নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পরও আসামি ও তাঁদের স্বজনদের নির্যাতন করার ঘটনার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে শরীয়তপুরের নড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল মনির ও সদ্য প্রত্যাহার হওয়া পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে উচ্চ আদালতের জামিন পাওয়া আসামিদের কারাগারে পাঠানোয় শরীয়তপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকেও তলব করা হয়েছে। আগামী ১৬ জুলাই তাঁদের হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন আদালত। এ ছাড়া ওই ঘটনায় পুলিশ মহাপরিদর্শক ও শরীয়তপুরের পুলিশ সুপারকে তাঁদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে।
বিষয়টি নজরে আনার পর আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলামের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মজিবুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।
জানা গেছে, গত ২১ মে জাজিরার আহাদী বয়াতিকান্দি গ্রামের শাহীন আলম শেখ নামের এক ব্যক্তি ও তাঁর সহযোগী ছোট কৃষ্ণনগর গ্রামের সেকান্দার মাদবরের কাছ থেকে ১৭ হাজার ডলার, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাই হয়। এতে ২১ লাখ ১৫ হাজার ২৫০ টাকা খোয়া গেছে—এমন অভিযোগ এনে গত ২৩ মে ৯ ব্যক্তিকে আসামি করে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানায় একটি মামলা করেন শাহীন আলম। মামলায় নাওডোবা বাজারের ব্যবসায়ী আবু জাফরের চার আত্মীয়কে আসামি করা হয়। আসামিরা হলেন জাফরের চাচা রশিদ চোকদার, তাঁর ছেলে বকুল চোকদার, জাফরের আরেক চাচা বাদশা চোকদার ও তাঁর ছেলে সাদ্দাম চোকদার।
সেই মামলায় গত ২৯ মে সাদ্দাম, বকুল, সাইদুল উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। ৩০ মে রাতে তাঁরা এ মামলার আরেক আসামি আনোয়ারকে নিয়ে ঢাকা কেরানীগঞ্জ সাদ্দামের বন্ধু আলমগীর চোকদারের বাসায় যান। ওইদিন রাতে তথ্য পেয়ে সেই বাসায় যান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল মনির ও ওসি মোস্তাফিজুর রহমানসহ ১০-১২ জন পুলিশ সদস্য। এ সময় তাঁদের সঙ্গে জাজিরা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রুবেল বেপারীও ছিলেন। পুলিশ সেখান থেকে তাঁদের থানায় নিয়ে যায়।
পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল মনির এবং ওসি শেখ মোস্তাফিজুর রহমান আবু জাফরকে চার আত্মীয়ের পক্ষে ৭২ লাখ টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেন। এর বিনিময়ে তাঁকে বলা হয়, ওই আত্মীয়দের মালিকানাধীন নাওডোবা বাজারের দুটি দোকান তাঁর নামে লিখে দেওয়া হবে। তবে এতে রাজি হননি আবু জাফর। তখন দুই পুলিশ কর্মকর্তা তাঁকে মারধর করেন। ওসির কক্ষে আটকে চোখ বেঁধে তাঁকে দুই ঘণ্টাব্যাপী পেটানো হয়। একপর্যায়ে ৭২ লাখ টাকার চেক লিখে দিতে রাজি হলে তাঁর চাচা ও মামলার আসামি রশিদ চোকদারের জিম্মায় ভোররাতে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরদিন সকালে ন্যাশনাল ব্যাংক নাওডোবা শাখায় নিজের হিসাব নম্বরের ৫টি চেকে ৭২ লাখ টাকা লিখে দেন আবু জাফর। ওই চেকগুলো ওসি মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে দেওয়া হয়। মো. শহীদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির নামে চেক লিখে রাখা হয়। শহীদুল মামলার বাদীপক্ষ ও পুলিশের পরিচিত বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী আবু জাফরের।
আইনজীবী মজিবুর রহমান বলেন, ১ জুন তাঁদের চিফ জুডিশিয়াল কোর্টে হাজির করা হয়। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উচিত ছিল সঙ্গে সঙ্গে আসামিদের জামিন দেওয়া। কেননা তাঁদের উচ্চ আদালতের জামিন ছিল। এটা না করে তিনি কারাগারে পাঠিয়েছেন। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা আদালতের নজরে আনা হয়। হাইকোর্ট দুই পুলিশ কর্মকর্তা এবং চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে তলব করেছেন।

উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পরও আসামি ও তাঁদের স্বজনদের নির্যাতন করার ঘটনার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে শরীয়তপুরের নড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল মনির ও সদ্য প্রত্যাহার হওয়া পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে উচ্চ আদালতের জামিন পাওয়া আসামিদের কারাগারে পাঠানোয় শরীয়তপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকেও তলব করা হয়েছে। আগামী ১৬ জুলাই তাঁদের হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন আদালত। এ ছাড়া ওই ঘটনায় পুলিশ মহাপরিদর্শক ও শরীয়তপুরের পুলিশ সুপারকে তাঁদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে।
বিষয়টি নজরে আনার পর আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলামের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মজিবুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।
জানা গেছে, গত ২১ মে জাজিরার আহাদী বয়াতিকান্দি গ্রামের শাহীন আলম শেখ নামের এক ব্যক্তি ও তাঁর সহযোগী ছোট কৃষ্ণনগর গ্রামের সেকান্দার মাদবরের কাছ থেকে ১৭ হাজার ডলার, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাই হয়। এতে ২১ লাখ ১৫ হাজার ২৫০ টাকা খোয়া গেছে—এমন অভিযোগ এনে গত ২৩ মে ৯ ব্যক্তিকে আসামি করে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানায় একটি মামলা করেন শাহীন আলম। মামলায় নাওডোবা বাজারের ব্যবসায়ী আবু জাফরের চার আত্মীয়কে আসামি করা হয়। আসামিরা হলেন জাফরের চাচা রশিদ চোকদার, তাঁর ছেলে বকুল চোকদার, জাফরের আরেক চাচা বাদশা চোকদার ও তাঁর ছেলে সাদ্দাম চোকদার।
সেই মামলায় গত ২৯ মে সাদ্দাম, বকুল, সাইদুল উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। ৩০ মে রাতে তাঁরা এ মামলার আরেক আসামি আনোয়ারকে নিয়ে ঢাকা কেরানীগঞ্জ সাদ্দামের বন্ধু আলমগীর চোকদারের বাসায় যান। ওইদিন রাতে তথ্য পেয়ে সেই বাসায় যান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল মনির ও ওসি মোস্তাফিজুর রহমানসহ ১০-১২ জন পুলিশ সদস্য। এ সময় তাঁদের সঙ্গে জাজিরা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রুবেল বেপারীও ছিলেন। পুলিশ সেখান থেকে তাঁদের থানায় নিয়ে যায়।
পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল মনির এবং ওসি শেখ মোস্তাফিজুর রহমান আবু জাফরকে চার আত্মীয়ের পক্ষে ৭২ লাখ টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেন। এর বিনিময়ে তাঁকে বলা হয়, ওই আত্মীয়দের মালিকানাধীন নাওডোবা বাজারের দুটি দোকান তাঁর নামে লিখে দেওয়া হবে। তবে এতে রাজি হননি আবু জাফর। তখন দুই পুলিশ কর্মকর্তা তাঁকে মারধর করেন। ওসির কক্ষে আটকে চোখ বেঁধে তাঁকে দুই ঘণ্টাব্যাপী পেটানো হয়। একপর্যায়ে ৭২ লাখ টাকার চেক লিখে দিতে রাজি হলে তাঁর চাচা ও মামলার আসামি রশিদ চোকদারের জিম্মায় ভোররাতে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরদিন সকালে ন্যাশনাল ব্যাংক নাওডোবা শাখায় নিজের হিসাব নম্বরের ৫টি চেকে ৭২ লাখ টাকা লিখে দেন আবু জাফর। ওই চেকগুলো ওসি মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে দেওয়া হয়। মো. শহীদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির নামে চেক লিখে রাখা হয়। শহীদুল মামলার বাদীপক্ষ ও পুলিশের পরিচিত বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী আবু জাফরের।
আইনজীবী মজিবুর রহমান বলেন, ১ জুন তাঁদের চিফ জুডিশিয়াল কোর্টে হাজির করা হয়। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উচিত ছিল সঙ্গে সঙ্গে আসামিদের জামিন দেওয়া। কেননা তাঁদের উচ্চ আদালতের জামিন ছিল। এটা না করে তিনি কারাগারে পাঠিয়েছেন। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা আদালতের নজরে আনা হয়। হাইকোর্ট দুই পুলিশ কর্মকর্তা এবং চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে তলব করেছেন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১১ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৫ দিন আগে