আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মার্কিন দূতাবাসের এক পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রসিকতার ঢেউ তুলেছেন মালয়েশীয়রা। অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, ‘আমাদের দেশে কোনো তেল নেই, ট্রাম্প প্রশাসন যেন মালয়েশিয়ায় কুনজর না দেয়।’
কুয়ালালামপুরে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস) থেকে তোলা ২০১৬ সালের একটি চমকপ্রদ স্যাটেলাইট ছবি পোস্ট করে। ছবিটিতে মালয়েশিয়ার আকাশে বিশাল মেঘের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ চমকাতে দেখা যায়।
পোস্টটির ক্যাপশনে দূতাবাস লেখে, ‘মালয়েশিয়া, তোমাকে কখনো এতটা ‘‘ইলেকট্রিক’’ দেখায়নি।’
পোস্টে আরও বলা হয়, ‘এই উজ্জ্বল সাদা আলো শহরের বাতি নয়, এগুলো হলো ঝড়ের ভেতরে সংঘটিত বিশাল বজ্রপাত। এই দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখলে আমরা ভুলেই যাই যে, আমরা এক জীবন্ত, শ্বাস নেওয়া গ্রহে বাস করি। ঝড়ের নিচে থাকুন বা ওপর থেকে দেখুন—দৃশ্যটা অসাধারণ।’
নিরীহ ভঙ্গির এই পোস্টই অনলাইনে আত্মবিদ্রূপমূলক রসিকতার ঢেউ তুলেছে। অনেক মালয়েশীয় মজা করে ওয়াশিংটনকে অনুরোধ করেছেন, যেন ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার ওপর হামলার পর তাঁদের দেশের দিকে নজর না দেয়।
ফেসবুকে ওই পোস্টে সবচেয়ে বেশি লাইক পাওয়া একটি মন্তব্যে লেখা হয়, ‘অনুগ্রহ করে আপনার প্রেসিডেন্টকে বলবেন, আমাদের কোনো তেল নেই। আমাদের কাছে শুধু সাঁজি রান্নার তেল আছে।’
কিছু ব্যবহারকারী মালয়েশিয়াকে অনুন্নত দেশ হিসেবে দেখানোর প্রচলিত স্টেরিওটাইপ নিয়েও ঠাট্টা করেন। একজন লেখেন, ‘আপনি দেখতে পাচ্ছেন, আমরা জঙ্গলে থাকি। শরীর গরম রাখতে আগুন জ্বালাই।’ আরেকজন বলেন, ‘আমাদের কোনো শহর নেই। আমরা সবাই গাছে থাকি। (দ্রষ্টব্য: আমাদের কোনো তেলও নেই)।’
আলিফ সাজালি নামের এক ব্যবহারকারী লেখেন, ‘প্রিয় ট্রাম্প... আমরা জঙ্গলে থাকি... কোনো তেল নেই, শুধু বাঘ আর কুমির।’
মোহদ রাফি মেরুসিন লেখেন, ‘মালয়েশিয়ার কোনো অপরিশোধিত তেল নেই, আমাদের আছে শুধু প্রচুর পাম অয়েল আর বজ্রঝড়।’
ইনস্টাগ্রামেও একই ছবিটি নিয়ে শত শত মন্তব্য জমা পড়ে। কেউ কেউ উদ্বেগের সঙ্গে প্রশ্ন তোলেন, ‘আমরাই কি পরের ভেনেজুয়েলা?’
