রাজধানীর দক্ষিণখানে খেতে না চাওয়ায় তিন বছরের শিশু নামিরা ফারিজকে হত্যা করেছে বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে সৎ বাবা আজাহারুল ইসলাম (২৭)।
নিহত শিশুটির মায়ের দক্ষিণখান থানায় করা হত্যা মামলায় দুই দিন রিমান্ড শেষে তাকে আজ মঙ্গলবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে পাঠানোর পরে আজাহারুল ইসলাম হাকিম আদালতের বিচারকের কাছে এ জবানবন্দি দিয়েছেন।
দক্ষিণখান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও হত্যা মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা মোসাম্মত রেজিয়া খাতুন আজকের পত্রিকাকে এ তথ্যটি নিশ্চিত করে বলেন, ‘দক্ষিণখানের আশকোনা এলাকায় সৎ বাবার হাতে তিন বছরের শিশুকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় বাবাকে দুই দিনের রিমান্ড শেষ আদালতে পাঠানো হলে হাকিম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে আজাহারুল ইসলাম।’
হত্যাকাণ্ডের কারণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আজাহারের স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে এসআই রেজিয়া খাতুন বলেন, ‘ঘটনার দিন দুপুরে আজহার তাঁর তিন বছরের সৎ মেয়ে নামিরা ফারিজকে মারধর করেন। এরপর তিনি অফিসে চলে যান। পরে তার মা এসে নামিরা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সৎ মেয়ে নামিরা ফারিজ রাত আড়াইটার দিকে মারা যায়।’
উল্লেখ্য, দক্ষিণখানের আশকোনা একাডেমির গলির হেলাল উদ্দিনের ভাড়া বাড়িতে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ঘটে। নিহত ওই শিশুটি হলেন, মুন্সিগঞ্জ টঙ্গিবাড়ীর উত্তর বেতকা এলাকার আজাহারুল ইসলাম ও নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনগঞ্জের তাসলিমা জাহান ইমার মেয়ে। আজহারুল হলেন নামিরা ফারিজের সৎ বাবা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরের জাল সিল তৈরির চেষ্টার অভিযোগে মো. আবু তৈয়ব (৪৩) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার শাহবাগ থানা-পুলিশ তাঁকে আটক করে।
৫ দিন আগে
নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘নব্য জেএমবি’র সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের মাধ্যমে শিয়া মসজিদ, পুলিশের চেকপোস্ট ও ইসকন মন্দিরে হামলার পরিকল্পনা ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়ায় তাকে ‘শিশু’ হিসেবে আদালতে পাঠানো...
৯ দিন আগে
রাজধানীর মতিঝিল এলাকা থেকে মানব পাচারকারী চক্রের সঙ্গে জড়িত চার রোহিঙ্গা সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. ফেরদৌস, নুরু বিবি (১৯), উম্মে কুলসুম (২০) এবং এক শিশু।
৯ দিন আগে
অটিজম ও এডিএইচডি আক্রান্ত ছেলে ক্রিস্টান রবার্টসকে একটি সুন্দর জীবন দিতে তিনি নিজের ক্যারিয়ার বিসর্জন দিয়ে কম বেতনের চাকরি নিয়েছিলেন মা অ্যাঞ্জেলা শেলিস, যাতে ছেলেকে বেশি সময় দিতে পারেন।
১৭ দিন আগে