরদেহের পাঁচ টুকরো খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়।
প্রসঙ্গত, আশুলিয়ার নিহত মিন্টু গত ১৩ জুলাই থেকে ২৮ দিন নিখোঁজ ছিলেন। পরবর্তীতে আজ (সোমবার) বেলা ১১টার দিকে সাভারের রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠ থেকে মরদেহের চারখন্ডে দুই হাত, দুই পা ও শরীর উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, মিন্টু চন্দ্র বর্মণ সাত বছর ধরে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় বসবাস করতেন। সেখানকার আমিন মডেল টাউন স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষকতা করতেন তিনি। পরবর্তীতে মিন্টুসহ তিনজন মিলে সাভারের আশুলিয়ায় রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠা করেন। সেই স্কুলটিই কাল হল মিন্টুর। নিয়ন্ত্রণের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে সহযোগী দুই প্রতিষ্ঠাতা রবিউল ইসলাম ও মোতালেব। হত্যাকাণ্ডে আরও যুক্ত হন রবিউল ইসলামের রহিম বাদশা।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১০ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১১ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ দিন আগে