উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি

রাজধানীর উত্তরায় চলন্ত প্রাইভেট কারে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নাজমুল হাসান সিজান (২৫) ও আবু রায়হান (২২) নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হলে তাঁরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে পাঠায় উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ। পরে তাঁরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, ভুক্তভোগী বিউটি পারলারের ওই তরুণী গত রোববার (২৫ ডিসেম্বর) রাতে তাঁর এক বন্ধুকে নিয়ে উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরের একটি ফ্ল্যাটে যান। সেখানে সিজান, রায়হানসহ আরও দুই বন্ধু তাঁদের আটকে রাখেন। ভুক্তভোগী তরুণী ও তাঁর বন্ধুকে আপত্তিকর অবস্থায় পাওয়া গেছে এবং তাঁদের কাছে সেই ভিডিও ফুটেজ আছে বলে জানান। ভুক্তভোগী তরুণী ও তাঁর বন্ধুর পরিবারকে এসব জানানোর ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা দাবি করেন সিজান, রায়হানসহ চারজন। এরপর বিউটিশিয়ানের বন্ধু টাকা আনতে সেখান থেকে চলে গেলে তাঁরা চারজন ওই তরুণীকে একটি প্রাইভেট কারে তুলে বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে থাকেন। সেই সঙ্গে চলন্ত সেই গাড়িতে চারজন মিলে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন। এরপর তাঁকে উত্তরা পশ্চিম এলাকায় নামিয়ে দেন।
ওসি বলেন, ‘পরে ভুক্তভোগী তরুণী উত্তরা পশ্চিম থানায় বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। উত্তরার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে তুরাগের ডিয়াবাড়ী থেকে সিজান ও রায়হানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার আদালতে পাঠানো হলে তাঁরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।’
ওসি মহসীন বলেন, ‘গ্রেপ্তার হওয়া দুজনসহ আসামি চারজনই পেশায় গাড়িচালক। পলাতক দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

রাজধানীর উত্তরায় চলন্ত প্রাইভেট কারে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নাজমুল হাসান সিজান (২৫) ও আবু রায়হান (২২) নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হলে তাঁরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে পাঠায় উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ। পরে তাঁরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, ভুক্তভোগী বিউটি পারলারের ওই তরুণী গত রোববার (২৫ ডিসেম্বর) রাতে তাঁর এক বন্ধুকে নিয়ে উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরের একটি ফ্ল্যাটে যান। সেখানে সিজান, রায়হানসহ আরও দুই বন্ধু তাঁদের আটকে রাখেন। ভুক্তভোগী তরুণী ও তাঁর বন্ধুকে আপত্তিকর অবস্থায় পাওয়া গেছে এবং তাঁদের কাছে সেই ভিডিও ফুটেজ আছে বলে জানান। ভুক্তভোগী তরুণী ও তাঁর বন্ধুর পরিবারকে এসব জানানোর ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা দাবি করেন সিজান, রায়হানসহ চারজন। এরপর বিউটিশিয়ানের বন্ধু টাকা আনতে সেখান থেকে চলে গেলে তাঁরা চারজন ওই তরুণীকে একটি প্রাইভেট কারে তুলে বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে থাকেন। সেই সঙ্গে চলন্ত সেই গাড়িতে চারজন মিলে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন। এরপর তাঁকে উত্তরা পশ্চিম এলাকায় নামিয়ে দেন।
ওসি বলেন, ‘পরে ভুক্তভোগী তরুণী উত্তরা পশ্চিম থানায় বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। উত্তরার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে তুরাগের ডিয়াবাড়ী থেকে সিজান ও রায়হানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার আদালতে পাঠানো হলে তাঁরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।’
ওসি মহসীন বলেন, ‘গ্রেপ্তার হওয়া দুজনসহ আসামি চারজনই পেশায় গাড়িচালক। পলাতক দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