নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে জঙ্গিবাদ নিয়ে পোস্ট করার হুমকি দিয়ে চাঁদা আদায়কারী এক হ্যাকারকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট। গ্রেপ্তার অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম লিটন ইসলাম (২৮)। গোয়েন্দা পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, লিটন একজন আন্তর্জাতিক হ্যাকার। দেশি বিদেশি অনন্ত ২ হাজার ৫০০ ফেসবুক অ্যাকাউন্টের নাম-পাসওয়ার্ড রয়েছে তাঁর কবজায়।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, ‘এটি একটি হ্যাকিং চক্র। ফিশিং লিংক দিয়ে আইডি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ১০ হাজার টাকায় ফেরত দেন তাঁরা। তবে এর বাইরে যাদের অ্যাকাউন্টে আপত্তিকর কিছু পেতেন। তাঁদের ক্ষেত্রে টাকার পরিমাণ বাড়িয়ে নিতেন। টাকা দিতে কেউ আপত্তি জানালে মানহানিকর পোস্ট দিয়ে মামলা হামলার ভয় দেখাতেন এই হ্যাকার চক্র।’
গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটের কর্মকর্তারা বলছেন, ‘হ্যাকাররা প্রথমে অনলাইনের মাধ্যমে ফিশিং লিংক তৈরি করতেন। পরে ফিশিং লিংকটির সঙ্গে বিভিন্ন রকমের ছবি/ভিডিও জুড়ে দিয়ে ফেসবুকসহ টার্গেট ব্যক্তির ইমেইল/ফেসবুক মেসেঞ্জারের শেয়ার করতেন। সেখানে লগইন করার পর ওই আইডির সমস্ত তথ্য হ্যাকারের কবজায় চলে যেত। এরপর হ্যাকাররা দ্রুত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতেন। পরে মূল আইডির মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকা দাবি করতেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালেই তাঁর আইডি থেকে দেশদ্রোহী বা জঙ্গিবাদ মূলক স্ট্যাটাস দেওয়া হতো।’
গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার নাজমুল হক বলেন, ‘মার্চের ১ তারিখ আনোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তি ডিএমপির কদমতলী থানায় তথ্য প্রযুক্তি আইনে এ ধরনের একটি মামলা দায়ের করেন। তাঁর মামলার তদন্ত করতে গিয়ে এমন ভয়াবহ তথ্য ওঠে এসেছে।’
ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘Olyulla Kari’ নামের এক ব্যক্তি তাঁর ফেসবুক মেসেঞ্জারে একটা লিংক পাঠান। সে লিংকে তিনি ক্লিক করার পর ফেসবুকের মত আরও এক ওয়েবপেজে চলে যান তিনি। না বুঝে সেখানে তিনি নতুন করে আইডি ও পাসওয়ার্ড দেন। আর তাতেই তিনি তাঁর আইডির নিয়ন্ত্রণ হারান।’
এই ভুক্তভোগী বলেন, ‘তাঁর ফেসবুক আইডি নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর একের পর এক মানহানিকর পোস্ট দিতে থাকেন ওই হ্যাকার। পরবর্তীতে তাঁকে মাসেঞ্জারে জানান, ফেসবুক আইডি ফিরে পেতে হলে মোটা অঙ্কের টাকা দিতে হবে। তিনি একাধিকবার টাকাও দেন। কিন্তু তাঁকে একইভাবে জিম্মি করা হয়।’
গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, ‘তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হ্যাকিং চক্রের এই অভিযুক্তকে রোববার ঢাকার আশুলিয়ার এনায়েতপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছে থেকে এ কাজে ব্যবহৃত একটি সিপিইউ, দুটি মোবাইল ফোন ও ১০টি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়। আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।’
এদিকে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের এই ঝুঁকি এড়াতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ বেশ কিছু পরামর্শ দিচ্ছেন। তাঁরা বলছেন, সাইবার স্পেসে অপরিচিত কোন আইডি থেকে পাঠানো কোন লিংকে প্রবেশ করবেন না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপরিচিত কোন আইডির সঙ্গে বন্ধুত্ব করবেন না। তা ছাড়া স্পর্শকাতর তথ্য, ছবি/ভিডিও শেয়ার না করতে অনুরোধ করেছেন তাঁরা।

