নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

নার্স সেজে এক নবজাতককে চুরির ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার ভোরে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা থেকে নগরীর ইপিজেড থানা-পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। একই সময় পুলিশ তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া নবজাতককেও উদ্ধার করেছে।ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত রোববার বিকেল ৩টার দিকে মমতা
মাতৃসদন ক্লিনিক থেকে কৌশলে একটি নবজাতককে নিয়ে পালিয়ে যায় এক নারী। বিষয়টি হাসপাতালের সিসিটিভির ফুটেজে ধরা পড়ে। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ নবজাতকটিকে উদ্ধারে কাজ শুরু করে। আজ (মঙ্গলবার) ভোর রাত ৩টার দিকে আনোয়ারা উপজেলার এক পোশাক শ্রমিকের বাড়ি থেকে শিশুটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় নবজাতক চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে লালন-পালনের জন্য তারা নবজাতকটিকে চুরি করেছিলেন।’
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—মো. মোরশেদ আলম (৪২), মো. সেলিম (৩৯), মো. আবুল কাশেম (৩০), শিমু দাশ (২০) ও রিমন মল্লিক (২৬)। চুরি হওয়া ওই নবজাতক আনোয়ারা উপজেলার গহিরা এলাকার মো. শহিদ ও তাসমিন আক্তার দম্পতির সন্তান।
নবজাতকের পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ বলছে, শুক্রবার ওই নবজাতকের জন্ম হয়। এরপর রোববার বিকেলে নার্স সেজে এক নারী ওই শিশুটিকে ইনজেকশন দেওয়ার কথা বলে ক্লিনিকের নিচ তলায় নিয়ে যান। এরপর অনেক অপেক্ষা করেও শিশুটিকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে না আনায় পরিবারের লোকজন নিচতলায় গিয়ে তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিন্তু তাকে আর পাওয়া যায়নি। পরে হাসপাতালে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, ওই নারী নবজাতকটিকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান। পরে তারা থানা-পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করে।
থানা-পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, চুরি হওয়া নবজাতকের পরিবারের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মমতা মাতৃসদন-২ হাসপাতালের মোরশেদ, সেলিম ও কাশেম নামে ৩ কর্মচারীকে জড়িত সন্দেহে নিজেদের হেফাজতে নেয়। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা শিশুটিকে চুরির করার বিষয়টি স্বীকার করেন। এরপর তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আজ ভোরে (মঙ্গলবার) আনোয়ারা উপজেলা থেকে নবজাতকটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল হোতা শিমু দাশ ও রিমন মল্লিককে গ্রেপ্তার করা হয়।

নার্স সেজে এক নবজাতককে চুরির ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার ভোরে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা থেকে নগরীর ইপিজেড থানা-পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। একই সময় পুলিশ তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া নবজাতককেও উদ্ধার করেছে।ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত রোববার বিকেল ৩টার দিকে মমতা
মাতৃসদন ক্লিনিক থেকে কৌশলে একটি নবজাতককে নিয়ে পালিয়ে যায় এক নারী। বিষয়টি হাসপাতালের সিসিটিভির ফুটেজে ধরা পড়ে। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ নবজাতকটিকে উদ্ধারে কাজ শুরু করে। আজ (মঙ্গলবার) ভোর রাত ৩টার দিকে আনোয়ারা উপজেলার এক পোশাক শ্রমিকের বাড়ি থেকে শিশুটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় নবজাতক চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে লালন-পালনের জন্য তারা নবজাতকটিকে চুরি করেছিলেন।’
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—মো. মোরশেদ আলম (৪২), মো. সেলিম (৩৯), মো. আবুল কাশেম (৩০), শিমু দাশ (২০) ও রিমন মল্লিক (২৬)। চুরি হওয়া ওই নবজাতক আনোয়ারা উপজেলার গহিরা এলাকার মো. শহিদ ও তাসমিন আক্তার দম্পতির সন্তান।
নবজাতকের পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ বলছে, শুক্রবার ওই নবজাতকের জন্ম হয়। এরপর রোববার বিকেলে নার্স সেজে এক নারী ওই শিশুটিকে ইনজেকশন দেওয়ার কথা বলে ক্লিনিকের নিচ তলায় নিয়ে যান। এরপর অনেক অপেক্ষা করেও শিশুটিকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে না আনায় পরিবারের লোকজন নিচতলায় গিয়ে তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিন্তু তাকে আর পাওয়া যায়নি। পরে হাসপাতালে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, ওই নারী নবজাতকটিকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান। পরে তারা থানা-পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করে।
থানা-পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, চুরি হওয়া নবজাতকের পরিবারের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মমতা মাতৃসদন-২ হাসপাতালের মোরশেদ, সেলিম ও কাশেম নামে ৩ কর্মচারীকে জড়িত সন্দেহে নিজেদের হেফাজতে নেয়। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা শিশুটিকে চুরির করার বিষয়টি স্বীকার করেন। এরপর তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আজ ভোরে (মঙ্গলবার) আনোয়ারা উপজেলা থেকে নবজাতকটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল হোতা শিমু দাশ ও রিমন মল্লিককে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১০ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১২ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২১ দিন আগে