আরেকজন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে লেখেন, ‘আপনি চাইলে ব্রুনেই বা সিঙ্গাপুর বেছে নিতে পারেন।’
কিছু মন্তব্যে নজরদারি ও হস্তক্ষেপ নিয়েও খোঁচা দেওয়া হয়। ইনাহ আবদ রাহমান নামের এক ব্যবহারকারী লেখেন, ‘কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের মালয়েশিয়ার স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করাটা বেশ অদ্ভুত।’
যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর দেশটির তেল ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এরই মধ্যে তেল নিয়ে এমন রসিকতা করছেন মালয়েশিয়ার নাগরিকেরা।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেলক্ষেত্র দখল করবে এবং সেখানকার তেল ব্যবহার করবে। তিনি আরও বলেন, ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রকে ৩০ থেকে ৫০ মিলিয়ন ব্যারেল ‘নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত তেল’ সরবরাহ করবে।
এরপর ট্রাম্প আবারও গ্রিনল্যান্ড দখলের ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং হুঁশিয়ারি দেন—তারা চাইলেও বা না চাইলেও যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কিছু একটা করবে।

মার্কিন দূতাবাসের এক পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রসিকতার ঢেউ তুলেছেন মালয়েশীয়রা। অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, ‘আমাদের দেশে কোনো তেল নেই, ট্রাম্প প্রশাসন যেন মালয়েশিয়ায় কুনজর না দেয়।’
কুয়ালালামপুরে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস) থেকে তোলা ২০১৬ সালের একটি চমকপ্রদ স্যাটেলাইট ছবি পোস্ট করে। ছবিটিতে মালয়েশিয়ার আকাশে বিশাল মেঘের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ চমকাতে দেখা যায়।
পোস্টটির ক্যাপশনে দূতাবাস লেখে, ‘মালয়েশিয়া, তোমাকে কখনো এতটা ‘‘ইলেকট্রিক’’ দেখায়নি।’
পোস্টে আরও বলা হয়, ‘এই উজ্জ্বল সাদা আলো শহরের বাতি নয়, এগুলো হলো ঝড়ের ভেতরে সংঘটিত বিশাল বজ্রপাত। এই দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখলে আমরা ভুলেই যাই যে, আমরা এক জীবন্ত, শ্বাস নেওয়া গ্রহে বাস করি। ঝড়ের নিচে থাকুন বা ওপর থেকে দেখুন—দৃশ্যটা অসাধারণ।’
নিরীহ ভঙ্গির এই পোস্টই অনলাইনে আত্মবিদ্রূপমূলক রসিকতার ঢেউ তুলেছে। অনেক মালয়েশীয় মজা করে ওয়াশিংটনকে অনুরোধ করেছেন, যেন ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার ওপর হামলার পর তাঁদের দেশের দিকে নজর না দেয়।
ফেসবুকে ওই পোস্টে সবচেয়ে বেশি লাইক পাওয়া একটি মন্তব্যে লেখা হয়, ‘অনুগ্রহ করে আপনার প্রেসিডেন্টকে বলবেন, আমাদের কোনো তেল নেই। আমাদের কাছে শুধু সাঁজি রান্নার তেল আছে।’
কিছু ব্যবহারকারী মালয়েশিয়াকে অনুন্নত দেশ হিসেবে দেখানোর প্রচলিত স্টেরিওটাইপ নিয়েও ঠাট্টা করেন। একজন লেখেন, ‘আপনি দেখতে পাচ্ছেন, আমরা জঙ্গলে থাকি। শরীর গরম রাখতে আগুন জ্বালাই।’ আরেকজন বলেন, ‘আমাদের কোনো শহর নেই। আমরা সবাই গাছে থাকি। (দ্রষ্টব্য: আমাদের কোনো তেলও নেই)।’
আলিফ সাজালি নামের এক ব্যবহারকারী লেখেন, ‘প্রিয় ট্রাম্প... আমরা জঙ্গলে থাকি... কোনো তেল নেই, শুধু বাঘ আর কুমির।’
মোহদ রাফি মেরুসিন লেখেন, ‘মালয়েশিয়ার কোনো অপরিশোধিত তেল নেই, আমাদের আছে শুধু প্রচুর পাম অয়েল আর বজ্রঝড়।’
ইনস্টাগ্রামেও একই ছবিটি নিয়ে শত শত মন্তব্য জমা পড়ে। কেউ কেউ উদ্বেগের সঙ্গে প্রশ্ন তোলেন, ‘আমরাই কি পরের ভেনেজুয়েলা?’
আরেকজন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে লেখেন, ‘আপনি চাইলে ব্রুনেই বা সিঙ্গাপুর বেছে নিতে পারেন।’
কিছু মন্তব্যে নজরদারি ও হস্তক্ষেপ নিয়েও খোঁচা দেওয়া হয়। ইনাহ আবদ রাহমান নামের এক ব্যবহারকারী লেখেন, ‘কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের মালয়েশিয়ার স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করাটা বেশ অদ্ভুত।’
যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর দেশটির তেল ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এরই মধ্যে তেল নিয়ে এমন রসিকতা করছেন মালয়েশিয়ার নাগরিকেরা।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেলক্ষেত্র দখল করবে এবং সেখানকার তেল ব্যবহার করবে। তিনি আরও বলেন, ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রকে ৩০ থেকে ৫০ মিলিয়ন ব্যারেল ‘নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত তেল’ সরবরাহ করবে।
এরপর ট্রাম্প আবারও গ্রিনল্যান্ড দখলের ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং হুঁশিয়ারি দেন—তারা চাইলেও বা না চাইলেও যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কিছু একটা করবে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৭ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৮ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৮ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২১ দিন আগে