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে জঙ্গিবাদ নিয়ে পোস্ট করার হুমকি দিয়ে চাঁদা আদায়কারী এক হ্যাকারকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট। গ্রেপ্তার অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম লিটন ইসলাম (২৮)। গোয়েন্দা পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, লিটন একজন আন্তর্জাতিক হ্যাকার। দেশি বিদেশি অনন্ত ২ হাজার ৫০০ ফেসবুক অ্যাকাউন্টের নাম-পাসওয়ার্ড রয়েছে তাঁর কবজায়।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, ‘এটি একটি হ্যাকিং চক্র। ফিশিং লিংক দিয়ে আইডি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ১০ হাজার টাকায় ফেরত দেন তাঁরা। তবে এর বাইরে যাদের অ্যাকাউন্টে আপত্তিকর কিছু পেতেন। তাঁদের ক্ষেত্রে টাকার পরিমাণ বাড়িয়ে নিতেন। টাকা দিতে কেউ আপত্তি জানালে মানহানিকর পোস্ট দিয়ে মামলা হামলার ভয় দেখাতেন এই হ্যাকার চক্র।’
গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটের কর্মকর্তারা বলছেন, ‘হ্যাকাররা প্রথমে অনলাইনের মাধ্যমে ফিশিং লিংক তৈরি করতেন। পরে ফিশিং লিংকটির সঙ্গে বিভিন্ন রকমের ছবি/ভিডিও জুড়ে দিয়ে ফেসবুকসহ টার্গেট ব্যক্তির ইমেইল/ফেসবুক মেসেঞ্জারের শেয়ার করতেন। সেখানে লগইন করার পর ওই আইডির সমস্ত তথ্য হ্যাকারের কবজায় চলে যেত। এরপর হ্যাকাররা দ্রুত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতেন। পরে মূল আইডির মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকা দাবি করতেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালেই তাঁর আইডি থেকে দেশদ্রোহী বা জঙ্গিবাদ মূলক স্ট্যাটাস দেওয়া হতো।’
গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার নাজমুল হক বলেন, ‘মার্চের ১ তারিখ আনোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তি ডিএমপির কদমতলী থানায় তথ্য প্রযুক্তি আইনে এ ধরনের একটি মামলা দায়ের করেন। তাঁর মামলার তদন্ত করতে গিয়ে এমন ভয়াবহ তথ্য ওঠে এসেছে।’
ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘Olyulla Kari’ নামের এক ব্যক্তি তাঁর ফেসবুক মেসেঞ্জারে একটা লিংক পাঠান। সে লিংকে তিনি ক্লিক করার পর ফেসবুকের মত আরও এক ওয়েবপেজে চলে যান তিনি। না বুঝে সেখানে তিনি নতুন করে আইডি ও পাসওয়ার্ড দেন। আর তাতেই তিনি তাঁর আইডির নিয়ন্ত্রণ হারান।’
এই ভুক্তভোগী বলেন, ‘তাঁর ফেসবুক আইডি নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর একের পর এক মানহানিকর পোস্ট দিতে থাকেন ওই হ্যাকার। পরবর্তীতে তাঁকে মাসেঞ্জারে জানান, ফেসবুক আইডি ফিরে পেতে হলে মোটা অঙ্কের টাকা দিতে হবে। তিনি একাধিকবার টাকাও দেন। কিন্তু তাঁকে একইভাবে জিম্মি করা হয়।’
গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, ‘তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হ্যাকিং চক্রের এই অভিযুক্তকে রোববার ঢাকার আশুলিয়ার এনায়েতপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছে থেকে এ কাজে ব্যবহৃত একটি সিপিইউ, দুটি মোবাইল ফোন ও ১০টি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়। আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।’
এদিকে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের এই ঝুঁকি এড়াতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ বেশ কিছু পরামর্শ দিচ্ছেন। তাঁরা বলছেন, সাইবার স্পেসে অপরিচিত কোন আইডি থেকে পাঠানো কোন লিংকে প্রবেশ করবেন না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপরিচিত কোন আইডির সঙ্গে বন্ধুত্ব করবেন না। তা ছাড়া স্পর্শকাতর তথ্য, ছবি/ভিডিও শেয়ার না করতে অনুরোধ করেছেন তাঁরা।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৪ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৫ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে