প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম: ডবলমুরিংয়ে সড়কের পাশেই সাজু মিয়ার ছোট্ট পানের দোকান। মাঝে মাঝে সেখানে বসেন তার স্ত্রী তাহমিনাও। বেচাবিক্রি ভালোই। ক্রেতারা আসেন, মসলা আর বেশি করে জর্দা দেওয়া সুবাসিত পান চিবুতে চিবুতে সস্তা সিগারেটে দেন সুখটান। আপাত নির্দোষ এই দৃশ্যের আড়ালে ঘটে যাচ্ছিল এক মারাত্মক অপরাধ! আসলে সাজু মিয়া পান–সিগারেটের আড়ালে বিক্রি করেন ইয়াবা। শুধু নিয়মিত ক্রেতারাই জানেন, সাজু–তাহমিনা সুন্দর করে ভাঁজ করা পানে বিশেষ কায়দায় ভরে দিতে পারেন ইয়াবা বড়ি।
অবশেষে তারা ধরা পড়েছেন পুলিশের হাতে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, পানের খিলিতে বিক্রি করতেন ইয়াবা। সাধারণ খিলির দাম পাঁচ টাকা। আর সেই খিলিতে একটি ইয়াবা বড়ি থাকলে সেটির দাম হয় ৪৫০ টাকা। আর দুটি বড়ি হলে ৯০০ টাকা।
বৃহস্পতিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দোকান থেকে ইয়াবা বিক্রির সময় ৩০ পিস ইয়াবাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার হন সাজু মিয়া। তার বিরুদ্ধে ডবলমুরিং থানায় আগে থেকেই তিনটি মাদক মামলা আছে। এলাকায় অনেকেই তাকে ইয়াবার খুচরা বিক্রেতা হিসেবে জানেও। তবে ঠিক কোন কায়দায় তিনি ইয়াবা বেচেন এটি অনেকের ছিল অজানা।
সাজু মিয়াকে বৃহস্পতিবার আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য। তিনি জানান, স্ত্রী তাহমিনাও জড়িত ইয়াবা কারবারে। এই তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে দেওয়ানহাট দীঘিরহাট ২ নম্বর রেল গেট এলাকা থেকে তাহমিনাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ডবলমুরিং থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, সাজু মিয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার স্ত্রী তাহমিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্বামীর মতো তাহমিনাও পানের দোকান করেন। এই দোকানের আড়ালেই ইয়াবা বিক্রি করতেন। তার কাছ থেকে ৮৫ পিস ইয়াবা এবং ইয়াবা বিক্রির ২৯ হাজার ৫০০ টাকা জব্দ করা হয়েছে। তারা ইয়াবা বড়ি পাইকারি কিনে এনে দেওয়ানহাট পানিরদীঘি এলাকায় খুচরা বিক্রি করতেন।

চট্টগ্রাম: ডবলমুরিংয়ে সড়কের পাশেই সাজু মিয়ার ছোট্ট পানের দোকান। মাঝে মাঝে সেখানে বসেন তার স্ত্রী তাহমিনাও। বেচাবিক্রি ভালোই। ক্রেতারা আসেন, মসলা আর বেশি করে জর্দা দেওয়া সুবাসিত পান চিবুতে চিবুতে সস্তা সিগারেটে দেন সুখটান। আপাত নির্দোষ এই দৃশ্যের আড়ালে ঘটে যাচ্ছিল এক মারাত্মক অপরাধ! আসলে সাজু মিয়া পান–সিগারেটের আড়ালে বিক্রি করেন ইয়াবা। শুধু নিয়মিত ক্রেতারাই জানেন, সাজু–তাহমিনা সুন্দর করে ভাঁজ করা পানে বিশেষ কায়দায় ভরে দিতে পারেন ইয়াবা বড়ি।
অবশেষে তারা ধরা পড়েছেন পুলিশের হাতে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, পানের খিলিতে বিক্রি করতেন ইয়াবা। সাধারণ খিলির দাম পাঁচ টাকা। আর সেই খিলিতে একটি ইয়াবা বড়ি থাকলে সেটির দাম হয় ৪৫০ টাকা। আর দুটি বড়ি হলে ৯০০ টাকা।
বৃহস্পতিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দোকান থেকে ইয়াবা বিক্রির সময় ৩০ পিস ইয়াবাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার হন সাজু মিয়া। তার বিরুদ্ধে ডবলমুরিং থানায় আগে থেকেই তিনটি মাদক মামলা আছে। এলাকায় অনেকেই তাকে ইয়াবার খুচরা বিক্রেতা হিসেবে জানেও। তবে ঠিক কোন কায়দায় তিনি ইয়াবা বেচেন এটি অনেকের ছিল অজানা।
সাজু মিয়াকে বৃহস্পতিবার আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য। তিনি জানান, স্ত্রী তাহমিনাও জড়িত ইয়াবা কারবারে। এই তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে দেওয়ানহাট দীঘিরহাট ২ নম্বর রেল গেট এলাকা থেকে তাহমিনাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ডবলমুরিং থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, সাজু মিয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার স্ত্রী তাহমিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্বামীর মতো তাহমিনাও পানের দোকান করেন। এই দোকানের আড়ালেই ইয়াবা বিক্রি করতেন। তার কাছ থেকে ৮৫ পিস ইয়াবা এবং ইয়াবা বিক্রির ২৯ হাজার ৫০০ টাকা জব্দ করা হয়েছে। তারা ইয়াবা বড়ি পাইকারি কিনে এনে দেওয়ানহাট পানিরদীঘি এলাকায় খুচরা বিক্রি করতেন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১০ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১১ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ দিন আগে