পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

নিখোঁজের চার দিন পর পটিয়ায় মো. ইদ্রিস (৩৫) নামের এক দিনমজুর যুবকের গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে পটিয়া পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের ইন্দ্রপুল এলাকার একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতুড়ি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত ইদ্রিসের স্ত্রী শারমিন আকতারকে (৩২) আটক করা হয়েছে।
জানা গেছে, ওই যুবক উপজেলার জিরি ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের দানু মিয়ার ছেলে। গত শনিবার তিনি নিখোঁজ হন। নিখোঁজের ঘটনায় মা জহুরা বেগম বাদী হয়ে পটিয়া থানায় একটি ডায়েরি করেন। ইদ্রিস ইন্দ্রপুল এলাকার একটি ডেইরি ফার্মে দিনমজুরের কাজ করতেন। নিখোঁজের ৪ দিন পেরিয়ে গেলেও সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারের লোকজন সন্দেহ করেন ইদ্রিসকে হত্যা করে লাশ গুম করা হয়েছে। পরে আজ মঙ্গলবার ১০-১৫ জন শ্রমিক দিয়ে ইন্দ্রপুল এলাকার পাশের একটি ডোবাতে খোঁজাখুঁজির পর লাশ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পটিয়া থানা-পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
নিহত ইদ্রিসের মা জহুরা বেগম অভিযোগ করে বলেন, তার পুত্রবধূর সঙ্গে ছিদ্দিক নামের একজনের সম্পর্ক রয়েছে। এসব নিয়ে প্রায়সময় ছেলের সঙ্গে বউয়ের বাগ্বিতণ্ডা হতো। ধারণা করা হচ্ছে, পরিকল্পিতভাবে ইদ্রিসকে হত্যা করা হয়েছে।
পটিয়া থানার পরিদর্শক ওসি (তদন্ত) রাশেদুল ইসলাম জানান, ইদ্রিস নামের এক দিনমজুরের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মাথায় ও শরীরের কয়েকটি স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, শক্ত জাতীয় কিছু দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পরকীয়া থেকে এ হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে শিগগিরই রহস্য উদ্ঘাটন করা হবে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

নিখোঁজের চার দিন পর পটিয়ায় মো. ইদ্রিস (৩৫) নামের এক দিনমজুর যুবকের গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে পটিয়া পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের ইন্দ্রপুল এলাকার একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতুড়ি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত ইদ্রিসের স্ত্রী শারমিন আকতারকে (৩২) আটক করা হয়েছে।
জানা গেছে, ওই যুবক উপজেলার জিরি ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের দানু মিয়ার ছেলে। গত শনিবার তিনি নিখোঁজ হন। নিখোঁজের ঘটনায় মা জহুরা বেগম বাদী হয়ে পটিয়া থানায় একটি ডায়েরি করেন। ইদ্রিস ইন্দ্রপুল এলাকার একটি ডেইরি ফার্মে দিনমজুরের কাজ করতেন। নিখোঁজের ৪ দিন পেরিয়ে গেলেও সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারের লোকজন সন্দেহ করেন ইদ্রিসকে হত্যা করে লাশ গুম করা হয়েছে। পরে আজ মঙ্গলবার ১০-১৫ জন শ্রমিক দিয়ে ইন্দ্রপুল এলাকার পাশের একটি ডোবাতে খোঁজাখুঁজির পর লাশ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পটিয়া থানা-পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
নিহত ইদ্রিসের মা জহুরা বেগম অভিযোগ করে বলেন, তার পুত্রবধূর সঙ্গে ছিদ্দিক নামের একজনের সম্পর্ক রয়েছে। এসব নিয়ে প্রায়সময় ছেলের সঙ্গে বউয়ের বাগ্বিতণ্ডা হতো। ধারণা করা হচ্ছে, পরিকল্পিতভাবে ইদ্রিসকে হত্যা করা হয়েছে।
পটিয়া থানার পরিদর্শক ওসি (তদন্ত) রাশেদুল ইসলাম জানান, ইদ্রিস নামের এক দিনমজুরের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মাথায় ও শরীরের কয়েকটি স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, শক্ত জাতীয় কিছু দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পরকীয়া থেকে এ হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে শিগগিরই রহস্য উদ্ঘাটন করা হবে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৬ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে