উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি

মহাসড়কে ডাকাতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হন সালাম মাতবর। গ্রেপ্তারের পর তিনি জেলখানায় গড়ে তোলেন ডাকাত দল। তারপর জামিনে বেরিয়ে ফের শুরু করেন মহাসড়কে ডাকাতি। উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন আজ বুধবার আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টর থেকে মঙ্গলবার গভীর রাতে মহাসড়কে গাড়ি থামিয়ে ডাকাতির চেষ্টাকালে ডাকাত দলের মূল হোতা সালাম মাতবরসহ (৫৩) তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বাকিরা হলেন ইকরাম আলী মুন্সি (৩৮) ও শাহীন আলম ওরফে প্রকাশ আলম (২৪)। গ্রেপ্তারকালে তাঁদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দুটি চাকু জব্দ করা হয়েছে।
ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই মহাসড়কের ডাকাত চক্রের সক্রিয় সদস্য। তাঁরা গাড়ি ভাড়া করে মহাসড়কে ডাকাতি করতেন। গ্রেপ্তার হওয়া ডাকাত চক্রের মূল হোতা সালামের বিরুদ্ধে চারটি ডাকাতি মামলা রয়েছে। বাকি দুজনের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।’
ওসি বলেন, ‘এসব মামলায় জেলে থাকার সময়ই বাকি ডাকাতদের সঙ্গে সালামের পরিচয় হয়। তখনই তাঁদের নিয়ে এই ডাকাত দল গঠন করেন সালাম। তাঁরা বিভিন্ন গ্যারেজ থেকে প্রথমে গাড়ি ভাড়া করেন। এরপর প্রবাসীদের টার্গেট করেন।’
ওসি আরও বলেন, যেসব প্রবাসী একা আসেন বা সঙ্গে শুধু নারী থাকেন, তাঁদের যাত্রী হিসেবে গাড়িতে তুলে নিত ডাকাত চক্রটি। পরে নির্জন কোনো স্থানে নিয়ে চাকু, ছুরির ভয় দেখিয়ে সব লুটে নিত। এ ছাড়া ডাকাত চক্রটি রাতে মহাসড়কে অবস্থান করে। এরপর প্রাইভেট কার বা সিএনজিচালিত গাড়ি থামিয়ে অস্ত্রের মুখে সব কেড়ে নিত।
ওসি মহসীন বলেন, এ ঘটনায় ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। বুধবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে নেওয়া হলে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

মহাসড়কে ডাকাতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হন সালাম মাতবর। গ্রেপ্তারের পর তিনি জেলখানায় গড়ে তোলেন ডাকাত দল। তারপর জামিনে বেরিয়ে ফের শুরু করেন মহাসড়কে ডাকাতি। উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন আজ বুধবার আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টর থেকে মঙ্গলবার গভীর রাতে মহাসড়কে গাড়ি থামিয়ে ডাকাতির চেষ্টাকালে ডাকাত দলের মূল হোতা সালাম মাতবরসহ (৫৩) তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বাকিরা হলেন ইকরাম আলী মুন্সি (৩৮) ও শাহীন আলম ওরফে প্রকাশ আলম (২৪)। গ্রেপ্তারকালে তাঁদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দুটি চাকু জব্দ করা হয়েছে।
ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই মহাসড়কের ডাকাত চক্রের সক্রিয় সদস্য। তাঁরা গাড়ি ভাড়া করে মহাসড়কে ডাকাতি করতেন। গ্রেপ্তার হওয়া ডাকাত চক্রের মূল হোতা সালামের বিরুদ্ধে চারটি ডাকাতি মামলা রয়েছে। বাকি দুজনের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।’
ওসি বলেন, ‘এসব মামলায় জেলে থাকার সময়ই বাকি ডাকাতদের সঙ্গে সালামের পরিচয় হয়। তখনই তাঁদের নিয়ে এই ডাকাত দল গঠন করেন সালাম। তাঁরা বিভিন্ন গ্যারেজ থেকে প্রথমে গাড়ি ভাড়া করেন। এরপর প্রবাসীদের টার্গেট করেন।’
ওসি আরও বলেন, যেসব প্রবাসী একা আসেন বা সঙ্গে শুধু নারী থাকেন, তাঁদের যাত্রী হিসেবে গাড়িতে তুলে নিত ডাকাত চক্রটি। পরে নির্জন কোনো স্থানে নিয়ে চাকু, ছুরির ভয় দেখিয়ে সব লুটে নিত। এ ছাড়া ডাকাত চক্রটি রাতে মহাসড়কে অবস্থান করে। এরপর প্রাইভেট কার বা সিএনজিচালিত গাড়ি থামিয়ে অস্ত্রের মুখে সব কেড়ে নিত।
ওসি মহসীন বলেন, এ ঘটনায় ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। বুধবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে নেওয়া হলে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