পিরোজপুর প্রতিনিধি

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে পৌর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন শেখের পায়ের রগ ও হাতের দুটি আঙুল কাটার ঘটনায় ছাত্রলীগের নয় নেতা–কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর মা।
আজ বুধবার সকালে ওই যুবলীগ নেতার মা মমতাজ বেগম বাদী হয়ে ছেলেকে কোপানোর ভিডিও ফুটেজ দেখিয়ে জেলা ও উপজেলা ছাত্রলীগের নয় নেতা–কর্মীর বিরুদ্ধে ইন্দুরকানী থানায় মামলা করেন।
মামলার আসামিরা হলেন, পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের সহ–সভাপতি মো. নাঈম খান (২৬), জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ–সভাপতি মো. কাইউম কাজী (২৪), সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সাইফুর রহমান শামীম (২৫), সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক রাব্বী হাওলাদার, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শাহীন (২০), ইন্দুরকানী কলেজ ছাত্রলীগ নেতা শাকিব (২৩), ভান্ডারিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম (৩৫), সাবেক জেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক মিল্লাত ও জেলা ছাত্রলীগ নেতা সাজু।
মামুনকে গত রোববার (২৮ জানুয়ারি) ছাত্রলীগকর্মীরা কুপিয়ে রগ কেটে গুরুতর আহত করে বলে অভিযোগ তাঁর মায়ের।
মামুন শেখ পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ–সভাপতি ও পৌর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি পিরোজপুর পৌরসভার ০৪ নং ওয়ার্ডের পালপাড়া এলাকার শাহ আলম শেখের ছেলে।
পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অনিরুজ্জামান অনিক বলেন, যুবলীগ নেতা মামুন শেখকে যারা কুপিয়ে আহত করেছে তারা যদি ছাত্রলীগের কর্মী হয়, তাদের বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগ দায়িত্ব নেবে না। তারা আইনের আওতায় আসবে। তবে নির্দোষ ব্যক্তি যেন হয়রানির স্বীকার না হয়।
ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান তালুকাদার বলেন, যুবলীগ নেতা মামুন শেখকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় তাঁর মা বাদী হয়ে নয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। মামুন শেখের মায়ের দেওয়া ভিডিও ফুটেজ দেখে মামলার আসামি করা হয়েছে।

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে পৌর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন শেখের পায়ের রগ ও হাতের দুটি আঙুল কাটার ঘটনায় ছাত্রলীগের নয় নেতা–কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর মা।
আজ বুধবার সকালে ওই যুবলীগ নেতার মা মমতাজ বেগম বাদী হয়ে ছেলেকে কোপানোর ভিডিও ফুটেজ দেখিয়ে জেলা ও উপজেলা ছাত্রলীগের নয় নেতা–কর্মীর বিরুদ্ধে ইন্দুরকানী থানায় মামলা করেন।
মামলার আসামিরা হলেন, পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের সহ–সভাপতি মো. নাঈম খান (২৬), জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ–সভাপতি মো. কাইউম কাজী (২৪), সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সাইফুর রহমান শামীম (২৫), সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক রাব্বী হাওলাদার, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শাহীন (২০), ইন্দুরকানী কলেজ ছাত্রলীগ নেতা শাকিব (২৩), ভান্ডারিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম (৩৫), সাবেক জেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক মিল্লাত ও জেলা ছাত্রলীগ নেতা সাজু।
মামুনকে গত রোববার (২৮ জানুয়ারি) ছাত্রলীগকর্মীরা কুপিয়ে রগ কেটে গুরুতর আহত করে বলে অভিযোগ তাঁর মায়ের।
মামুন শেখ পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ–সভাপতি ও পৌর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি পিরোজপুর পৌরসভার ০৪ নং ওয়ার্ডের পালপাড়া এলাকার শাহ আলম শেখের ছেলে।
পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অনিরুজ্জামান অনিক বলেন, যুবলীগ নেতা মামুন শেখকে যারা কুপিয়ে আহত করেছে তারা যদি ছাত্রলীগের কর্মী হয়, তাদের বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগ দায়িত্ব নেবে না। তারা আইনের আওতায় আসবে। তবে নির্দোষ ব্যক্তি যেন হয়রানির স্বীকার না হয়।
ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান তালুকাদার বলেন, যুবলীগ নেতা মামুন শেখকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় তাঁর মা বাদী হয়ে নয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। মামুন শেখের মায়ের দেওয়া ভিডিও ফুটেজ দেখে মামলার আসামি করা হয়েছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৫ দিন আগে